admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ১৮ আগস্ট, ২০২০ ১০:১০ অপরাহ্ণ
সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যাকাণ্ডর ঘটনা নতুন মোড় নিচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে যাচ্ছেন কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেনও। ফাঁস হওয়া এ সংক্রান্ত একটি ফোনালাপে বেরিয়ে এসেছে এমন প্রমাণ। সিনহা মো. রাশেদ খানকে গুলি করার পর এ এস আই লিয়াকত আলী ফোন করেন এবিএম মাসুদ হোসেনকে। এ সময় তিনি গুলিবর্ষণকারী লিয়াকতকে বলেন, তুমি বলবা সিনহা আগে গুলি করেছে।
ঘটনার পর পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেনকে ফোন করেন টেকনাফ থানার সদ্য সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাসও। তিনিও এ বিষয়ে কী করা যায়, তার পরামর্শ চান এবিএম মাসুদ হোসেনের কাছে। মোদ্দাকথা, গুলিবর্ষণকারী লিয়াকতকে বাঁচাতে মরিয়া হয়ে ওঠেন ওসি প্রদীপ ও পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ। ঘটনার পরদিনও সংবাদ সম্মেলন করে এবিএম মাসুদ বলেছেন, পুলিশ আত্মরক্ষার্থে গুলি করেছে!
ফোনালাপে লিয়াকত আলী পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেনকে বলেন, স্যার, প্রাইভেটকার করে একটা লোক যাচ্ছিল, আর্মির পোশাক পরা। আমি চার্জ করলে সে মেজর পরিচয় দিয়ে গাড়ি নিয়ে চলে যেতে চাইছিল। আমি গুলি করে দিয়েছি। এখন আমি কী করবো? এসময় অপর প্রান্ত থেকে এবিএম মাসুদ লিয়াকত আলীকে শিখিয়ে দিচ্ছেন, আচ্ছা ঠিক আছে। তোমারে গুলি করছে, তোমার গায়ে লাগে নাই। তুমি যে গুলি করছ সেডা তার গায়ে লাগছে।
মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান গুলি করা লিয়াকত আলীর পক্ষে প্রকাশ্যে সাফাই এবং এমন ফোনালাপের পরও কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন এখনো বহাল তবিয়তে আছেন। বিষয়টা নিয়ে ইতোমধ্যেই প্রশ্ন উঠেছে।