admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ১২ আগস্ট, ২০২০ ৯:৩৫ অপরাহ্ণ
১২ আগষ্ট ওসি প্রদীপের বিরুদ্ধে আরেকটি হত্যা মামলা দায়ের করেন হামিদা আক্তার নামের এক নারী। এবার কক্সবাজারের টেকনাফ থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশের বিরুদ্ধে আরো একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ বুধবার ১২ আগষ্ট জেলার মহেশখালী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ওসিসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন হামিদা আক্তার (৪০) নামের এক নারী। মহেশখালীর বহুল আলোচিত আবদুস সাত্তার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মামলাটি দায়ের করা হয়। হামিদা আক্তার নিহত আবদুস সাত্তারের স্ত্রী। লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে আজ আদালতে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। তবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত আদালতের বিচারক এ বিষয়ে কোনো আদেশ দেননি।
কক্সবাজারে সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বর্তমানে গ্রেপ্তারকৃত প্রদীপ কুমার দাশ এক সময় মহেশখালী থানার ওসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। হামিদা আক্তারের লিখিত অভিযোগে ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ছাড়াও আরো পাঁচ পুলিশ সদস্যকে আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
তারা হলেন- উপ-পরিদর্শক (এসআই) ইমাম হোসেন, এসআই হারুনুর রশীদ, সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) শাহেদুল ইসলাম, এএসআই মনিরুল ইসলাম ও এএসআই আজিম উদ্দিন। অভিযোগে প্রধান আসামি করা হয় ফেরদৌস (৫৬) নামের এক ব্যক্তিকে। তিনি হোয়ানক পূর্ব মাঝেরপাড়ার এলাকার মৃত নুরুল কবিরের ছেলে এবং স্থানীয় ফেরদৌস বাহিনীর প্রধান।
নিহত আবদুস সাত্তারের বাড়িও ওই একই এলাকায়। তিনি মৃত নুরুচ্ছফার ছেলে।
অভিযোগকারী হামিদা আক্তার জানান, ২০১৭ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি সকাল ৭টার দিকে হোয়ানক লম্বাশিয়া এলাকায় তার স্বামী আবদুস সাত্তারকে হত্যা করে ফেরদৌস বাহিনীর সদস্যরা। এ ঘটনায় তখন মহেশখালী থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ অভিযোগ গ্রহণ করেনি। পরে স্বামী হত্যার বিচার চেয়ে উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হন হামিদা আক্তার। পরে শুনানি শেষে ওই বছর ৭ জুন আদলতের বিচারক রিট পিটিশন নং-৭৭৯৩/১৭ মূলে ট্রিট ফর এফআইআর হিসেবে গণ্য করার আদেশ দেন। তিনি আরো বলেন, পরে আদালতের আদেশের প্রেক্ষিতে একই বছরের ১৭ জুলাই কক্সবাজার পুলিশ সুপারের কাছে এজাহার দাখিলের জন্য লিখিত আবেদন করেন তিনি। কিন্তু পুলিশ তা আমলে নেয়নি।