হোম
আন্তর্জাতিক

সিঙ্গাপুরের ইতিহাসে বহুল আলোচিত মামলার রায়ে জিতলেন এক ইন্দোনেশিয়ান গৃহকর্মী।

admin || মুক্ত কলম সংবাদ

প্রকাশিত: ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ৯:২৫ পূর্বাহ্ণ

সিঙ্গাপুরের ইতিহাসে বহুল আলোচিত জিতলেন এক গৃহকর্মী-এম কে নিউজ বিডি

ফাইল ছবি

মুক্ত কলম বক্স অফিস সিঙ্গাপুরঃ সিঙ্গাপুরের ইতিহাসে বহুল আলোচিত মামলার রায়ে জিতলেন এক ইন্দোনেশিয়ান গৃহকর্মী। পার্তি লিয়ানি ছিলেন ইন্দোনেশিয়ার একজন গৃহপরিচারিকা, কিন্তু কাজ করতেন সিঙ্গাপুরের অত্যন্ত ধনী একটি পরিবারে, বেতন ছিল মাসে ৬০০ সিঙ্গাপুরি ডলার। তার নিয়োগদাতা দেশটির বিশাল এক ব্যবসায়িক সাম্রাজ্যের মালিক লিউ মুন লিয়ং, যিনি বেশ কয়েকটি বড় বড় কোম্পানির চেয়ারম্যান। একদিন ওই পরিবারটি পার্তি লিয়ানির বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ আনলো। তারা রিপোর্ট করলো পুলিশের কাছে। অভিযোগে বলা হলো যে তিনি ওই বাড়ি থেকে বিলাসবহুল কিছু হাতব্যাগ, পোশাক, একটি ডিভিডি প্লেয়ার চুরি করেছেন। এর মধ্য দিয়ে সূত্রপাত হলো সিঙ্গাপুরের ইতিহাসে বহুল আলোচিত এক মামলার।

বিত্তশালী ওই পরিবারটির বিরুদ্ধে দীর্ঘ চার বছর আইনি লড়াই-এর পর অবশেষে এই সেপ্টেম্বর মাসের শুরুর দিকে আদালতের রায়ে বেকসুর খালাস পেলেন গৃহকর্মী পার্তি লিয়ানি। আদালতের রায়ের পর দোভাষীর মাধ্যমে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, চার বছর ধরে আদালতে লড়াই করছিলাম। আমি খুব খুশি যে শেষ পর্যন্ত আমি মুক্তি পেয়েছি।তবে তার এই মামলাটি সিঙ্গাপুরে অসাম্য ও বিচার পাওয়ার ব্যাপারে মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, প্রাথমিকভাবে মিস পার্তিকে কীভাবে চোর বলে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল! পার্তি লিয়ানি বিত্তশালী ব্যবসায়ী লিউ মুন লিয়ং এর বাড়িতে গৃহপরিচারিকার কাজ শুরু করেন ২০০৭ সালে। সেসময় ওই বাড়িতে মালিকের ছেলে কার্লসহ পরিবারের আরো কয়েকজন সদস্য বসবাস করতো।

প্রায় ন’বছর পর ২০১৬ সালে কার্ল লিউ ও তার পরিবার ওই বাড়ি ছেড়ে দিয়ে অন্যত্র চলে যায়। আদালতে যেসব কাগজপত্র জমা দেওয়া হয়েছে তাতে দেখা যায় যে মিস পার্তিকে মি. কার্লের নতুন বাড়ি পরিষ্কার করতে বলা হয়েছিল, এছাড়া তার অফিসও বিভিন্ন সময়ে পরিষ্কার করতে বলা হয়েছিল যা স্থানীয় শ্রম আইনের লঙ্ঘন। এবিষয়ে তিনি আগেও অভিযোগ করেছিলেন। সিঙ্গাপুরে অভিবাসী গৃহকর্মী নিয়োগ দিতে কাজ করে বহু সংস্থা। এর কয়েক মাস পরে ব্যবসায়ী লিউ পরিবারের পক্ষ থেকে মিস পার্তিকে জানানো হয় যে চুরি করার অভিযোগে তাকে ছাঁটাই করা হয়েছে। স্ট্রেইটস টাইমস সংবাদপত্রের রিপোর্টে বলা হয়েছে, মি. কার্ল লিউ যখন তাকে বরখাস্ত করার কথা জানান তখন মিস পার্তি তাকে বলেছিলেন: “আমি জানি কেন। আপনার টয়লেট পরিষ্কার করতে অস্বীকার করায় আপনি রেগে গিয়ে আমার চাকরি খাচ্ছেন।

