হোম
জাতীয়

লাশের স্তুপ, নির্বিচারে গুলি, হত্যায় অভিযুক্ত পুলিশের কী হবে?

admin || মুক্ত কলম সংবাদ

প্রকাশিত: ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ১১:৩৫ পূর্বাহ্ণ

ফাইল ছবি

মুক্ত কলম নিউজ ডেক্সঃ পাঁচই আগস্ট বাংলাদেশে সরকার পতনের দিনে ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানার সামনে পুলিশের গুলি থেকে প্রাণে বাঁচতে হামাগুড়ি দিয়ে পালিয়েছিলেন কলেজ ছাত্র সুফি আহম্মেদ। গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী ক্ষতিগ্রস্ত সেই থানা বন্ধুদের সঙ্গে দলবেধে পাহারা দিচ্ছেন ওই ছাত্র। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল একটি ভিডিও দেখিয়ে সুফী নিজেকে চিহ্নিত করে বলেন সাদা টিশার্ট কালো প্যান্ট পরা যে তরুণ হামাগুড়ি দিচ্ছে সেটি তিনি। পায়ে ছররা গুলি লেগেছিল তার।

ওখানে পুলিশ একাধারে গুলি করছিল। খুবই ভয়াবহ একটা অবস্থা ছিল। মারা যাওয়ার অবস্থায় ছিলাম। অনেকে ভাবছে যে আমি মারা গেছি। আমার পাশেই একজন মারা যায়। যাত্রাবাড়ী থানায় এখনো কোনো পুলিশ নেই। পাঁচই আগস্ট বিকেলে যাত্রাবাড়ী থানা জ্বালিয়ে দেয় ক্ষুব্ধ ছাত্র জনতা। ওইদিন অন্তত ছয়জন পুলিশ সদস্য নিহত হন। ছাত্র আন্দোলন সহিংস হবার পর ঢাকার যাত্রাবাড়ীতেই সবচে বেশি আন্দোলনকারী এবং পুলিশ মারা যাবার তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।

সুফী আহম্মেদ দাবি করেন পুলিশ না থাকায় এলাকার চাদাবাজি, ছিনতাই বন্ধে তারা কাজ করছেন। স্থানীয় ছাত্র-তরুণরা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে থানা-কেন্দ্রিক বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করছেন।
পুলিশ আমাদের সাথে কার্যক্রম চালাতে চাচ্ছে। আমরা ছোটভাই এবং সিনিয়র মিলে ৩০-৩৫ জনের মতো আছি একটা টিম গঠন করে। আমরা মূলত পুলিশের কার্যক্রম চালাচ্ছি। ছাত্র আন্দোলন যাত্রাবাড়ীর এই সুফীর গল্পটি বাংলাদেশে অভ্যুত্থান পূর্ব ও পরবর্তী পুলিশের বিপরীতমুখী দুটি অবস্থার চিত্র সামনে আনছে।

ছাত্র আন্দোলনে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর নির্বিচারে গুলিতে সাড়ে ছয়শর বেশি নিরস্ত্র মানুষের মৃত্যু হয়েছে। সরকার থেকে এখনো পূর্ণাঙ্গ সংখ্যা দেয়া হয়নি। অন্যদিকে বিগত সরকার পতনের পর বাংলাদেশে সাড়ে চারশর মতো থানা পুলিশ ফাড়ি হামলা ও অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর করা হয়েছে। সরকারি হিসেবে ৪৪জন পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন। এখনো পুলিশ কাজে ফিরলেও মানসিকভাবে মারাত্মক হীনমন্য অবস্থা এবং এক ধরনের ভীতির মধ্যে দিয়ে কাজ করছে।

