সোহরাব আলী,তেঁতুলিয়া পঞ্চগড় প্রতিনিধি || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ৬:৩০ অপরাহ্ণ
হিমালয়ের কাছাকাছি অবস্থান হওয়ার দেশের সর্বোত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় বয়ে যাচ্ছে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ। কনকনে শীতে তাপমাত্রা কমে ৬.৮ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে গেছে। যা মৌসুমে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ।
শুক্রবার (০৯ জানুয়ারি) সকাল ০৯ টায় সর্বনিম্ন ৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিস। এসময় বাতাসের আদ্রতার পরিমাণ শতভাগ ছিল। এই তাপমাত্রা চলতি শীত মৌসুমের মধ্যেও সর্বনিম্ন বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। এসময় বাতাসের আদ্রতার পরিমাণ শতভাগ ছিল। বাতাস গতি ঘন্টায় ১০-১২ কিলোমিটার ছিল।উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে,ঘন কুয়াশা আর তীব্র শীতের ভোগান্তিতে পড়েছেন পঞ্চগড়ের খেটে খাওয়া নিম্নআয়ের মানুষ।
এর সঙ্গে বয়ে চলা উত্তরের হিমেল হাওয়া আর ঘন কুয়াশার কারণে বিভিন্ন সড়কে ধীরগতিতে যান চলাচল করতে দেখা গেছে। কিছু কিছু যানবাহন হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে। তবে ঘন কুয়াশার চাদরে প্রকৃতি ঢাকা পড়লেও জীবিকার তাগিদে সাত সকালেই বের হন শ্রমজীবী মানুষেরা। ঘন কুয়াশায় সড়ক-মহাসড়কে বিঘ্নিত হয়েছে যানবাহন চলাচল। তীব্র শৈত্যপ্রবাহে বিপাকে পড়েছেন ছিন্নমূল, খেটে খাওয়া, দিনমজুর ও নিম্ন আয়ের মানুষ। তবে দুদিন ধরে বয়ে চলা মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ এখন সাধারণ মানুষের জন্য কষ্টে পরিণত হয়েছে।
তাপমাত্রার পারদ কমে যাওয়ার পাশাপাশি ঘন কুয়াশা ও উত্তরের হিমেল বাতাসে শীতের তীব্রতা বাড়িয়েছে কয়েকগুণ। মাঘের এই শীতের তীব্রতায় নাকাল সাধারণ মানুষ। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন ছিন্নমূল ও নিম্ন আয়ের মানুষ।
অন্যদিকে, তীব্র শীত আর কুয়াশার কারণে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন শিশু ও বৃদ্ধারা। প্রতিনিয়তই সর্দি, কাশি, নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্টজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন শিশু ও বৃদ্ধরা।
জেলার তেঁতুলিয়া প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্র নাথ রায় জানান,আজ শুক্রবার (০৯ জানুয়ারি) সকাল ৯ টায় সর্বনিম্ন ৬.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। যা গত কাল ৯ টায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৯.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজকের তাপমাত্রা অনুযায়ী তেঁতুলিয়ায় মাঝারি শৈত্য প্রবাহ বইছে।