এর পরই তাকে বাকসো-প্যাটরা গুছিয়ে বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্য তাকে দুই ঘণ্টা সময় দেওয়া হয়। মিস পার্তিকে বলা হয় যে ওই পরিবারটি তার মাল-সামানা ইন্দোনেশিয়ায় পাঠিয়ে দেবে। সেদিনই তিনি সিঙ্গাপুর ছেড়ে নিজের দেশে ফিরে যান। ব্যাগ গুছাতে গুছাতে তিনি তাকে মি. কার্লের বাড়ি পরিষ্কার করতে বলার ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের কাছে নালিশ করার হুমকি দেন। মিস পার্তি চলে যাওয়ার পর পরই লিউ পরিবার বাকসোগুলো পরীক্ষা করে দেখার সিদ্ধান্ত নেয়। তারা অভিযোগ করেন সেসময় তারা সেখানে তাদের কিছু জিনিসও পেয়েছেন। মি. লিউ মুন লিয়ং এবং তার ছেলে কার্ল লিউ ৩০শে অক্টোবর এবিষয়ে পুলিশের কাছে রিপোর্ট করেন। মিস পার্তি এর পাঁচ সপ্তাহ পর নতুন কাজের খোঁজে আবার সিঙ্গাপুরে ফিরে এলে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন। তখন তিনি বলেন যে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে তার কোন ধারণা নেই।

ফৌজদারি মামলার কারণে তিনি আর সিঙ্গাপুরে কাজ করতে পারছিলেন না। তার থাকার জায়গা হয় অভিবাসী শ্রমিকদের একটি আশ্রয়স্থলে। দিনের পর দিন মামলা চলতে থাকায় তিনি অভিবাসী শ্রমিকদের নিয়ে কাজ করে এরকম একটি সংস্থার আর্থিক সাহায্যের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েন। আদালতের রায়ের পর বিভিন্ন কোম্পানির চেয়ারম্যানের পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন লিউ মুন লিয়ং। পোশাক ও গোলাপি ছুরি। মিস পার্তির বিরুদ্ধে যেসব জিনিস চুরির অভিযোগ আনা হয় তার মধ্যে ছিল ১১৫টি কাপড়, কিছু বিলাসবহুল হাতব্যাগ, একটি ডিভিডি প্লেয়ার এবং জেরাল্ড জন্টা ব্র্যান্ডের একটি দামী হাতঘড়ি। সব মিলিয়ে এসব জিনিসের মূল্য হতে পারে ৩৪,০০০ সিঙ্গাপুরি ডলার।

বিচার চলাকালে মিস পার্তি আদালতে বলেন যে কথিত এসব জিনিসের বিষয়ে দুটো ঘটনা ঘটতে পারে – হয় জিনিসগুলো তার নিজের, এগুলো ফেলে দেওয়ার পর তিনি কুড়িয়ে নিয়েছিলেন, অথবা হয়তো তিনি নিজে এসব জিনিস বাকসোতে ভরেন নি। একজন ডিস্ট্রিক্ট জাজের বিচারে ২০১৯ সালে তিনি দোষী সাব্যস্ত হন। তাকে তখন দুই বছর দুই মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। মিস পার্তি এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার সিদ্ধান্ত নেন। তার পর এই মামলা চলতে থাকে এবং শেষ পর্যন্ত সিঙ্গাপুরের হাইকোর্ট তাকে নির্দোষ রায় দিয়ে বেকসুর খালাস দেয়। বিচারপতি চ্যাং সেং ওন বলেন, তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করতে গিয়ে ওই পরিবারের ‘উদ্দেশ্য ভাল ছিল না।’ এর পাশাপাশি এই মামলাটি পুলিশ, সরকারি কৌসুলি এমনকি ডিস্ট্রিক্ট জাজও যেভাবে সামাল দিয়েছেন সেসব নিয়েও হাইকোর্টে প্রশ্ন তোলা হয়।