সমালোচনা রয়েছে বাংলাদেশে অতীতে সব রাজনৈতিক দল পুলিশকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করেছে। বিগত দেড় দশকে আওয়ামী লীগ আমলে পুলিশ নিয়ে সাধারণ মানুষের অভিযোগ ছিল সর্বাধিক। ভবিষ্যতে পুলিশকে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের লাঠিয়াল বাহিনীর মতো কেউ যেন ব্যবহার করতে না পারে সেজন্য পুলিশ সংস্কারের জোরালো দাবি উঠেছে। ছাত্র নেতাদের অভিজ্ঞতাঃ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বয়ক আরিফ সোহেল আন্দোলনের শেষ পর্যায়ে গ্রেপ্তার ও রিমান্ডের মুখে পড়েন। তিনি বলেন, স্থানীয় জনগণকে নিয়ে যাতে পুলিশিং করতে পারে এটা নিশ্চিত করতে হবে। তার ভাষায়, বৃটিশ ঔপনিবেশিক কাঠামো থাকে বেরিয়ে এসে নতুন একটা কাঠামো দরকার যেটা আসলে জনগণকে সেবার জন্য তৈরি করা হবে।

আমরা মনে করি পুলিশ কাঠামো একেবারে গোড়া থেকে উপড়ে নতুন করে তৈরি করতে হবে। পুলিশ কোড থেকে শুরু করে তার ফাংশন করার যে পদ্ধতি তার সেন্ট্রালাইজ যে স্ট্রাকচার সবকিছু ভেঙে ফেলে স্থানীয়ভাবে পুলিশকে ক্ষমতায়ন করতে হবে। দ্বিতীয় যে জায়গাটা আমরা জোর দিতে চাই সেটা হলো পুলিশের আচরণ। যারা পুলিশের কাছে আটক হবে তাদের সঙ্গে আচরণ, মানবাধিকার এগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

ছাত্র আন্দোলন চলাকালে আরিফ সোহেলকে আটাশে জুলাই গ্রেপ্তার হন। এরপর ৪৮ ঘণ্টার মতো তার কোনো খবর পায়নি পরিবার। আটক ও রিমান্ডের অভিজ্ঞতা থেকে আরিফ মনে করেন জেল হাজতগুলো আসামী বা যাদেরকে গ্রেপ্তার করা হবে তাদের জন্য সহনশীল ও মানবিক হতে হবে। সেখানে যাতে খাবার দাবার, বস্ত্র এবং ঘুমানোর জায়গা সবকিছু মানুষ যেভাবে থাকে সেইরকম হয় পশুপাখি রাখার মতো, যেটা বর্তমানে আমি দেখে এসেছি এরকমটা যাতে না থাকে এটা নিশ্চিত করতে হবে। ছাত্র আন্দোলনের সময়কার পুলিশের আচরণের সমালোচনা করে আরিফ বলেন,

সেই জায়গাতে আমার যে অভিজ্ঞতা আমি যা যা দেখেছি। যেভাবে ইচ্ছা সেভাবে মানুষকে অত্যাচার করা হচ্ছে, টর্চার করা হচ্ছে। সেখানে জিজ্ঞাসাবাদের নামে মানুষকে হয়রানি করা হচ্ছে। এই যে ব্যাপারগুলো মানবাধিকার লঙ্ঘন করে যে পুলিশিং সিস্টেম এটা অবশ্যই সংস্কার করতে হবে। আমরা মনে করছি কলোনিয়াল স্ট্রাকচারটা ভেঙে ফেলে আমাদেরকে সম্পূর্ণ নতুন করে নতুন পুলিশ কোড এবং নতুন পুলিশিং ব্যবস্থা স্থাপন করতে হবে। এটা আমাদের আশা এবং আকাঙ্খা”।

