admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ২৬ জুলাই, ২০২০ ২:৪৯ অপরাহ্ণ
প্রকল্পের আওতায় কেনাকাটার নাম করে অর্থ আত্মসাৎ থামছে না। পণ্যের অস্বাভাবিক দাম নির্ধারণ করে সরকারি অর্থের যথেচ্ছাচারের কথা শোনা যায় প্রায়শই। এবার জানা গেল, কেনাকাটার নামে পুরো টাকাটাই হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। তাও আবার যেনোতেনো পরিমাণ নয়, ১৩২ কোটি ৫০ লাখ টাকা! ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজের কেনাকাটার নামে। দুদকের অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে এমন লুটপাটের তথ্য-প্রমাণ।
দুর্নীতি দমন কমিশনের অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে, ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ ও ৫০০ শয্যার হাসপাতাল স্থাপন প্রকল্পের আওতায় যন্ত্রপাতি কেনার জন্য ২৪২ কোটি ৪১ লাখ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। ওই কেনাকাটার তখনই জন্য হংকংয়ের ফারভেন্ট কোম্পানির অনুকূলে ২৬টি এলসি (ঋণপত্র) খোলা হয়।
বরাদ্দ হওয়া ২৪২ কোটি টাকার মধ্যে এলসিগুলোর বিপরীতে ১৩২ কোটি ৫০ লাখ টাকা ফারভেস্ট কোম্পানির অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়। কিন্তু দুই বছর পার হলেও এখন পর্যন্ত কোনো যন্ত্রপাতি গ্রহণ করা হয়নি। আসলে কেনাকাটার নামে পুরো টাকাটাই মেরে দেওয়া হয়েছে।
ওই সময় এক আদেশে সব যন্ত্রপাতি উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে (ওটিএম) কেনার জন্য আদেশ দিয়েছিল মন্ত্রণালয়। কিন্তু সেই আদেশ লঙ্ঘন করে কেনাকাটার ক্ষেত্রে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে (ডিপিএম) কার্যাদেশ দেওয়া হয়। অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, প্রকল্প পরিচালক ও ঠিকাদার মিলে মন্ত্রণালয়ের আদেশ অমান্য করে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে কার্যাদেশ দেয়। এভাবে তারা ১৩২ কোটি ৫০ লাখ টাকা হংকংয়ে পাচার করে দিয়েছে।