admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ১ মে, ২০২২ ৭:১৭ অপরাহ্ণ
সনতচক্রবর্ত্তীঃ ফরিদপুরের সালথায় আসামি গ্রেফতারে অভিযানে এসে হামলার শিকার হয়েছেন দুই পুলিশ সদস্য। এ সময় তাদের কাছ থেকে তারা মিয়া নামে আসামি ছিনিয়ে নেওয়া হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার দুপুরে সালথা থানার এসআই খারদিয়া এলাকার বিট কর্মকর্তা মো. নাজমুল ও এএসআই মো. লিয়াকত হোসেন যদুনন্দী ইউনিয়নের খারদিয়া গ্রামে ছয় আনি পাড়ায় যান। তারা ওই গ্রামের তারা মিয়াকে (৫৩) আটক করে হাতে হ্যান্ডকাফ লাগায়।
এ সময় তার পরিবারের লোকজন ও স্বজনরা আটকের কারণ জানতে চায় পুলিশের কাছে। পরে পুলিশ জানায় তার নামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা আছে। কিন্তু উপস্থিত ২০ থেকে ২৫ জন নারী দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে তারা মিয়াকে ছিনিয়ে নেয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ফরিদপুরের সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার (নগরকান্দা সার্কেল) সুমিনুর রহমান বলেন,আসামি তারা মিয়াকে গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়া সময়।হটাৎ আসামির স্বজনরা( নারী) পুলিশকে মারধর করে তাকে ছিনিয়ে নেয়। ওই সুযোগে পালিয়ে যান তারা মিয়া। তিনি বলেন, পুলিশের এ অভিযানে কোন নারী পুলিশ না থাকায় নারীদের পক্ষে আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়া সহজ হয়েছে।আসামির স্বজনদের হামলায় দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে ।
এলাকার বাসিন্দারা জানান, যদুনন্দী ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলমগীর মিয়ার মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এই বিরোধের সূত্র ধরে এলাকায় বেশ কয়েকবার সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে।
গত এপ্রিলেও খারদিয়া এলাকায় দুই পক্ষের সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে এসে কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন। এ ঘটনায় পুলিশের করা মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলমগীর মিয়া গ্রেপ্তার হন। আসামি তারা মিয়াও পুলিশের ওপর চালানো হামলার মামলার একজন আসামি। তিনি ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলামের সমর্থক। এছাড়া, তার নামে ২০১৯ সালে একটি এবং ২০২০ সালে দুটি মামলা রয়েছে। এই চার মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করতে গিয়েছিলেন দুই পুলিশ কর্মকর্তা।