admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর, ২০২১ ১:৫২ অপরাহ্ণ
যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশেকে যেসব অস্ত্র বিক্রি করতে চায়। বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের দৃঢ় প্রতিরক্ষা সহযোগিতা রয়েছে। এই সহযোগিতা আরো জোরদার করতে চায় যুক্তরাজ্য। এর অংশ হিসেবে যুক্তরাজ্য থেকে নিরাপত্তা সামগ্রী ক্রয় করা হলে দুই দেশের বন্ধন আরো দীর্ঘ ও দৃঢ় হবে বলে মনে করেন ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত রবার্ট ডিকসন। ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত জানান, বাংলাদেশের কাছে ইউরো ফাইটার, যুদ্ধজাহাজ, সি-১৩০ পরিবহন উড়োজাহাজসহ অন্যান্য সামগ্রী বিক্রি করতে আগ্রহী ইউরোপের এ দেশটি।
রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে বুধবার, ২৭ অক্টোবর, আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ কথা জানান তিনি। ডিপ্লোমেটিক করেসপন্ডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ বা ডিক্যাব আয়োজিত ডিক্যাব টকে রবার্ট ডিকসন বলেন, দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সামগ্রী সংগ্রহের ক্ষেত্রে দৃঢ় সহযোগিতা রয়েছে। আমি এখানে থাকাকালে বাংলাদেশ এয়ারফোর্সকে পাঁচটি সি-১৩০ পরিবহন উড়োজাহাজ সরবরাহ করেছি আমরা। এটি একটি সফল লেনদেন হয়েছে।

রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে এখন বিএনএস অনুসন্ধান হিসেবে যে জাহাজ অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, সেটি যুক্তরাজ্যের রয়্যাল নেভির সার্ভে জাহাজ। যুক্তরাজ্য থেকে যুদ্ধজাহাজ ক্রয় করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর একটি দীর্ঘ ঐতিহ্য রয়েছে। এটি চলমান থাকুক, এ বিষয়ে অত্যন্ত আগ্রহী আমরা।ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত দাবি করেন, তাদের সমুদ্র সক্ষমতা অনেক বেশি। এ জন্য লন্ডন চায়, বাংলাদেশ যেন দেশটির কাছ থেকে নিরাপত্তা সামগ্রী ক্রয় করে। এর আরো কারণ হলো ব্রিটেন ভালো জিনিস বানায়, আবার এসব জিনিস সুলভ দামেও পাওয়া যায়।
দুই দেশ কীভাবে একসঙ্গে কাজ করতে পারি সেই বিষয়ে আলোচনা করছি জানিয়ে ডিকসন বলেন,ইউরো ফাইটার কনসোর্টিয়ামের সদস্য যুক্তরাজ্য। জেট বিষয়ে আলোচনার একটি আগ্রহপূর্ণ সুযোগ তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশের জন্য টাইফুন বিমান অত্যন্ত উপযোগী, তবে এটির দাম একটু বেশি। অবশ্য বাংলাদেশ যদি কিনতে পারে, তাহলে এটি এদেশের জন্য ভালো হবে। ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত বলেন, যুক্তরাজ্য থেকে বাংলাদেশের ন্যাভাল সামগ্রী ক্রয়ের অনেক সুযোগ রয়েছে। আর এ ধরনের লেনদেন করা হলে পরস্পরের বন্ধন আরো দীর্ঘ ও দৃঢ় হয়।