admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ২৬ এপ্রিল, ২০২০ ১০:২৬ অপরাহ্ণ
ফিরোজ সুলতান,ঠাকুরগাঁও : রাণীশংকৈল পৌর মেয়র আলমগীর সরকারের বিরুদ্ধে পৌর শহরের দোকান ও প্রতিষ্ঠান কর্মচারী শ্রমিক ইউনিয়নের দুই নেতাকে মারপিট করার অভিযোগকে মিথ্যা ও অপপ্রচার দাবী করে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা তথ্য দিয়ে প্রচার করার প্রতিবাদে প্রেস বিফ্রিং করেছে পৌরসভা দোকান মালিক সমিতি।২৬ এপ্রিল রোববার দুপুরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে প্রেস বিফ্রিং এ পৌর শহরের দোকান মালিক সমিতির সভাপতি উজ্বল বসাক সহ দোকান মালিকরা উপস্থিত ছিলেন।এ সময় পৌর সভা দোকান মালিক সমিতির পক্ষে লিখিত প্রেস বিফ্রিং পড়ে শোনান দোকান মালিক সমিতির সহ-সভাপতি শাহালম।
তিনি বলেন, আমরা সিমিত সংখ্যাক দোকান মালিকগণ অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় নিয়ে প্রেস বিফ্রিং করছি। প্রিয় সাংবাদিক ভাইয়েরা বিশ্বব্যাপী চলছে মহামারি করোনার ভয়াল থাবা, আমরাও তার বাহিরে নই। তাই করোনাকালীন সময় সরকারের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পেক্ষাপটে চলছে লকডাউন। আর লকডাউনের কবলে আজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সর্ম্পূণ রুপে বন্ধ রয়েছে। বিধায় আমরা সম্মিলিতভাবে দোকান কর্মচারীগণকে আর্থিক সগযোগিতা হিসাবে এক হাজার টাকা নির্শত অনুদান প্রদান করা হয়। এবং করোনাকাল বেড়ে যাওয়ায় বিকল্প আয়ের উৎস বিহীন কর্মচারীদেরকে আমরা আরও বর্ধিত সহযোগিতা অব্যহত রেখেছি। তারপরে তথাকথিত কর্মচারী সমিতির সভাপতি সম্পাদক ও কিছু সংখ্যাক উৎশৃখল কর্মচারী মিলে আরো সহযোগিতা দিতে হবে দাবী করে গত ২২ এপ্রিল হঠাৎ করেই পৌর শহরের মুল সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রর্দশন করে। এ বিক্ষোভ থেকে মালিকদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। এবং একজন দোকান মালিককে মারার জন্য উদ্দোত হয়।তারা আক্ষেপ করে বলেন,যে মহাজনের অর্থে তাদের জীবিকা চলে তাদেরই তারা অকারণে অপমান করে।
দোকান মালিক সমিতি দাবী করেন এই কর্মচারী সমিতি আসলে সম্পূর্ণ অবৈধ ও একটি সার্থান্নেসি কুচক্রি গুটি কয়েক উৎশৃখল কর্মচারীর সমিতি। এই সমিতির সভাপতি সম্পাদক সাংগঠনিক সম্পাদক সভ্যতা বর্জিত তারা শ্রম আইন পরিপন্থি কাজ করেন। তারা আরো জানান এই কর্মচারীরা দৈনিক হাজিরা ভিত্তিতে শ্রম দিতো।এদিকে কর্মচারীদের আরো দাবী দাবা নিয়ে উপজেলা প্রশাসন ও মেয়রের নির্দেশে দোকান মালিকদের আরো সহযোগিতার হাত বাড়ানোর আহবানে সাড়া দিয়ে আমরা মালিকরা আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি।ইতিমধ্যে তারা আন্দোলনের নামে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে। এমন অবস্থায় ২৪ এপ্রিল পৌর মেয়র আলমগীর সরকার এ বিষয়ে কর্মচারীসহ তাদের নেতাদের তার বাড়ীতে ডেকে সমাঝোতা করতে চাইলে তারা মেয়রকে উপেক্ষা করে মেয়রকেই উল্টো গালিগালাজ করে অপমানের চেষ্টা চালালে কর্মচারীদের মধ্যেই পক্ষ বিপক্ষ সৃষ্টি হয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়।
এসময় অন্যান্য কর্মচারীদের মধ্যে হওয়া হট্রগোল এর দায় চাপিয়ে মেয়র সহ চারজনের বিরুদ্ধে অসৎ উদ্যোশে কর্মচারী নেতা প্রদীপ বাদী হয়ে থানাসহ বিভিন্ন দপ্তরে প্রদীপ ও সাগর নামে দুজন কর্মচারীকে মারপিটের লিখিত অভিযোগ করে মেয়রকে প্রশাসনের কাছে অপরাধী বানানোর পায়তারা করছেন বলে দাবী করেন দোকান মালিকরা। শ্রমিক নেতা প্রদীপসহ অজ্ঞাত কয়েকজন মিলে মেয়রসহ মালিকদের বিরুদ্বে যে অপপ্রচার চালিয়ে আসছে তার তীব্র ও নিন্দা প্রতিবাদ জানিয়েছে দোকান মালিক সমিতি।
কর্মচারী শ্রমিক নেতা প্রদীপ বলেন,দোকান মালিকগণ আমাদের এক হাজার টাকা সহযোগিতা করে আর কোন সহযোগিতা করেনি। অপরদিকে মেয়র আমাদের ডেকে আমাকেসহ দুজনকে মারপিট করেছে।পৌর মেয়র আলমগীর সরকার মুঠোফোনে বলেন, বিষয়টি আসলে কিছ্ইু না। আমি কোন কর্মচারীকে মারপিট করিনি। তাছাড়াও তাদের দাবী দাবা নিয়ে আমি মালিকদের সাথে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি। এবং তাদের মাঝে ইতিমধ্যে ত্রান বিতরণ করা হয়েছে। ওএমএসের চাউলের তালিকায়ও তাদের নাম সংযুক্তর জন্য তালিকা প্রণয়নের কাজ চলছে।