admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ১৮ ডিসেম্বর, ২০২১ ৯:৪৯ পূর্বাহ্ণ
আব্দুল কুদ্দুস রয়েল, স্টাফ রিপোর্টারঃ ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় (বড় মাঠ) শহীদ মিনারে বিজয় দিবস ও সুবর্ণজয়ন্তীর উৎসব অনুষ্ঠানে জুতা পায়ে বেদির উপর নেচে গেয়ে বিজয় বরণের ১৭ ডিসেম্বর সন্ধ্যার পর জেলার কর্নেট সাংস্কৃতিক সংসদ এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। রাত ৮টার পর ওই অনুষ্ঠানে জুতা পায়ে বেদির উপর গান গাওয়ার সময় শহরের বিশিষ্ঠ্য ব্যক্তিবর্গ সন্মুখে উপবিষ্ট ছিলেন। অথচ কেউ গুরুত্ব দিয়ে বিষয়টি লক্ষ করেন নি।
অনুষ্ঠানে প্রধান অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা প্রশাসক মাহাবুবুর রহমান, বিশেষ অথিতি ছিলেন, পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর হোসেন, ঠাকুরগাঁও পৌর মেয়র আঞ্জুমান আরা বর্না, প্রেসক্লাবের সভাপতি মুনসুর আলী, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কম্যান্ডার বদর আলী, হরিপুর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ নেতা শামীম ফেরদৌস টগড়সহ আরো অনেকেই।
কর্নেট সাংস্কৃতিক সংসদের আয়োজনে এই অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেছে। সাধারণ মানুষ বিষয়টি ভালো ভাবে নেননি তাঁরা বলেছেন শহীদ মিনারে জুতা পায়ে উঠে গান-বাজনা করা হলো। তিনি আরও বলেন, আমি মনে করি শহীদদের অপমান করে জুতা পায়ে মিনারে ওঠা মানে একটা জাতিকে অপমান করা। যাদের জন্য আমরা কথা বলতে পারছি, যাদের রক্তের বিনিময়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করতে পারি তাদের জন্যই আমরা নিজেকে পরিবর্তন করতে পারবো না কেন?
এমন আরও অনেক মন্তব্যের মাধ্যমে মতামত জানাচ্ছেন ওই এলাকার ফেসবুক ব্যবহারকারীরা। এমন নিন্দনীয় কাজের জন্য আয়োজককে ক্ষমা চাওয়ার জন্যও বলছেন তারা। বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে কর্নেট সাংস্কৃতিক সংসদের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম প্রবাল বলেন, যারা গানের যন্ত্র ব্যবহার করছিল আর্থিংয়ের জন্য তারা জুতা পরে ছিল। তবে তারা মূল বেদির পরের বেদিতে জুতা পরে ছিল।