চোখের দৃষ্টি ভাল নয়, ঝাপসা, তিক্ত অভিজ্ঞতার পর্দা লাগানো! তবুও পথচলা, সন্তর্পণে পা ফেলা…. কত কিছু ভেসে ওঠে চোখের সামনে, মা যেন আজও হাত ধরে...
তুমি যখন চুপ করে থাকো অসহ্য লাগে মনে হয় সব ভেঙ্গে ফেলি—— তুমি যখন চুপ করে থাকো——- কিছুই লাগেনা ভালো——- ভর দুপুরের উতপ্ত সূর্য্যটা স্নান—...
নীতা গভীর… তাই অসীম… খাঁজগুলো বন্য… অথচ জীবন্ত… মায়াবী চোখ… নিস্তার নেই.. হৃদয় প্রকোষ্ঠ পরিষ্কার.. প্রেম স্বচ্ছ- নির্মল.. বিষপুরুষ আমি… নীতা বিষকন্যা… মৃত ভালোবাসা আমাদের...
( জাগিবে একাকী তব করুণ আঁখি– তব অঞ্চলছায়া মোরে রহিবে ঢাকি—- মম দুঃখবেদন মম সফল স্বপন—- তুমি ভরিবে সৌরভে নিশীথিনী-সম ) !— রাত্রির বিষণ্ণ নীরবতা...
ছুঁয়ে থাকা জানতে হয়… গভীরে প্রস্তুতি প্রয়োজন… একটু একটু করে তখনই কিন্তু আমার সঙ্গে দেখা করা যায় নিরালায়… নীরা, নীলাঞ্জনা, সুলতা পারেনি… নীতা পেরেছিল… সেই...
আমার সকল দুখের প্রদীপ – তোমাকেই জ্বালতে হবে! সাঁঝবাতির আলোয় আমার পছন্দের রঙের শাড়িতে, তুমি পূজারিণীর বেশে থাকবে! চোখের জলে নয়, আমার একরাশ ভালবাসার সৌরভে...
তবু এক যোগ এক একাকিত্বে রাত্রির বিষণ্ণ নীরবতা ভেঙ্গে —– স্বপ্নহারা মৌণযোগের চৈতন্যে —— ফোটে রোদের মঞ্জরি ——— রূপোলি বীজের ঘ্রাণ —————- ভেসে আসে দূর...
উঠোনে খেলছে নাতিশীতোষ্ণ রোদ বেড়ায় ফুটেছে অপরাজিতার ফুল অমৃতযোগে অতিথির আনাগোনা আমি শুধু রই এখনো চক্ষুশূল। কেউ কেউ এসে খেলে যায় লুকোচুরি ফের কেউ এসে...
এখন আর হিসাব করি না – মেলাতে পারি না, বিধাতার গরমিল! সময় খরচ করি, বেহিসেবি! অতীতের তিক্ততাকে চাবুক মারি, আর্তনাদ করে ওঠে! অভিজ্ঞতার ঠিকানা পাই,...
মন খারাপের হাওয়া যখন– লাগে মনের পরে—- অকারণে মনটা তখন—- কেমন জানি করে। কোন কিছু লাগে না ভালো—– শুধু কান্না আসে—- কোন কাজে মন বসে...