হোম
অপরাধ

হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নির্মাণ কাজ করার সময় ২৫০ কেজি’র বোমা উদ্ধার।

admin || মুক্ত কলম সংবাদ

প্রকাশিত: ১২ ডিসেম্বর, ২০২০ ১০:৫৭ পূর্বাহ্ণ

হজরত শাহজালাল বিমানবন্দরে বিমানবন্দরে বোমা উদ্ধার -এম কে নিউজ

ফাইল ছবি

ঢাকা হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নির্মাণ কাজ করার সময় ২৫০ কেজি’র বোমা উদ্ধার। বাংলাদেশে রাজধানী ঢাকায় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একটি নির্মাণ কাজ করার সময় একটি পুরনো বোমা উদ্ধারের খবর বেশ সাড়া জাগিয়েছে। বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের নির্মাণ কাজ চালানোর সময় বুধবার মাটি খুড়ে বোমাটির সন্ধান পায় নির্মাণ শ্রমিকরা। পরে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী সেটি উদ্ধার করে নিষ্ক্রিয় করে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আইএসপিআর জানায়, ২৫০ কেজি ওজনের বোমাটি একটি জেনারেল পারপাস (জিপি) বোমার মতো। উদ্ধার করার পর ঘটনাস্থলে সেটি নিষ্ক্রিয় করার পর বিমান বাহিনীর বোমা নিষ্ক্রিয়কারী ইউনিট বোমাটিকে ময়মনসিংহের রসুলপুর বিমানঘাঁটিতে নিয়ে যায়। সেখানে বোমাটি ডিমোলিশ বা ধ্বংস করা হবে বলে আইএসপিআর থেকে জানানো হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় বোমাটি নিক্ষেপ করা হয়েছিল।

বিমানবন্দরে কেন?
মুক্তিযুদ্ধের সময় গড়ে ওঠা বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ৩রা ডিসেম্বরে প্রথমবারের মতো শত্রুপক্ষ পাকিস্তানী বাহিনীর ওপর বিমান হামলা চালিয়েছিল ঢাকা ও চট্টগ্রামে। তখনকার ওই হামলায় অংশ নিয়েছিলেন ক্যাপ্টেন সাহাবুদ্দিন আহমেদ – মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য যিনি বীর উত্তম খেতাব পান। ক্যাপ্টেন আহমেদ বলেন, যুদ্ধের সময় মূল বিমানবন্দরগুলোতে হামলা চালানোর কাজটি করেছিল ভারতীয় বিমান বাহিনী, কারণ বাংলাদেশের বিমান বাহিনীর তখনও মূল বিমানবন্দরে হামলা চালানোর মতো সক্ষমতা ছিল না। তিনি জানান, মূল বিমানবন্দরের বাইরে অপেক্ষাকৃত কম সুরক্ষিত ঘাটিগুলোতে হামলা করতো বাংলাদেশ বিমান বাহিনী। মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকার কাছে নারায়ণগঞ্জে শত্রুদের জ্বালানি সরবরাহের যে ডিপোগুলো ছিল সেখানে হামলা চালিয়েছিল বাংলাদেশের বাহিনী। চট্টগ্রামে বিমানবন্দরের কাছেও একটি ডিপো ছিল সেটিও উড়িয়ে দেয়।

এই হামলা চালানোর পরের দিন ভোরে ভারতীয় বিমান বাহিনী বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধান তিনটি বিমানবন্দর ঢাকা, চট্টগ্রাম, যশোরে বিমান হামলা চালায়। আর এ কারণেই ঢাকার বিমানবন্দর থেকে উদ্ধার হওয়া বোমাটি ভারতীয় বিমান বাহিনী থেকে ফেলা হয় বলে মনে করেন তিনি। ওই হামলা চালানোর সময় এর কোন একটিতে হয়তো উদ্ধার হওয়া বোমাটি ব্যবহার করা হয়েছিল,বলেন তিনি। ক্যাপ্টেন আহমেদ মনে করেন যে ঢাকায় উদ্ধার হওয়া বোমাটি বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ছিল না। আমাদের যে হেলিকপ্টার ছিল তার গতি ছিল ৮০ মাইল। যে অটার বিমানটি ছিল সেটার গতি ছিল সর্বোচ্চ ১১০ মাইল। এগুলো নিয়ে হামলা চালানো খুবই বিপদজনক ছিল।