বিচারক বলেন, মিস পার্তিকে যে অবৈধভাবে কার্লের বাড়ি পরিষ্কার করতে পাঠানো হয়েছিল সেবিষয়ে তিনি যাতে নালিশ দায়ের করতে না পারেন সেজন্য লিউ পরিবার তার বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে অভিযোগ করেছিল – এটা বিশ্বাস করার কারণ আছে। বিচারক বলেন, মিস পার্তি যেসব জিনিস চুরি করেছেন বলে অভিযোগ আনা হয়েছে তার অনেকগুলোই নষ্ট হয়ে গেছে। যেমন ঘড়ি, তার একটি বাটন-নব নেই, তারপর দুটো আইফোন যেগুলো কাজ করছে না। তিনি বলেন, নষ্ট হয়ে যাওয়া জিনিস চুরি হওয়ার ঘটনা অস্বাভাবিক। তবে ডিভিডি প্লেয়ার চুরির অভিযোগের বিষয়ে মিস পার্তি বলেন যে এটি কাজ করছিলো না বলে পরিবারটি সেটি ফেলে দিয়েছিল।

মিস পার্তির বিরুদ্ধে এই ডিভিডি প্লেয়ার চুরির অভিযোগ আনা হয়েছিল। সরকারি আইনজীবীরা স্বীকার করেন ডিভিডি প্লেয়ারটি যে চলে না সেটি তারা জানতেন কিন্তু বিচারের সময় যন্ত্রটিকে যখন প্রমাণ হিসেবে হাজির করা হয় তখন তারা সেই তথ্য প্রকাশ করেন নি। বরং যন্ত্রটি কাজ করে বলেই তারা দেখিয়েছিলেন। বিচারপতি চ্যান এর সমালোচনা করে বলেন, এটি ছিল তাদের হাতের একটি কৌশল এবং অভিযুক্তের জন্য এটা ন্যায় বিচার ছিল না।

মি. কার্লকে যে বিচারে একজন সাক্ষী হিসেবে হাজির করা হয়েছে তার গ্রহণ যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন বিচারক চ্যান। মিস পার্তির বিরুদ্ধে মি. কার্ল আরো অভিযোগ করেন যে তিনি একটি গোলাপি ছুরি চুরি করেছেন। তিনি জানান, এই ছুরিটি তিনি ২০০২ সালে যুক্তরাজ্য থেকে কিনেছিলেন এবং পরে সেটাকে সিঙ্গাপুরে নিয়ে যান। কিন্তু পরে তিনি স্বীকার করেন ছুরিটির এতো আধুনিক ডিজাইনের ছিল যে ২০০২ সালের আগে এটি ব্রিটেনে তৈরি করা হতো না। তিনি আরো দাবি করেন যে মিস পার্তির কাছে নারীর পোশাকসহ বেশ কিছু কাপড় পাওয়া গেছে যেগুলো আসলে তার। কিন্তু পরে এসব কাপড় তার কীনা সেটা তিনি মনে করতে পারেন নি। বিচার চলার সময় মি. কার্লকে নারীর পোশাকের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল। উত্তরে তিনি বলেছিলেন যে তিনি মেয়েদের পোশাক পরতে পছন্দ করেন। বিচারপতি চ্যান বলেন, এটা বিশ্বাস যোগ্য নয়।

