admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ১৩ অক্টোবর, ২০২২ ৪:৪৩ অপরাহ্ণ
মুক্ত কলম নিউজ ডেক্সঃ ঠাকুরগাঁও জেলা পরিষদ নির্বাচনে ১ জন সদস্য প্রার্থীর বিরুদ্ধে অন্যান্য ৬ প্রার্থীরা আচরন বিধি ল্ঘংনের অভিযোগে ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক বরাবরে বুধবার লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছে। প্রতিদ্বন্দি ৬ প্রার্থীর লিখিত অভিযোগে জানা যায়, জেলা পরিষদের ৩ নং ওয়ার্ডের সদস্য পদে নির্বাচনের জন্য পীরগঞ্জ উপজেলা থেকে মোট ৭জন প্রার্থী লড়ছেন। নির্বাচেনের শেষ মুহুত্বে ১জন প্রার্থীর বিরুদ্ধে অপর ৬ প্রার্থী নির্বাচনী বিধি ভঙ্গেও গুরুতর অভিযোগ উল্থাপন কওে ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার বরাবরে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। অভিযোগে বলা হয়, পীরগঞ্জ উপজেলায় নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার সহ অভিনব কৌশল অবলম্বন করে বিজয়ের জন্যে লাইন ঘাট বেধে এক সদস্য প্রার্থী মাঠে নেমেছেন।
জানা যায়, পীরগঞ্জ উপজেলার সদস্য প্রার্থী মোঃ গিয়াস উদ্দীন (প্রতীক-বৈদ্যুতিক পাখা) এলাকায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিজস্ব লোক পরিচয় দিয়ে ও প্রভাব সৃষ্টি করে নির্বাচনী আচরণ বিধিমালা ভঙ্গ করছেন। কখনও কখনও তিনি প্রধানমন্ত্রীর এপিএস, তথ্য মন্ত্রীর ঘনিষ্ট লোক সহ অনেক মন্ত্রী/এমপিদের নাম ভাঙ্গিয়ে ও প্রভাব খাটিয়ে নির্বাচনের সাথে সংশ্লিষ্টদের চাপ সৃষ্টি করছেন। শতাধিক মোটরসাইকেলে ব্যানার লাগিয়ে প্রচার প্রচারণা করা ও সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে অন্যান্য সদস্য প্রার্থীদেরকে নানা রকম ভয়ভীতি প্রদর্শন করছেন। তার কর্মকান্ডে অপর ৬ সদস্য প্রার্থী চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে এবং স্বাধীন ভাবে নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা করতে পাড়ছে না। তিনি শতাধিক ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস (গোপন ক্যামেরা) ক্রয় করেছেন।
যাহা ভোটের দিন ভোটারদের সরবরাহ করে ভোট কেন্দ্রে পাঠাবেন এবং ব্লুটুথ এর মাধ্যমে তার মোবাইল থেকে তিনি তা পর্যবেক্ষন পূর্বক নিশ্চিত হবেন। উপজেলার ১৪৫ জন ভোটারের মধ্যে তিনি বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ বিতরণ করছেন। ভোটার প্রতি তিনি ১ লক্ষ টাকা করে বরাদ্দ ধাযর্ করা সহ ইতিমধ্যেই ৫০% টাকা ভোটারদের পেমেন্ট করেছেন। অবশিষ্ট টাকা ভোটের দিন ভোট দেয়ার পর ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস দেখে পরিশোধ করবেন। এছাড়া তিনি ৭০ থেকে ৮০ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়ে গেছেন বলেও এলাকায় আগাম প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছেন যার প্রত্যক্ষ অনেক সাক্ষী রয়েছে।
পীরগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আখতারুল ইসলাম তার সকল কর্মকান্ডে প্রকাশ্যে ও গোপনে সার্বিক সহযোগীতা করছেন বলে অভিযোগে বলা হয়েছে। ভোটের দিন সরকারী ভাবে আইটি বিশেষজ্ঞ এনে ভোটের ফলাফল তার পক্ষে নিবেন বলিয়াও তিনি এলাকায় প্রচার প্রচারণা করছেন। অভিযোগে স্বাক্ষরকারীরা হলেন, জেলা পরিষদ নির্বাচনে পীরগঞ্জ উপজেলার প্রতিদ্বন্দি সদস্য প্রার্থী যথাক্রমে মোঃ মোস্তাফিজার রহমান (হাতি), মোঃ আমির হোসেন (তালা), মোঃ নুরুল ইসলাম (টিউবওয়েল), মোঃ মশিউর রহমান (ক্রিকেট ব্যাট), মোঃ মিজানুর রহমান (টিফিন ক্যারিয়ার), সুবল চন্দ্র রায় (অটোরিক্সা)।
এ ব্যাপারে জেলা পরিষদ সদস্য প্রার্থী মোঃ গিয়াস উদ্দীন বৃহস্পতিবার এ প্রতিনিধিকে জানান আমি তথ্য মন্ত্রী ড. হাসান মাহামুদ স্যারের লোক। আমি কারো নাম ভাঙ্গিয়ে নির্বাচন করছি না। নিজের যোগ্যতায় নির্বাচন করছি। তিনি আরো জানান অভিযোগটি সত্য নয়। বিষয়টি এলাকার সর্বস্তরের জনগণ নির্বাচন কমিশনের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।