পুলিশের কার্যক্রমে স্বচ্ছতার দাবিঃ ছাত্র আন্দোলনে সমন্বয়কদের অনেকে গণতান্ত্রিক ছাত্রশক্তি নামে একটি ২০২৩ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি সংগঠনের সদস্য। ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক আখতার হোসেন ১৭ই জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আটক হন। এর আগেও দুইবার তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আখতার বলছিলেন পুলিশের আচরণ থেকে মামলা, গ্রেপ্তার, রিমান্ড পদ্ধতি সবখানে সংস্কার প্রয়োজন। পুলিশ রিমান্ডের নামে যেভাবে অত্যাচার করে সেটা অত্যন্ত অমানবিক। আমাকে এমনভাবে টর্চার করা হয়েছিল যে আমি দুই-তিন সপ্তাহ হাটু ফেলে নামাজ পড়তে পারিনি। এই টর্চারগুলো থেকে পুলিশকে বেরিয়ে আসতে হবে।

নিজ অভিজ্ঞতা থেকে আখতার বলেন, দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো গ্রেপ্তার করার পরে পুলিশ কোনোভাবেই আর পরিবারকে জানাতে দেয় না। ২০২১ সালে আমি যখন ডিবির গারদে সেখানে কয়েকজন ব্যক্তিকে দেখেছি মামলা ছাড়াই তাদের চার-পাঁচদিন ধরে সেই গারদে আটকে আছেন, এবং সেটা তাদের পরিবারও জানেন না। এই জিনিসটা কিন্তু আমাদের পরিবারগুলোকে চূড়ান্ত হয়রানি এবং অসহায়ত্বের ভিতর দিয়ে নিয়ে যায়। গোপনীয় যে সেলগুলো আছে সেগুলো প্রকাশ্যে নিয়ে আসা দরকার। কোনো গোপন কার্যক্রম চলবে না। পুলিশ বাহিনী স্বচ্ছতার মাধ্যমে চলবে। এবং কোনো আন্ডার মিশন থাকবে না। যা কার্যক্রম সবকিছু পরিস্কার হবে, স্বচ্ছ হবে, ডকুমেন্টেড থাকতে হবে। ছাত্রশক্তির নেতা আখতার হোসেন বলেন, গত ষোল বছর ধরে পুলিশ এমনভাবে একদলীয়করণ হয়ে গেছে যে এটা আর আলাদা করে কোনো রাষ্ট্রীয় বাহিনী হিসেবে এক্সিস্ট করে না। মানুষের কাছে পুলিশের মেসেজটা ছিল এমন যে পুলিশ লীগ। আমরা দেখেছি সবশেষ ছাত্র আন্দোলনে পুলিশ কী নগ্নভাবে নৃশংসভাবে ছাত্র জনতার ওপর নিপীড়ন করেছে। শুধু গুলি করা না, মানুষ মারা গেছে সেই মরদেহের সঙ্গে যে আচরণ সেটাও কোনো মানবিক কোনো ট্রিটমেন্ট ছিল না। এই বিষয়গুলো পুলিশকে জনসাধারণের কাছ থেকে দারুণভাবে পৃথক করে ফেলেছে। এমতাবস্থায় পুলিশ বাহিনীতে একেবারে উপর থেকে নিচ পর্যন্ত রিশাফলিং দরকার।

আলোচনায় পুলিশ কমিশনঃ পুলিশ সংস্কারের অংশ হিসেবে একটি স্বাধীন পুলিশ কমিশন গঠনের কথা বলা হচ্ছে। জনবান্ধব রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত পুলিশ বাহিনী গঠনের লক্ষ্যে ২০০৭ সালে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে একটি পুলিশ সংস্কারের প্রস্তাব নিয়ে অনেক কাজ হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীকালে আওয়ামী লীগ সরকার সেটি বাস্তবায়ন করেনি। বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব নেয়ার পরেও পুলিশ কমিশন গঠনের বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। তবে পুলিশ সংস্কার এবং পুলিশ সার্ভিস নিয়ে দীর্ঘদিন গবেষণায় যুক্ত অধ্যাপক ওমর ফারুক বলেন, শুধু পুলিশ কমিশন করলে সবকিছু সমাধান হবে না।