পুলিশের নেয়া পদক্ষেপের বিষয়েও প্রশ্ন তুলেছেন বিচারপতি চ্যান। প্রাথমিক রিপোর্ট তৈরির পরের পাঁচ সপ্তাহে যেসব স্থানে চুরি হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে সেসব জায়গা তারা দেখতে যায় নি। পুলিশ তাকে কোন দোভাষীও দেয়নি। মিস পার্তির ভাষা ইন্দোনেশিয় হলেও তাকে মালায় ভাষার একজনকে দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছিল। এটি ভিন্ন একটি ভাষা এবং মিস পার্তি এই ভাষায় কথা বলতেন না। পুলিশ যেভাবে তদন্ত করেছে সেটাও অত্যন্ত উদ্বেগজনক, বলেন ইউজেন ট্যান, সিঙ্গাপুর ম্যানেজমেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে আইনের অধ্যাপক। রায়ের ব্যাপারে ডিস্ট্রিক্ট জাজ আগেই মনস্থির করে রেখেছিলেন। পুলিশ এবং সরকারি কৌঁসুলিরা যে তাদের কাজ ঠিক মতো করেনি তিনি সেটা ধরতে পারেন নি। পুলিশ ও বিচার ব্যবস্থার সমালোচনাঃ এই মামলাটি নিয়ে সিঙ্গাপুরে ব্যাপক আলোচনা হয়েছে এবং সাধারণ লোকজন মূলত মি. লিউ ও তার পরিবারের পতি ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।

অনেকেই এই মামলাটিকে দেখেছেন সিঙ্গাপুরে ধনী ও দরিদ্রের মধ্যে বৈষম্যের উদাহরণ হিসেবে: সমাজে ধনী ও প্রভাবশালী ব্যক্তিরা কিভাবে দরিদ্র ও ক্ষমতাহীন মানুষের ওপর নির্যাতন চালায় এবং নিজেদের তৈরি করা আইন থেকে তারা কী ধরনের সুবিধা ভোগ করে। তাদের কেউ কেউ বলছেন, যদিও শেষ পর্যন্ত ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তারপরেও এই ঘটনায় নিরপেক্ষ বিচার ব্যবস্থার প্রতি তাদের দীর্ঘদিনের আস্থা নড়ে গেছে। স্মরণকালের মধ্যে এরকম মামলা হতে দেখা যায় নি, বলেন প্রফেসর ট্যান। এই ঘটনার বিচার করতে গিয়ে যেসব ব্যর্থতার ঘটনা ঘটেছে সেটা মানুষের মনে অসন্তোষ তৈরি করেছে। যেসব প্রশ্ন তৈরি হয়েছে সেগুলো হচ্ছে: আমি তার জায়গায় হলে কী হবে? সেটা ঠিক মতো তদন্ত করা হবে আমি কি নিরপেক্ষ বিচার পাবো? তিনি বলেন, বিত্তশালী লিউ পরিবারের মিথ্যা অভিযোগের পক্ষে পুলিশ ও নিম্ন আদালত যেভাবে কাজ করেছে তাতে মানুষের মনে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন তৈরি হয়েছে যে সিঙ্গাপুরে চেকস এন্ড ব্যালেন্সের জন্য যথেষ্ট ব্যবস্থা আছে কীনা।

জনগণের ক্ষোভ এই ঘটনায় জনগণের মনে ক্ষোভ তৈরি হওয়ার পর মি. লিউ মুন লিয়ং কিছু কোম্পানির চেয়ারম্যানের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করেছেন। এক বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, তিনি হাইকোর্টের সিদ্ধান্তকে সম্মান করেন এবং সিঙ্গাপুরের বিচার ব্যবস্থার প্রতি তার আস্থা আছে। তবে পুলিশের কাছে তার রিপোর্ট করার সিদ্ধান্তের পক্ষেও তিনি বক্তব্য দিয়েছেন। বলেছেন, আমি সত্যিই বিশ্বাস করি কোথাও যদি ভুল কিছু হচ্ছে বলে সন্দেহ হয় তখন বিষয়টি পুলিশকে জানানো আমাদের নাগরিক দায়িত্ব।