ভারতীয়রা কী বলছে?
ভারতের সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল শঙ্কর রায় চৌধুরী বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতীয় সেনাবাহিনীতে একজন মেজর হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং তিনি ভারতীয় সেনা কর্মকর্তা হিসেবে মুক্তিযুদ্ধে অংশও নিয়েছিলেন। তিনি বলেন, যে কোন যুদ্ধের কৌশল হচ্ছে পদাতিক বাহিনী যেন এগিয়ে যেতে পারে, সেজন্য প্রথমেই টার্গেট করে শত্রুপক্ষের বিমান বাহিনী ও বাহিনীর ঘাটি ধ্বংস করা। আর মুক্তিযুদ্ধের সময়ও ঠিক এটাই করা হয়েছিল। মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে বাছাই করা যেসব হামলা চালানো হয়েছিল, তার মধ্যে তৎকালীন তেজগাঁ বিমানবন্দরে হামলা ছিল উল্লেখযোগ্য। আর যে বোমাটির কথা বলা হচ্ছে, সেটি ওই হামলা থেকেই এসে থাকবে বলে মনে করেন জেনারেল রায় চৌধুরী।

ভারত কী ধরণের বিমান ব্যবহার করেছিল?
ক্যাপ্টেন সাহাবুদ্দিন আহমেদ জানান, যুদ্ধের সময় ৩রা ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়ে বিমান হামলা চলেছিল ১২ই ডিসেম্বর পর্যন্ত। এর পর আর বিমান হামলার দরকার পড়েনি, কারণ পাকিস্তান বিমান বাহিনীর কোন শক্তি আর অবশিষ্ট ছিল না। এছাড়া ওই সময়ের মধ্যে মুক্তিবাহিনী এবং ভারতীয় বাহিনী ঢাকাকে চার দিক থেকে ঘিরে ফেলে, বলেন তিনি। জেনারেল শঙ্কর রায় চৌধুরী জানান, মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতীয় বাহিনী মূলত মিগ-২১ এবং ক্যানবেরা বিমান ব্যবহার করেছিল। যে বোমাটি উদ্ধার করা হয়েছে, সেটি সম্ভবত ক্যানবেরা বিমান থেকে ফেলা হয়েছিল, বলছিলেন তিনি।

ক্যাপ্টেন সাহাবুদ্দিন বলেন, ২০০ বা ২৫০ কেজি ওজনের বোমাগুলো মূলত কোন স্থাপনা ধ্বংসের কাজে বা কোন ঘাটি লক্ষ্য করে বড় ধরণের ধ্বংসযজ্ঞের জন্য নিক্ষেপ করা হয়ে থাকে। তিনি জানান, বিমান বন্দরের রানওয়েতে যদি এই বোমা ফেলা হয় তাহলে সেখানে বড় ধরণের গর্ত তৈরি হয়, ফলে রানওয়ে পুরোপুরি অকেজো হয়ে পড়ে। যার কারণে শত্রুপক্ষের বিমান ওঠা-নামা করতে পারে না। মূলত এটিই ছিল বিমান বন্দরে হামলার উদ্দেশ্য, বলেন তিনি।

বোমা বিস্ফোরিত হয় না কেন?
আকাশ থেকে ফেলা একটি বোমা বিস্ফোরিত হবে কি-না, তা মূলত কয়েকটি বিষয়ের উপর নির্ভর করে। বোমাটি বিস্ফোরিত হবে কি-না, বেশির ভাগ ক্ষেত্রে তা নির্ভর করে সেটি কোন সারফেস বা কোন জায়গায় গিয়ে পড়ছে, বিষয়টি ব্যাখ্যা করে ক্যাপ্টেন সাহাবুদ্দিন আহমেদ বলছিলেন। তিনি বলেন, বোমাটি যদি কংক্রিটের উপর পরে তাহলে সেটি সাথে সাথে বিস্ফোরিত হয়। আর যদি সেটি নরম মাটি বা কাদার মধ্যে পড়ে তাহলে সেটি বিস্ফোরিত হয় না। সেটি কাদা বা মাটিতে ঢুকে যায় এবং পরে অনেক দিন ধরে টিকে থাকতে পারে। মি. আহমেদ বলেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ফেলা হয়েছিল এমন অনেক বোমা এখনও পাওয়া যায়, যেগুলো অবিস্ফোরিত অবস্থায় রয়ে গেছে। এ বিষয়ে ভারতীয় সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল শঙ্কর রায় চৌধুরী বলেন, মূলত কাদামাটি বা জলাভূমিতে কোন বোমা পড়লে সেটি বিস্ফোরিত হয় না। এ ছাড়া বোমাটি ছোড়ার সময় যদি সঠিক পদ্ধতি মানা না হয় কিংবা এক্ষেত্রে কোন ধরণের ত্রুটি থেকে যায়, তাহলেও অনেক সময় বোমা বিস্ফোরিত হয় না বলে জানান তিনি। বোমার যে মেকানিজম, যেটা দিয়ে এটি ফাটে, সেটি হয়তো কাজ করেনি। কিছু কিছু ক্ষেত্রে এটা হয়। বোমা ফাটানোর যে সুইচ থাকে, সেটা অনেক সময় কাজ করে না। তবে এটা ইচ্ছাকৃত নয়।