পলিটিসাইজেশন থেকে যদি আপনি বিযুক্ত করতে না পারেন তাহলে কমিশন কাজ করবে না। আমাদের দেশে কিন্তু নির্বাচন কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশন মানবাধিকার কমিশন আছে এদের ভূমিকাটা কী? মৌলিক পরিবর্তন যদি আপনি না করেন শুধু সংস্কার দিয়ে দুইটা একটা আইন বা এমেন্ডমেন্ট করে সংস্কার করলে পরিপূর্ণতা পাবে না। বলেন মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযু্ক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধ ও পুলিশ বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ওমর ফারুক। বাংলাদেশে ডেমোক্রেটিক পুলিশিংটা যদি হয় তাহলে এটা জনগণের প্রকৃত প্রত্যাশা আছে সেটি যথাযথ পূরণ হবে। এবং ডেমোক্রেটিক পুলিশের যে মৌলিক নীতিগুলো আছে মানুষের ডিগনিটি, রেসপেক্ট তারপরে লিগ্যাল একসেসগুলি, তার কোড অব কনডাক্ট কী হবে, পুলিশের অ্যাকশন কী হবে এবং প্রত্যেক মামলার আউটকাম ভিকটিমকে জানানো জনগণকে জানানো সেই জায়গাগুলি কিন্তু করতে হবে।

অন্তবর্তী সরকারের উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান পয়লা সেপ্টেম্বর সাংবাদিকদের পুলিশ সংস্কার নিয়ে বলেন, জাতিসংঘের সুপারিশসহ সবার মতামতের ভিত্তিতেই পুলিশ সংস্কার হবে। পুলিশ হয় এই দলকে দিয়ে ব্যবহৃত হয়েছে নয় ওই দলকে দিয়ে ব্যবহৃত হয়েছে। বাংলাদেশ পুলিশ আর তাদেরকে হয়ে ওঠা হয়নি। পুলিশের মধ্যেও কিন্তু পরিবর্তনের বিশাল একটা তাড়া আছে। যদিও পুলিশ সংস্কার বিষয়ে মূল কাজ করবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তবে বর্তমানে ওই মন্ত্রণালয় কীভাবে এগুচ্ছে এবং কী করছে সে বিষয়ে সচিবালয়ে গিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কাছে জানতে চাইলেও তিনি সাক্ষাৎকার দিতে রাজী হননি।

ফেসবুক মন্তব্য

মতামত জানান :

সর্বশেষ খবর

বগুড়ায় সার চোরাকারবারির অভিযোগ,কৃষি কর্মকর্তার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন।
অপরাধ 3 hours আগে

দিনাজপুর পার্বতীপুরে মা ও মেয়ের হত্যার ন্যায় বিচারের দাবীতে সংবাদ
আইন-বিচার 10 hours আগে

নাগরিক ভাবনা : স্বপ্নভঙ্গের দীর্ঘ রাত,উড়ার কথা ছিল কিন্তু হলো
নাগরিক ভাবনা 10 hours আগে

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে ট্রাক চাঁপায় মাদ্রাসা ছাত্র নিহত।
দুর্ঘটনা 10 hours আগে

সুনামগঞ্জে রানু মাসুকের নেতৃতে চলে নদীর পাড় কাটা বিলীনের পাথে
অপরাধ 10 hours আগে

সান্তাহারে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী রেজাউন নবী গাঁজাসহ গ্রেপ্তার।
অপরাধ 10 hours আগে

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে বাড়ির পাশের পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু।
দুর্ঘটনা 13 hours আগে

ঠাকুরগাঁও রানীশংকৈলে স্বর্ণের মূর্তি দেখিয়ে প্রতারণায় আটক।
রংপুর 15 hours আগে

দিনাজপুরের পার্বতীপুরে পিতার আঘাতে পুত্র নিহত।
অপরাধ 1 day আগে

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে-১০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ আটক-১।
অপরাধ 1 day আগে

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম :

