admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ৬ আগস্ট, ২০২০ ১:৪০ অপরাহ্ণ
সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান নিহতের ঘটনায় দায়ের হওয়া হত্যা মামলায় টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাস (৪৮) এবং ঘটনাস্থল বাহারছরা শামলাপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক লিয়াকত আলীসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। জানা গেছে, গতকাল বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে টেকনাফ মডেল থানায় ওই ঘটনায় নিয়মিত হত্যা মামলা দায়ের হয়। এর পর গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়। দণ্ডবিধির ৩০২, ২০১ ও ৩৪ জামিন অযোগ্য ধারায় মামলাটি রুজু করা হয়েছে। মামলা নম্বর সিআর: ৯৪/২০২০ (টেকনাফ)।
যে ৯ জনের বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করা হয়েছে, তারা হলেন- টেকনাফ থানা থেকে প্রত্যাহার হওয়া ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার দাশ (৪৮) এবং বাহারছরা শামলাপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের প্রত্যাহার হওয়া পরিদর্শক লিয়াকত আলী (৩১)।
এ ছাড়া ওই কেন্দ্রের উপ-পরিদর্শক নন্দলাল রক্ষিত, কনস্টেবল সাফানুর করিম, কনস্টেবল কামাল হোসেন, কনস্টেবল আবদুল্লাহ আল মামুন, সহাকারী উপ-পরিদর্শক লিটন মিয়া, উপ-পরিদর্শক টুটুল এবং কনস্টেবল মো. মোস্তফা এই তালিকায় রয়েছেন। তাদেরকেসহ সিনহা রাশেদ নিহতের মোট ২১ পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
গত ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সিনহা রাশেদ। পুলিশের পক্ষ থেকে ওই সময় বলা হয়, রাশেদ সিনহা তার পরিচয় দিয়ে ‘তল্লাশিতে বাধা দেন’। এর পর তিনি ‘পিস্তল বের করলে’ দায়িত্বরত পুলিশ তাকে গুলি করে। ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র ও মাদক উদ্ধারের কথাও জানায় পুলিশ। এ নিয়ে পুলিশের পক্ষ থেকেও মামলা করা হয়েছে।
সিনহা ২০১৮ সালে সৈয়দপুর সেনানিবাসে থাকা অবস্থায় স্বেচ্ছায় অবসরে যান। ৫১ বিএমএ লং কোর্সে অংশ নিয়ে সেনাবাহিনীতে কমিশন পেয়েছিলেন তিনি। অবসরে যাওয়ার পর থেকে সিনহা ভ্রমণ বিষয়ক একটি ডকুমেন্টারি বানানোর কাজ করছিলেন। ‘লেটস গো’ নামে ওই ডকুমেন্টারির কাজেই গত এক মাস ধরে কক্সবাজারের হিমছড়ি এলাকায় ছিলেন। আরো তিন সঙ্গীসহ তারা উঠেছিলেন নীলিমা রিসোর্টে।