admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ২৩ ডিসেম্বর, ২০১৯ ১০:১৪ পূর্বাহ্ণ
ঠাকুরগাঁও জেলার সীমান্ত এলাকা গুলোতে বসেছে মেলা। মেলাগুলো ঘিরে চলছে অশ্লীল নৃত্য ও মাদকের রমরমা ব্যবসা। যুব সমাজ ধ্বংসের একটি উত্তম মাধ্যম। শীতের শুরুর সাথে সাথে এ অঞ্চলের প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী এলাকা গুলোতে মেলা বসে। এ সমস্ত মেলার অন্যতম আর্কশন যাত্রাপালা। এই যাত্রাপালার আসরে উঠতি বয়সী দর্শনার্থীরা মাদক সেবন করে প্রবেশ করছে। ঠাকুরগাওয়ের তিন উপজেলায় সীমান্ত ঘেষা হওয়ায় এ পথে সবচেয়ে বেশী আসছে ফেন্সিডিল। এ ছাড়াও মদ , গাজা, আসছে এই সব পথ দিয়ে। আর পার্শবর্তী জেলার বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে ঠাকুরগাঁও জেলা সীমান্ত সংলগ্ন উপজেলা ও গ্রামের এলাকা গুলোতে আস্তানা গড়ে তুলেছে মাদক ব্যবসায়ীরা।
এই সব আস্তানায় মাদক ব্যবসায়ী ফেন্সিডিলের ঘাটি গড়ে তুলেছে। জেলার বালিয়াডাঙ্গী , রানীশংকৈল ও হরিপুর উপজেলার সীমান্ত এলাকা মাদকদ্রব্য পাচারের রুট হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে। পাচার কাজে এখন নতুন নতুন কৌশল নেওয়া হচ্ছে। মাদক পাচারের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে বাসে কখনো মর্ট সাইকেল যোগে আবার কখনো অটোরিক্সায়। মাদকের মুল টাকার যোগান দেয় শহরের মাদক ব্যবসায়ীরা। প্রতিদিন বিপুল পরিমানে ফেন্সিডিল সহ মাদকদ্রব্য ঠাকুরগাঁও শহরে চলে আসে।

ঠাকুরগাঁও রোড স্টেশন বস্তি গুলোতে এলাকায়। আইন শৃংঙ্খলা বাহিনী পুলিশ ও বর্ডার গার্ডের হাতে ধরা পরলেও এ অধিকাংশই আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে বেরিয়ে যায়। আর মাদক গডফাদাররা ধরা ছোয়ার বাইরে থেকে যায় । রাস্তার পাশে যত্রতত্র পরে থাকতে দেখা যায় ফেন্সিডিলের বোতল।
স্থানগুলো হল কালীবাড়ী আইসক্রীম ফ্যাক্টরী, টিএনটির পিছনে, গোধুলী বাজার রিভার ভিউ হাই স্কুল ভবনের পিছনে ,জেলা স্কুলের পুর্বপার্শে, শ্মশ্বান ঘাট, লাশকাটা ঘড় এলাকায়,পাবলিক লাইব্রেরী চত্বর, রোড বাজার, ষ্টাফ কলনী, সুগারমীল কোলনীর পূর্বদিকে, কালো পাহাড় এলাকায়, বিদ্যুত কেন্দ্র,কালুক্ষেত্র । এ ছারাও গোবিন্দনগরের বিসিক শিল্প নগরী ,আদিবাসী পাড়া , কলেজ পাড়া, সি,এম, আইয়ুব বালিকা বিদ্যালয় সংলগ্ন বস্তি ও আদর্শ কলোনীতে গাজা, ফেন্সিডিল বিক্রয় হচ্ছে। ঠাকুরগাঁও সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মেহেদী হাসান জানান পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশ মাঝে মধ্যেই বিভিন্ন অভিযান পরিচালনা করেছে। মাদক সহ ধরা পরলেও তারা জামিনে বেরিয়ে আসছে।
মাদকের ভয়াল গ্রাস থেকে যুব সমাজকে রক্ষা করার জন্য জেলা বাসী মাদক নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর সহ সংশ্লিষ্ঠ আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো যথাযথ কার্যকরী ভুমিকা কামনা করছে।