কুড়িগ্রামে ঐতিহাসিক আসনে কঠিন চ্যালেঞ্জে জাপা,মাঠ গরম এনসিপি-বিএনপির। হাদীর ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনায় দিনাজপুর সীমান্ত ৪২ বিজিবির রেড অ্যালার্ট জারি। রোহিঙ্গা মেয়েরা পাচার ছাড়াও বিদেশীদের দ্বারা যৌন কাজে ব্যবহারের টার্গেট হয়ে উঠছে ঠাকুরগাঁওয়ে নানা কর্মসূচিতে হানাদার মুক্ত দিবস উদযাপিত। ঠাকুরগাঁও জেলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ৪র্থ জেলা রোভার মুট-২০২৫। কুড়িগ্রামের রাজারহাটে প্রাণিসম্পদ সপ্তাহের প্রদর্শনী ও সমাপনী অনুষ্ঠিত। পার্বতীপুরে জাতীয় প্রাণি সম্পদ ও ডেইরি প্রকল্পের উদ্বোধন। রাণীশংকৈলে জাতীয় প্রাণীসম্পদ সপ্তাহ ও প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত পলাতক শেখ হাসিনার অগ্রণী ব্যাংকের লকার ভেঙে ৮৩২ ভরি স্বর্ণ জব্দ রাজশাহীতে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১০ জন ৩ ডিসেম্বর রংপুরে বিভাগীয় মহাসমাবেশ সফল করতে দিনাজপুরে ৮ ইসলামী দলের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত। দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে সব বাহিনী প্রস্তুত: সিইসি পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ৬ হাজার কৃষক পাচ্ছে বিনামূল্যে গম বীজ ও সার। মাত্র চার মাসের শিশু সুমাইয়া বাঁচতে চায়! পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় হেফাজতে ইসলামের নতুন কমিটি গঠন। ভূমিকম্পে সম্ভাব্য ক্ষতি কমাতে এখনই শক্তিশালী ও সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে: সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান রাজধানীতে  আজ থেকে ঘরে বসেই মেট্রোরেলের কার্ড রিচার্জ করবেন? নীলফামারীতে পাটবীজ উৎপাদনকারী চাষীদের প্রশিক্ষণ। আর কোনো পরিস্থিতি নেই যে নির্বাচন ব্যাহত হবে-ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল  ৫-বছরেও শেষ হয়নি ওয়াশব্লকের নির্মাণ কাজ-জনস্বাস্থ্য অফিস বলছেন বাদ দেন চা খাওয়ার জন্য কিছু নেন। পার্বতীপুরে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকারের দাবীতে কর্মী সভা। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় নদী বাঁচাও আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নাগরিক সমাবেশ। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া ইউএনও এক গৃহহীন ভারসাম্যহীন নারীর পাশে দাঁড়ালো। ৮ দফা দাবিতে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর নার্সিং এসোসিয়েশন দিনাজপুর জেলা শাখার স্মারকলিপি ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে ইউনিয়ন সিএসওর লাইভস্টক সংলাপ সভা অনুষ্ঠিত বগুড়ায় প্রেম করে বিয়ে অতপর ভাড়া বাসায় স্ত্রীকে হত্যা করল স্বামী। দিনাজপুরে ৩ দিনব্যাপী উদ্যোক্তা মেলা ও পিঠা উৎসবের সমাপনী। দিনাজপুরের বিরলে শতাধিক নেতা-কর্মীর মামলা থেকে বাঁচতে ফ্যাসিস্ট আ,লীগ থেকে পদত্যাগ! অভিযোগ দিয়ে ও কাজ বন্ধ হচ্ছে না আদমদিঘীতে সরকারি জায়গা দখল করে করা হচ্ছে অবকাঠামো নির্মাণ! বগুড়ার কইপাড়ায় নববধূ শম্পা হত্যার অভিযোগ, যৌতুক দাবির জেরে স্বামী আটক