admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ১৭ মে, ২০২০ ১:২০ অপরাহ্ণ
দেশের বিভিন্ন জেলায় এই টাকাকে কেন্দ্র করে প্রতারণা শুরু হয়েছে বিকাশ একাউন্ট করতে নগদ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। আমাদের বগুড়া প্রতিনিধি জানান সেখানে বিকাশ একাউন্ট খুলতে ৫০০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। করোনার কারণে সারাদেশের ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ লাখ দরিদ্র পরিবারকে নতুন পদ্ধতিতে সরকারি টাকা যারা পাবেন? করোনার কারণে সারাদেশের ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ লাখ দরিদ্র পরিবারকে এককালীন নগদ আড়াই হাজার টাকা করে মোবাইল একাউন্টে দিচ্ছে সরকার। গত ১৪ কিন্তু এর মধ্যেই এই কার্যক্রম নিয়ে উঠেছে অভিযোগ। জানা গেছে, তালিকায় থাকা একই নম্বর একাধিবার ব্যবহার করা হয়েছে। নগদ অর্থ সহায়তা পাঠানোর জন্য ভিন্ন ভিন্ন নাম ব্যবহার করে একই নম্বর দেয়া হয়েছে। আর এমন ঘটনা সারা দেশেই ঘটেছে বলে অভিযোগ ওঠেছে। আর এই অভিযোগ ওঠার পর বিকল্প ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে সরকার। এই ব্যবস্থায় বাদ পড়াদের নতুন মোবাইল নম্বর অথবা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানোর ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
এ ব্যাপারে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোঃ শাহ্ কামাল গণমাধ্যমকে জানান, ডাটা কালেকশনের ফরমে মোবাইল নম্বরের একটা অপশন রয়েছে। গ্রামের সকল দরিদ্র পরিবারের তো আর মোবাইল নম্বর নেই। তাই স্থানীয়ভাবে একই নম্বর বার বার ব্যবহার করে এই তথ্য সার্ভারে আপলোড করা হয়েছে। তবে স্ক্যানিংয়ের সময় জাতীয় পরিচয়পত্রের সঙ্গে মোবাইল নম্বর মেলানোর সময় তালিকার অনেক নাম বাতিল হয়ে গেছে। বাদ পড়াদের সহযোগিতার বিষয়ে এই সিনিয়র সচিব আরো বলেন, এখন নতুন করে এনআইডির সঙ্গে মিলিয়ে নতুন মোবাইল নম্বরে অথবা ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে টাকা নিতে হবে। ন্যাশনাল আইডির সঙ্গে মোবাইল নম্বর না মেলার সংখ্যা ৮ লাখ কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এই বিষয়টি তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগ বলতে পারবে। আগামী তিন দিনের মধ্যে তারা সব ঠিক করবে।মে থেকে এই কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। এই বিতরণ কার্যক্রম চলবে ঈদুল ফিতরের আগ পর্যন্ত।
বাগেরহাটের শরণখোলায় ক’রোনাভা’ইরাসেের কারণে কর্মহীন হয়ে পড়া নিম্ন মধ্যবিত্ত ও হতদরিদ্রদের প্রতি পরিবারকে প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ২৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তার তালিকা তৈরিতে ব্যাপক অনিয়ম ধরা পড়েছে। সুবিধাভোগী ৪০ জনের নামের পাশে এক ইউপি সদস্যের মোবাইল নম্বর দেয়া হয়েছে। এছাড়াও হতদরিদ্রদের এই তালিকায় স’রকারি সুবিধাপ্রাপ্ত স্বচ্ছল ব্যক্তির নামও রয়েছে। ফলে ওই তালিকা সংশোধনে মাঠে নেমেছে উপজে’লা প্রশাসন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে প্রস্তুতকৃত চূড়ান্ত তালিকা শরণখোলা উপজে’লা পরিষদে জমা দেয়ার পরও তা যাচাই-বাছাই করতে গিয়ে এ সকল অনিয়ম ধরা পড়ার পর সমালোচলা শুরু হয়। শরণখোলা উপজে’লার চারটি ইউনিয়নের মধ্যে খোন্তাকা’টায় এই অনিয়মের মাত্রা একটু বেশি বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
তালিকায় সংশ্লিষ্ঠ ব্যক্তির নামের পাশে তার মোবাইল নম্বর সংযুক্ত করার বিধান থাকলেও কতিপয় ইউপি সদস্য অসৎ উদ্দেশ্যে তার নিজের নম্বরটি দিয়েছেন। মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ২৫০০ টাকা করে প্রত্যেক পরিবারকে প্রদানের বি’ষয়টি নিশ্চিত হয়ে সেই টাকা নিজের পকে’টে আনতেই তারা এই অপকৌশলের আশ্রয় নিয়েছেন।