admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর, ২০২১ ১১:৫১ অপরাহ্ণ
কুমিল্লার রিকশাচালক থেকে ড্যান্সার, আড়ালে নারী পাচারের ফাঁদ। কুমিল্লা থেকে ২০০১ সালে ঢাকায় এসে প্রথমে রিকশাচালক, পরে পণ্যবাহী ভ্যানচালক হিসেবে কাজ করেন কামরুল ইসলাম। চিত্রজগতের মালা টানার সুবাদে বনে যান ড্যান্সার, তার আড়ালে চলে নারী পাচারের ফাঁদ। ঢাকা ও চুয়াডাঙ্গায় অভিযান চালিয়ে তাকেসহ ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৪। গ্রেপ্তার দুই মানব পাচার চক্রের বিষয়ে জানাতে আজ শনিবার মিরপুর কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলন করে সংস্থাটি।
এ সময় জানানো হয়, এক চক্রের ৪ জন ভারতে এবং অপর চক্রের ৭ জন মধ্যপ্রাচ্যে মানব পাচার করে আসছিল। তারা কখনো সখ্য গড়ে, কখনো ড্যান্স ক্লাবের আড়ালে নারী পাচারের সঙ্গে জড়িত। র্যাব জানায়, চাকরিসহ নানা প্রলোভন দেখিয়ে বিদেশে পাচারের অপেক্ষায় থাকা ২৩ জনকে গতকাল শুক্রবার রাতে অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে ঢাকা থেকে ২২ নারীকে এবং চুয়াডাঙ্গা থেকে এক নারীকে উদ্ধার করা হয়েছে।
অভিযানে জব্দ করা হয় ৫৩টি পাসপোর্ট, ২০টি মোবাইলফোন, ৮ বোতল বিদেশি মদ, ২৩ ক্যান বিয়ার, দুটি মোটরসাইকেল, একটি ল্যাপটপ ও একটি কম্পিউটার। এ ছাড়া ঢাকার তেজগাঁও ও উত্তরা থেকে মানব পাচার একটি চক্রের হোতা নুর-নবী ভূঁইয়াসহ ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। অন্যরা হলেন- আবুল বাশার, আল ইমরান, মনিরুজ্জামান, শহিদ সিকদার, প্রমোদ চন্দ্র দাস ও টোকন। মোহাম্মদপুর, খিলক্ষেত ও চুয়াডাঙ্গা থেকে আরেক চক্রের প্রধান ডিজে কামরুল, রিপন মোল্লা, আসাদুজ্জামান সেলিম ও নাইমুর রহমান গ্রেপ্তার হন।