admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ১৪ জুলাই, ২০২০ ৬:৩৪ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশে মেয়াদোত্তীর্ণ লাইসেন্সে চলছে ১১ হাজার হাসপাতাল! হালনাগাদ লাইসেন্স না থাকার পরও কেন রিজেন্ট হাসপাতালকে করোনা চিকিৎসার অনুমতি দেওয়া হল তা নিয়ে চলছে বিস্তর সমালোচনা। অথচ অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে, দেশের চার ভাগের তিন ভাগ হাসপাতালই চলছে মেয়াদোত্তীর্ণ লাইসেন্সের মাধ্যমে। এই সংখ্যা প্রায় ১১ হাজার। অবাক করা এই তথ্য উঠে এসেছে খোদ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নথি থেকেই। তবে এ নিয়ে অধিদপ্তর কর্তৃপক্ষের মধ্যে তেমন কোনো বিকার নেই।
অধিদপ্তরের হিসেব মতে, সারা দেশে প্রায় ১৫ হাজার হাসপাতাল চিকিৎসা দিচ্ছে। এর মধ্যে ২০১৯-২০ পর্যন্ত লাইসেন্স নবায়ন করা আছে মাত্র ৪ হাজার ১৫৯টির। বাকি সব হাসপাতাল চলছে মেয়াদোত্তীর্ণ লাইসেন্সে। তবে অধিদপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, লাইসেন্স নবায়ন করার ৩ হাজার আবেদন তাদের কাছে জমা আছে। শিগগিরই যাচাই-বাছাই শেষে হাসপাতালগুলোর কাছে হালনাগাদ কাগজপত্র সরবরাহ করা হবে।
অবাক করা বিষয় হল, লাইসেন্স নবায়ন না করে দেশের নামকরা বেশ কয়েকটি হাসপাতাল দিব্যি চলছে। এর মধ্যে আছে বারডেম, হলি ফ্যামিলি, শাহাবুদ্দিন মেডিকেল, আনোয়ার খান মর্ডানের মতো হাসপাতাল। তবে এ নিয়ে তারা কেউই গণমাধ্যমে কোনো কথা বলতে রাজি নন। তাদের কারো প্রতিক্রিয়া শুনে মনে হয়েছে, বছরের পর বছর এভাবেই চলে আসছে দেশের হাসপাতালগুলো। রিজেন্টের প্রতারণার প্রেক্ষিতে বিষয়টি উঠে না আসলে হয়তো এ নিয়ে কেউ কর্ণপাতই করতো না।
এ নিয়ে বেসরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সংগঠন বিপিএমসিএ-এর সভাপতি ডা. মুবিন খান বলেন, বেসরকারি মেডিকেল কলেজ যেভাবে বেড়েছে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের লোকবল সেভাবে বাড়েনি। তাতে করে হাজার হাজার হাসপাতালের লাইসেন্স নবায়ন করার ইস্যুটি তার ঠিকমতো হ্যান্ডেল করতে পারছে না। অনেকেই হয়তো আবেদন করেছে, কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে ঝুলে থাকছে সেই আবেদন। তবে আমি মনে করি, দুপক্ষেরই দ্রুত লাইসেন্স নবায়ন করা উচিত।