admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ২৪ ডিসেম্বর, ২০২২ ৬:১২ অপরাহ্ণ
মোঃ জুলহাস উদ্দীন,স্টাফ রিপোর্টারঃ পঞ্চগড়ে বিএনপির গণমিছিলে পুলিশের বাধা। টিয়ার গ্যাস ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ। পুলিশের লাঠির আঘাতে একজন নিহত। এ ঘটনায় প্রায় অর্ধশতাধিক আহত বলে দাবি করেছেন বিএনপির নেতারা। নিহত আব্দুর রশিদ আরেফিন বোদা উপজেলার ময়দান দিঘী ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ন আহ্বায়ক। তিনি পাথরাজ এলাকার মৃত খোরশেদ আলমের ছেলে।
শনিবার (২৪ডিসেম্বর) দুপুরে জেলা বিএনপির কার্যালয় থেকে বেগম খালেদা জিয়াসহ গ্রেপ্তার হওয়া নেতাদের মুক্তিসহ ১০ দফা দাবিতে বিএনপির গণমিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ শুরু হয়। এসময় পুলিশ বাধা দিলে বিএনপির নেতা কর্মীরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। পরে পুলিশ লাঠিচার্জ শুরু করে। এসময় বিএনপির নেতা কর্মীদের সাথে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। এক পর্যায়ে টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করে। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন বিএনপি পার্টি অফিসের দেয়াল টপকে পালানোর সময় পুলিশের লাঠির আঘাতে আহত হয় নিহত বিএনপি নেতা রশিদ আরেফিন।
পরে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান বাবু এবং পুলিশ সহ আহত হয়েছে অর্ধ-শতাধিকেরও বেশি। জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জহিরুল ইসলাম কাচ্চু জানান আমরা শান্তিপূর্ণ ভাবে মিছিল শুরু করি। কিন্তু পুলিশ মিছিলে বাধা দেয়। একসময় হঠাৎ করেই লাঠি পেটা শুরু করে। পরে তারা টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে। রাবার বুলেট মারতে থাকে। আমাদের নেতা কর্মীদেরকে অমানবিক ভাবে পেটাতে থাকে। এ ঘটনায় একজন মারা গেছে। এ ব্যাপারে পুলিশ সুপার এস এম সিরাজুল হুদা জানান, বিএনপির মিছিলে আইন শৃংখলা নিয়ন্ত্রণের জন্য পুলিশ অবস্থান নিয়েছিল।
এসময় বিএনপির নেতা কর্মীরা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। নিজেদেরর রক্ষার্থে পুলিশ টিয়ার গ্যাস ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে। লাঠিচার্জ করে। এ ঘটনায় কেউ মৃত্যু বরন করেননি । বিএনপির দাবি ঠিক নয়। যিনি মারা গেছেন তিনি তার অপেন হার্ট সার্জারী ছিল। তিনি হার্ট এ্যাটাকে মারা গেছে।