admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ২৩ জুলাই, ২০২০ ৮:৫৭ অপরাহ্ণ
করোনার ভুয়া রিপোর্ট দেয়া ও রোগীদের সঙ্গে প্রতারণাসহ নানা জালিয়াতির অভিযোগে গ্রেপ্তার জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরীকে দুই দফায় রিমান্ডে নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়েছে মামলার তদন্ত সংস্থা ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। আদালতে অভিযোগ প্রমাণ হলে তার সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।
জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরী এদিকে ডিবি পুলিশ বলছে, শুরু থেকে সাবরিনাকে জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারম্যান বলা হলেও তিনি প্রতিষ্ঠানটির আহ্বায়ক হিসেবেই জাল-জালিয়াতিতে সম্পৃক্ত থেকেছেন। মামলার অন্য আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতেও এ তথ্যের সত্যতা মিলেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শিগগিরই ডা. সাবরিনাসহ মামলার অন্য আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেয়া হবে। এ মামলায় সর্বোচ্চ যে শাস্তি হয়, সেটা ডা. সাবরিনা ও তার সহযোগীদের জন্য নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানো হবে।
এর আগে গত ২৩ জুন করোনার নমুনা পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগ এনে রাজধানীর তেজগাঁও থানায় কামাল হোসেন নামে এক ব্যক্তি বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। পেনাল কোডের ১৭০/২৬৯/৪২০/৪০৬/৪৬৬/৪৭১ ও ৩৪ ধারায় মামলাটি দায়ের করা হয়। অধিকাংশ ধারাতেই সর্বোচ্চ শাস্তি সাত বছরের কারাদণ্ড। এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) হেমায়েত উদ্দিন খান হিরন বলেন, ডা. সাবরিনা একজন প্রতারক। তিনি প্রতারণার মাধ্যমে অনেক মানুষকে বিপদে ফেলেছেন এবং তাদের জীবন-মৃত্যু নিয়ে খেলেছেন। তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার সর্বোচ্চ শাস্তি সাত বছরের কারাদণ্ড। চেষ্টা করবো তার সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার আব্দুল বাতেন বলেন, মামলা তদন্তে জেকেজির চেয়ারম্যান নয়, আহ্বায়ক হিসেবে ডা. সাবরিনা চৌধুরীর সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান হিসেবে তার পদে থাকার কোনো ডকুমেন্ট পাওয়া যায়নি। তবে আহ্বায়ক হিসেবে সম্পৃক্ত ছিলেন। শিগগিরই তার বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেয়া হবে।