admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ১৮ জুলাই, ২০২০ ৮:৩১ অপরাহ্ণ
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের বড়খোচাবাড়ী এলাকায় প্রাপ্ত সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল্লাহ-আল-মামুন সদর থনার পুলিশ ফোর্স সহ কিসমত দৌলতপুর নিবাসী কথিত ডাঃ মোঃ সোহাগ ইসলাম বাবু (২০) পিতা মৃত খলিলুর রহমানএর চেম্বারে গিয়ে চ্যালেঞ্জ করলে তিনি স্বীকার করে নেন তিনি ডাক্তার নন (বিএমডিসির রেজিষ্ট্রেশনকৃত)।

তাছাড়া তিনি তার ভিজিটিং কার্ডে উল্লেখ করা ডিপ্লোমা ডাক্তারও নন,এমনকি তার উল্লেখ করা ডিগ্রিগুলো পল্লী চিকিৎসকের,তার উপর উল্লেখ করা ডিএমএফ ডিগ্রি তিনি করেন নি, এমনকি তার নেই কোন ডিগ্রির সার্টিফিকেট,।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরো কঠোর ভাবে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে বেরিয়ে আসে ভয়ানক তথ্য এবং তার ব্যাগ থেকে বের হয় প্রেসক্রিপশনের অনেক সেট সেখানে রোগের লক্ষণ বিবরণ সহ কি ঔষধ দেয়া হবে তার তালিকা এবং এই তালিকা হচ্ছে তিনি যে ডাক্তারের সাথে কম্পাউন্ডার হিসেবে দিনাজপুরে কাজ করেছেন,তার।তাই করোনার সুযোগ নিয়ে ২০ বছর বয়সে হয়ে গেছেন ডায়বেটিস,মেডিসিন ও শিশু বিশেষজ্ঞ (ভিজিটিং কার্ডে উল্লেখ)। উপজেলা নির্বাহী অফিসার কথিত ডাক্তারকে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।
তাই আমরা করোনাকালে এ সকল ভুয়া ডাক্তারদের বিষয়ে সর্তক হই। জনস্বার্থে ভ্রাম্যমাণ আদালত এর মাধ্যমে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার জানান।