আকাশপথে হামলা কতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল?
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি ডা. সারওয়ার আলী বলেন, মুক্তিযুদ্ধে প্রথম যে প্রতিরোধ বাহিনী গড়ে উঠেছিল, সেটি ছিল পদাতিক বাহিনী। এর পরে গড়ে ওঠে নৌবাহিনী এবং সবশেষে বিমান বাহিনী যুদ্ধে যোগ দেয়।তিনি বলেন, ৩রা ডিসেম্বর যৌথবাহিনী সীমান্ত পার হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে শুরু করলে তাদেরকে অগ্রসর হতে সাহায্য করার কৌশল হিসেবে বিমান হামলা শুরু হয়। এই হামলা প্রথম শুরু করা হয় পাকিস্তান বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষে যেসব বাঙালি পাইলট কর্মরত ছিলেন তাদের সমন্বয়ে। তবে ওই সময় বাংলাদেশের আসলে বিমান বাহিনী বলতে কিছু ছিলো না বলেও জানান তিনি। মি. আলী বলেন, পিআইএ থেকে আসা নয় জন বাঙালি পাইলটই মূলত বিমান হামলার সাথে যুক্ত ছিলেন। তারা যুদ্ধবিমান নয় বরং অটার নামের ছোট বিমান সংস্কার করে সেটিকে যুদ্ধ বিমান হিসেবে ব্যবহার করেন।

বিমান বাহিনীটির নেতৃত্বে ছিলেন স্কোয়াড্রন লিডার এ কে খন্দকার। ৩রা ডিসেম্বরের পরে ভারতও বিমান হামলায় অংশ নেয়। সারওয়ার আলী বলেন, যৌথবাহিনীর পদাতিক বাহিনীটি যাতে দ্রুত ঢাকার দিকে এগিয়ে আসতে পারে সেটি নিশ্চিত করতে বিমান হামলা হয়। প্রথম হামলা হয় চট্টগ্রাম ও নারায়ণগঞ্জে ওয়েল রিফাইনারিতে। পরে ভারতীয় বাহিনী পরিকল্পিতভাবে গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে হামলা চালায়। মি. আলী বলেন, যৌথবাহিনী যুদ্ধে অংশ নেয়ার পর একদিকে যেমন বাংলার মানুষের মনে স্বাধীনতা নিয়ে আশার সঞ্চার হয়, ঠিক তেমনি মনোবল ভেঙ্গে পড়তে থাকে পাকিস্তানি বাহিনীর। কারণ পদাতিক বাহিনীর অগ্রযাত্রার সাথে সাথে তখন আকাশ থেকে বোমা ফেলা হচ্ছিল। সারওয়ার আলী বলেন, পাকিস্তান বাহিনী এতোটাই ভীত হয়ে পড়ে যে, তারা রাতের বেলা শিবির থেকে বের হতে ভয় পেত।

মতামত জানান :

Sun Mon Tue Wed Thu Fri Sat
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31  

সর্বশেষ খবর

ঠাকুরগাঁওয়ে পুষ্টি নিরাপত্তায় সজিনা চাষের রোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন।
অর্থনীতি 21 hours আগে

দিনের আলোতেই ছাগল চুরি আদমদীঘিতে জনতার হাতে আটক ২ যুবক,সিএনজি
অপরাধ 2 days আগে

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে ভূমি সেবা সহায়তা কেন্দ্রের শুভ উদ্বোধন।
রংপুর 3 days আগে

দিনাজপুরে খাস জমিতে অবৈধ ভাবে ভবন নির্মানের প্রতিবাদ করায় বাদীর
আইন-বিচার 3 days আগে

ঠাকুরগাঁওয়ে উপজেলা পর্যায়ের গোল্ডকাপ ফুটবলের ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণ।
খেলাধুলা 3 days আগে

দিনাজপুরের বিরামপুরে দিবালোকে ৮ ভরি স্বর্ণ ছিনতাই ৪ জন আটক।
আইন-বিচার 3 days আগে

দিনাজপুরের বীরগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানে চারজন মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীকে আটক।
অপরাধ 3 days আগে

