admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ১৫ মার্চ, ২০২১ ৯:২১ অপরাহ্ণ
ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁও জেলার সদর থানার অন্তর্গত ৭ নংচিলারং ইউনিয়নের ৩ টি কমিউনিটি ক্লিনিকের প্রাচীর ও গেট নির্মাণে চেয়ারম্যান ও প্রকল্প পরিচালকের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠলে মাঠ পর্যায়ে অনুসন্ধান করে জানতে পারে যে চিলারং ইউনিয়নের ৩ টি কমিউনিটি ক্লিনিক ভেলাজান, মহাদেবপুর ও বুড়িবাদ কমিউনিটি ক্লিনিকে প্রাচীর ও গেট নির্মাণে অর্থ আত্মসাৎ হয়েছে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসে স্থানীয় সরকার বিভাগ কে শক্তিশালী ও কার্যকর করতে নিরলস ভাবে পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। মানুষের কাঙ্খিত সেবা ও সুশাসন নিশ্চিতসহ গ্রামীণ পর্যায়ে অবকাঠামো উন্নয়ন কর্মকাণ্ড আরো গতিশীল করতে সরকার ইউনিয়ন পরিষদ গুলোর জন্য সমপযোগী বিভন্ন প্রকল্প গ্রহণ করেছেন। জন অংশ গ্রহণ নিশ্চিত করণের মাধ্যমে কার্যকর করতে সরকারের একটি বলিষ্ঠ প্রদক্ষেপ হল এলজিএসপি। ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে শুরু হওয়া ৫ বছর মেয়াদী এ প্রকল্প শেষ হবে ২০২১ সালের জুন মাসে। দেশের সকল ইউনিয়ন পরিষদ অর্থাৎ ৪৫৫৩ টি ইউনিয়ন পরিষদকে এলজিএসপি কার্যক্রমে আনা হয়েছে এ প্রকল্পের মোট ব্যয় ৫হাজার ৫৩৫ কোটি টাকা এর মধ্যে বাংলাদেশ সরকারের ৩ হাজার ১৫৩ কোটি ও বিশ্বব্যাংকের ঋণ সহায়তায় ২ হাজার ৩৮২ কোটি টাকা বরাদ্দের অর্থ সরাসরি ইউনিয়ন পরিষদের ব্যাংক হিসাবে বরাদ্দ হয়েছে যা দিয়ে তৃণমুল পর্যায়ে জনগনের চাহিদা অনুযায়ী অবকাঠামো উন্নায়ন প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হবে।প্রকল্প গুলো বাস্তবায়ন করতে প্রত্যেক চেয়ারম্যান ও মেম্বারকে সততা , দক্ষতা ও আন্তরিকতার সাথে কাজ করার নির্দেশ দিলেও ঠাকুরগাঁও চিলারং ইউনিয়নে দেখা যায় ভিন্নরূপ ।
দীর্ঘদিন ধরে চিলারং ইউনিয়ন পরিষদে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ আসার ফলে নির্মাণ কৃত ৩ টি কমিউনিটি ক্লিনিকের প্রাচীর ও গেট নির্মাণ এলজিএসপি-৩ এর আওতাধীন একটি প্রকল্প যার অবকাঠামো উন্নায়ন ব্যয় হিসাবে ৫.০০.০০০/-(পাচঁ লক্ষ) টাকা দেখানো হয়েছে । কিন্তু এলাকাবাসী বলছেন ভিন্নকথা , রাতা-রাতি ২ দিনে প্রাচীর নির্মাণ করে চেয়ারম্যান ও প্রকল্প সভাপতিসহ উর্দ্ধতন মহল ব্যাপক অনিয়ম ও দূর্নিতি করে প্রায় ৪.০০.০০০ (চার লক্ষ ) টাকা আত্তসাৎ করেছন।
প্রভাবশালীদের ভয়ে কেউ ক্যামরার সামনে কথা বলতে চাইনি। তারা বলেন যে, দুই থেকে আরাই হাজার ইটের দেওয়াল তুলতে কি (প্রায়) ১.৬৬.০০০ টাকা লাগতে পারে একথা ছোট বাচ্চাও বিশ্বাস করবেনা। আর এখানে ইট বালু মানহীন ৩ নাম্বার ব্যবহার করা হয়েছে । অল্পদিনের মধ্যে ভেঙ্গে যেতে পারে। এ বিষয়ে সুশীল সমাজের অনেকের সাথে কথা বললে জানাযায় যে, এখানে প্রাচীর নির্মাণ হয়েছে প্রায় ৩০ * ৪০ ফিট উচ্চতা ৪ ফিট যার আনুমানিক নির্মান মূল্য ৩০-৩৫ হাজার টাকা হলে তিনটি প্রাচীর নির্মাণ করতে ৯০,০০০- ১,০০,০০০ টাকা কাজ হয়েছেন যা সরকারের উন্নায়ন কর্মকাণ্ডকে ব্যাহত করেছে, যা চরম অন্যায় আমরা দূর্নিতি দমন কমিশনের হস্তক্ষেপ দাবী করে সঠিক তদন্ত চাই।
কারণ এই অর্থ জনগনের সম্পদ , আমাদের সম্পদ। এ বিষয়ে প্রকল্প সভাপতি নাসিরুল ইসলাম ৫ নং ওয়াড সদস্য ৭ নং চিলারং ইউনিয়ন পরিষদ এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি অনুসন্ধানী দলের সাথে অশালীন ভাবে কথা বলেন। এ বিষয়ে কোনরূপ কথা বলতে তিনি নারাজ। অফিসে তথ্য দেওয়া আছে। পাঁচ লক্ষ টাকার কাজ হয়েছে, যে যাই বলুক। চেয়ারম্যান ও ইউএনও স্যার জানেন। তিনি কাউকে জবাব দিতে বাধ্য নন। পরবর্তীতে অামরা যাতে উনার সাথে যোগাযোগ না করি তার জন্য কড়া হুসয়ারী দেন।
পরবর্তীতে চেয়ারম্যানের সাথে মুঠোফোনে আজ ১৫ তারিখ দুুপুর ১ টার সময় চিলারং ইউনিয়ন পরিষদে উপস্থিত হয়ে চেয়ারম্যান কে উপস্থিত পাওয়া যায়নি। সচিব কথা বলতে নারাজ। ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল্লাহ আল- মামুন এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান যে, এ বিষয়ে আমি আপনাদের মাধ্যমে অবগত হলাম। বিষয়টি সম্পর্কে খোজ- খবর নিচ্ছি এবং উর্দ্ধতন কতৃপক্ষকে জানিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নিব। এ বিষয়ে চিলারং ইউনিয়নের আওয়ামীলীগ এর সভাপতি হৃষীকেশ রায় লিটন এর সাথে কথা বললে তিনি বলেন যে, যারা অন্যায় দূর্নিতি করে তারা দেশের উন্নায়নের শত্রু। আমি সলশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের তদন্ত দাবী করে সঠিক বিচার চাই