admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ৯ জুলাই, ২০২০ ১১:৪০ অপরাহ্ণ
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁও পৌরসভার পুলিশ লাইন হতে মাদ্রাসাপাড়া মহল্লা পর্যন্ত ১.০৩০ কিঃ মিঃ রাস্তার নির্মান কাজে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ উঠেছে নিম্ম- মানের নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে যেনতেন ভাবে এ কাজ করা হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, যথাযথ ভাবে পানির ব্যবহার না করে রোলার ছাড়াই কমপেশন করা হয়, রাস্তা নির্মান কাজে নিম্নমানের বালুর সঙ্গে মাটির ব্যবহার,। ব্যবহার করা হচ্ছে নিম্ম- মানের ইট, বালু ও খোয়া।এ ছাড়া অর্ধেক বালি অর্ধেক খোয়া ব্যবহারের কথা থাকলেও তা ব্যবহার করা হয়নি। মালামাল সামগ্রী টেষ্ট করে ব্যবহার করার কথা থাকলেও তারা তাদের নিম্মমানেরমালামাল দিয়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানায় এলাকাবাসি। পুলিশ লাইন হতে মাদ্রাসাপাড়া মহল্লা পর্যন্ত এমন নিম্মমানের কাজের চিত্র এখন সড়ক জুড়েই।
মুসলিম নগর এলাকার হামিদুর রহমান, ফারহানা বেগম ও আব্দুল মালেক অভিযোগ করে বলেন, রাস্তার ইমপ্রুভ সাব গ্রেড লেয়ার কমপেশন না করেই সাব-বেসের কাজ করা হয়েছে। এই বর্ষায় এই নুতুন রাস্তা টিকবে না, ভারী যানবাহন চললে রাস্তাটি দেবে যাবে বলে মনে করেন স্থানিয়রা। মাদ্রাসাপাড়া মহল্লার আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন এত নিম্নমানের কাজ এর আগে কখনো দেখেনি।সড়কের যে কাজ হচ্ছে তা অত্যন্ত নিম্মমানের। একই কথা বলেন মাদ্রাসাপাড়া মহল্লার বাসিন্দা শামসুউদ্দিন উদ্দীীন। তাদের দাবী যে ভাবে কাজ হচ্ছে তা বেশিদিন টিকসই হবে না। সরকারের টাকা পুরোপুরি গচ্ছা যাবে। ঠিকাদারের লোকজনকে নিয়ম মেনে কাজ করার অনুরোধ করা হলেও তারা আমাদের পাত্তায় দেয় না। বরং প্রতিবাদ করায় তাদের কে ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে।
নগর অবকাঠামো ও উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় চলতি বছর এপ্রিলে ১ কোটি ৫ লাখ টাকা ব্যয়ে পৌরশহরের এই রাস্তার নির্মানের কাজ শুরু হয়েছে। মেসার্স জুয়েল ইলেট্রনিক্স নামে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটি এ কাজ করছে । এ বিষয়ে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের প্রোপাইটর আয়নাল হক বলেন সাধারণ মানুষ তো টেকনিক্যাল বিষয় গুলো বুঝে না। দরপত্র অনুযায়ী কাজ করা হচ্ছে। কাজের মান সর্ম্পকে জানতে চাইলে তিনি বলেন তিনটি পয়েন্টে সমস্যা ছিল। তা ঠিক করে দেয়া হয়েছে।
ঠাকুরগাঁও পৌরসভার প্রকৌশল বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী বেলাল হোসন বলেন দিনাজপুর এলজিইডি থেকে এসে এই কাজের থিস্কনেস টেষ্ট করা হয়। সেই থিস্কনেস টেষ্টে বেশ কিছু অনিয়ম ধরা পড়ে। বিষয়টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে জানানো হয়। সে অনুযায়ী তারা কাজ করছে। এ ব্যাপারে ঠাকুরগাঁও পৌরসভার মেয়র ফয়সাল আমীন বলেন, আমাদের প্রকৌশলীরা রাস্তার নির্মাণ কাজের নিয়মিত তদারকি করছেন। সিডিউল মোতাবেক কাজ করা না হলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে বিল প্রদান করা হবে না।