বগুড়ার আদমদীঘিতে পুকুরে মিলল ভাসমান মরদেহ।
দুর্ঘটনা 3 days আগে

দিনাজপুরে পারিবারিক আয় বৃদ্ধিতে শর্ত সাপেক্ষে নগদ অর্থ সহায়তা কর্মসূচি।
রংপুর 3 days আগে

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের একতা প্রতিবন্ধী স্কুল ও পুনর্বাসন কেন্দ্র পরিদর্শন
রংপুর 3 days আগে

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম :

কুড়িগ্রামে ঐতিহাসিক আসনে কঠিন চ্যালেঞ্জে জাপা,মাঠ গরম এনসিপি-বিএনপির। হাদীর ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনায় দিনাজপুর সীমান্ত ৪২ বিজিবির রেড অ্যালার্ট জারি। রোহিঙ্গা মেয়েরা পাচার ছাড়াও বিদেশীদের দ্বারা যৌন কাজে ব্যবহারের টার্গেট হয়ে উঠছে ঠাকুরগাঁওয়ে নানা কর্মসূচিতে হানাদার মুক্ত দিবস উদযাপিত। ঠাকুরগাঁও জেলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ৪র্থ জেলা রোভার মুট-২০২৫। কুড়িগ্রামের রাজারহাটে প্রাণিসম্পদ সপ্তাহের প্রদর্শনী ও সমাপনী অনুষ্ঠিত। পার্বতীপুরে জাতীয় প্রাণি সম্পদ ও ডেইরি প্রকল্পের উদ্বোধন। রাণীশংকৈলে জাতীয় প্রাণীসম্পদ সপ্তাহ ও প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত পলাতক শেখ হাসিনার অগ্রণী ব্যাংকের লকার ভেঙে ৮৩২ ভরি স্বর্ণ জব্দ রাজশাহীতে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১০ জন ৩ ডিসেম্বর রংপুরে বিভাগীয় মহাসমাবেশ সফল করতে দিনাজপুরে ৮ ইসলামী দলের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত। দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে সব বাহিনী প্রস্তুত: সিইসি পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ৬ হাজার কৃষক পাচ্ছে বিনামূল্যে গম বীজ ও সার। মাত্র চার মাসের শিশু সুমাইয়া বাঁচতে চায়! পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় হেফাজতে ইসলামের নতুন কমিটি গঠন। ভূমিকম্পে সম্ভাব্য ক্ষতি কমাতে এখনই শক্তিশালী ও সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে: সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান রাজধানীতে  আজ থেকে ঘরে বসেই মেট্রোরেলের কার্ড রিচার্জ করবেন? নীলফামারীতে পাটবীজ উৎপাদনকারী চাষীদের প্রশিক্ষণ। আর কোনো পরিস্থিতি নেই যে নির্বাচন ব্যাহত হবে-ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল  ৫-বছরেও শেষ হয়নি ওয়াশব্লকের নির্মাণ কাজ-জনস্বাস্থ্য অফিস বলছেন বাদ দেন চা খাওয়ার জন্য কিছু নেন। পার্বতীপুরে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকারের দাবীতে কর্মী সভা। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় নদী বাঁচাও আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নাগরিক সমাবেশ। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া ইউএনও এক গৃহহীন ভারসাম্যহীন নারীর পাশে দাঁড়ালো। ৮ দফা দাবিতে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর নার্সিং এসোসিয়েশন দিনাজপুর জেলা শাখার স্মারকলিপি ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে ইউনিয়ন সিএসওর লাইভস্টক সংলাপ সভা অনুষ্ঠিত বগুড়ায় প্রেম করে বিয়ে অতপর ভাড়া বাসায় স্ত্রীকে হত্যা করল স্বামী। দিনাজপুরে ৩ দিনব্যাপী উদ্যোক্তা মেলা ও পিঠা উৎসবের সমাপনী। দিনাজপুরের বিরলে শতাধিক নেতা-কর্মীর মামলা থেকে বাঁচতে ফ্যাসিস্ট আ,লীগ থেকে পদত্যাগ! অভিযোগ দিয়ে ও কাজ বন্ধ হচ্ছে না আদমদিঘীতে সরকারি জায়গা দখল করে করা হচ্ছে অবকাঠামো নির্মাণ! বগুড়ার কইপাড়ায় নববধূ শম্পা হত্যার অভিযোগ, যৌতুক দাবির জেরে স্বামী আটক