ডাঃ নুরল হক,বিরামপুর দিনাজপুর প্রতিনিধি || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:৪১ অপরাহ্ণ
দিনাজপুর বিরামপুরে নিরাপদ মাতৃত্ব নিশ্চিত করতে দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২৪ ঘণ্টা নরমাল ডেলিভারি সেবা চালু রয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৯ মাসে বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৪ শত ৯৭ জনের নরমাল ডেলিভারি সম্পন্ন হয়েছে। তবে প্রসূতি সেবার পরিধি আরও বাড়ানোর জন্য স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গাইনি বিশেষজ্ঞ ও অ্যানেসথেশিয়া চিকিৎসকের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, উপজেলা পর্যায়ে সিজারিয়ান সেবা চালু হলে প্রসূতি মায়েদের চিকিৎসার জন্য দূরের হাসপাতালে যাওয়ার প্রয়োজন অনেকটাই কমবে। একই সঙ্গে জরুরি প্রসূতি সেবার আওতা বাড়িয়ে স্থানীয় পর্যায়ে মাতৃস্বাস্থ্যসেবা আরও সহজলভ্য করা সম্ভব হবে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে ৫৭টি, ফেব্রুয়ারিতে ৭২টি, মার্চে ৫১টি, এপ্রিলে ৪৮টি, মে মাসে ৪৬টি, জুনে ৩৪টি, জুলাইয়ে ৪৯টি, আগস্টে ৬৩টি এবং সেপ্টেম্বরে ৭৭টি নরমাল ডেলিভারি হয়েছে। এ হিসাবে ৯ মাসে মোট ৪৯৭টি নরমাল ডেলিভারি সম্পন্ন হয়।
হাসপাতালের উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুব্রত কুমার সেন জানান, নরমাল ডেলিভারি সেবায় চারজন দক্ষ মিডওয়াইফ দায়িত্ব পালন করছেন। তাদের সঙ্গে সিনিয়র স্টাফ নার্সরা কাজ করছেন। পাশাপাশি মেডিকেল অফিসাররা নিয়মিত প্রসূতি কক্ষে গিয়ে প্রসূতি মায়েদের প্রয়োজনীয় খোঁজ খবর ও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করছেন।
তিনি আরো বলেন, নিরাপদ মাতৃত্ব নিশ্চিত করাই তাদের মূল লক্ষ্য। এ জন্য গর্ভবতী মায়েদের নিয়মিত গর্ভকালীন পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বহির্বিভাগে নিয়মিত চেকআপের পাশাপাশি প্রসবের জন্য দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা হাসপাতালে এলে প্রয়োজনীয় সেবা দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।
ডা. সুব্রত কুমার সেন বলেন, বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নরমাল ডেলিভারি সেবা দেওয়া সম্ভব হলেও সিজারিয়ান অপারেশনের জন্য গাইনি বিশেষজ্ঞ ও অ্যানেসথেশিয়া চিকিৎসক প্রয়োজন। সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক পদায়ন করা হলে নরমাল ডেলিভারির পাশাপাশি সিজারিয়ান সেবাও চালু করা সম্ভব হবে।