admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ২৭ জানুয়ারি, ২০২০ ১২:৫৩ অপরাহ্ণ
ঠাকুরগাঁওয়ের রোজ হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্ট এবং কড়াই গোস্ত নামে দুটি রেস্তরায় ভেড়া জবাই করে খাসির মাংস হিসাবে বিক্রি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।রবিবার দুপুরে ওই দুটি রেস্তরার মাধামাঝি তাদের নিজম্ব রান্না ঘরের সাথে একটি স্থানে এই ভেড়া জবাই করার দৃশ্য ক্যামেরা বন্দি হয়।হোটেল সূত্রে জানা যায়, একক মালিকানার এই দুটি হোটেলে প্রতিদিন ১০ থেকে ১২টি খাসির মাংস বিক্রি হয়।
প্রতি পিস বিক্রি হয় ১২০টাকায়। তাদের খাবারের ম্যানুতে গরু, খাসি, মাছ, মুরগীসহ অন্যান্য খাবারের তালিকা থাকলেও ভেড়ার মাংস বিক্রি করার নাম উল্লেখ নাই।রবিবার এই রেস্তরার দুটির মাঝামাঝি স্থানে নিজস্ব রানা ঘরে ১৫টি ভেড়া ও খাসি জবাই হয়। এর মধ্যে ১২টিই ছিল ভেড়া। দুইজন কসাইসহ তিনজন এই প্রাণী দুটি জবাই করে কাটাকাটি করছিল।
এ সময় সংবাদকর্মীরা উপস্থিত হয়ে সেই দৃশ্য ক্যামেরা বন্দি করে। এ সময় ওই হোটেলের কর্মরত কর্মীরা ছবি তুলতে বাঁধা দেয় এবং তাৎক্ষণিক ভাবে হোটেলে ভিতরের রান্না ঘরের অংশের গেট বন্ধ করে দেয়। যেন কেউ বাহির থেকে ঢুকতে না পরে। ওই হোটেল স্টাফ কসাই আমান ইসলাম বলেন, ৫টি ভেড়া ও ৫টি ছাগল জবাই হয়েছে। তবে কেন ভেড়া জাবাই হলো এ প্রসঙ্গে বলেন, বিষয়টি তিনি জানেন না, মালিক জানেন।রোজ হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্ট এর ক্যাশিয়ার শিমুল মাহাত বলেন, আমি ক্যাশ এর দায়িত্বে আছি কিন্তু ভিতরে কি হচ্ছে তা আমার জানা নাই এবং দায়িত্বের মধ্যে পরেনা।রোজ হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্টে আসা সদর উপজেলার শিবগঞ্জ এলাকার আব্দুল লতিফ লিটু বলেন, ভেড়া জবাই করে খাসির মাংস হিসাবে বিক্রি করা প্রতারণা। আমি প্রায়ই এই হোটেল দুটিতে খাবার খেতে আসি। হোটেল দুটির খাবারের ম্যানুতে ভেড়ার মাংস বিক্রি হয় এর কোন তালিকা নেই।
আরেক ভোক্তা হরেশ চন্দ্র বলেন, মানুষের সাথে প্রতারনা বন্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।এ ব্যাপারে রোজ হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্ট এবং কড়াই গোস্ত হোটেলের মালিক আবুল কাশেম বলেন, ভেড়া জবাই হওয়ার কথা নয়, প্রতিদিনই খাসি জবাই হয়। যেহেতু আমি ঠাকুরগাঁওয়ে নাই। আমার অনুপস্থিতিতে এধরনের ঘটনা ঘটতে পারে