হাইকোর্টের রায়ের পর মি. কার্ল লিউ নিরব এবং এবিষয়ে তিনি কোন বিবৃতি দেননি। এই ঘটনায় সিঙ্গাপুরের পুলিশ বাহিনী ও বিচার প্রক্রিয়া পর্যালোচনা করে দেখার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। আইন ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কে. শানমুগাম স্বীকার করেছেন যে “ঘটনার ধারাবাহিকতায় কিছু একটা ভুল হয়েছে। সরকার এখন কী সিদ্ধান্ত নেয় লোকজন সেদিকে তাকিয়ে আছে। জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠায় যদি ব্যবস্থা নেওয়া না হয় তাহলে মানুষের মনে এই বিশ্বাস আরো শক্তিশালী হবে যে অভিজাত শ্রেণি সমাজের সবকিছুর ঊর্ধ্বে, লিখেছেন সিঙ্গাপুরে একজন বিশ্লেষক ডোনাল্ড লো।

সিঙ্গাপুরে যেসব অভিবাসী শ্রমিক কাজ করেন তারা কতোটা ন্যায়বিচার পেতে পারেন এই ঘটনার পর সেই প্রশ্নটিও উঠেছে। বেসরকারি সংস্থা হোমের সাহায্য পাওয়ার কারণে মিস পার্তি সিঙ্গাপুরে থেকে আইনি লড়াই চালিয়ে যেতে পেরেছেন। তার আইনজীবী অনিল বালচান্দানিও বিনা অর্থে কাজ করেছেন। এজন্যে আইনি খরচ দাঁড়াতো দেড় লাখ সিঙ্গাপুরি ডলার। সিঙ্গাপুরে অভিবাসী শ্রমিকরা আইনের দ্বারস্থ হতে পারেন, কিন্তু তারা যেহেতু পরিবারের একমাত্র রোজগারের উৎস তাই তাদের বেশিরভাগই বিচার চেয়ে আইনের পথে অগ্রসর হয় না। বেসরকারি সংস্থা হোম বলছে, বছরের পর বছর তো দূরের কথা কয়েক মাস ধরে আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার সামর্থ্যও তাদের নেই।

মিস পার্তির আইনজীবী শক্তিশালী রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কঠোর পরিশ্রম করেছেন, বলেন প্রফেসর ট্যান। পার্তি লিয়ানি জানিয়েছেন যে এখন তিনি তার দেশে ফিরে যাবেন। আমার সমস্যা তো আর নেই, আমি ইন্দোনেশিয়াতে ফিরে যেতে চাই, মিডিয়াতে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে সম্প্রতি তিনি একথা বলেছেন। আমি আমার নিয়োগদাতাকে ক্ষমা করে দিয়েছি। আমি তাদেরকে শুধু এটুকু বলতে চাই তারা যেন অন্য গৃহকর্মীদের সঙ্গে আর কখনো এরকম না করে।

মতামত জানান :

Sun Mon Tue Wed Thu Fri Sat
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  

সর্বশেষ খবর

মালয়েশিয়া জোহরবারুতে বৈধ কাগজ ছাড়াই স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে বসবাস রত বাংলাদেশি
আন্তর্জাতিক 6 hours আগে

তারেক রহমানের মামা সাঈদ ইস্কান্দারের ভায়রা মাসুদই  কোকোর লান্সে আঘাত
অপরাধ 17 hours আগে

সুনামগঞ্জে একটি সুইস গেটের অভাবে প্রতি বছর ৫শ একর জমির
জনদুর্ভোগ 18 hours আগে

নওগাঁর সাপাহারে গণহত্যা দিবস উপলক্ষে স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।
রাজশাহী 1 day আগে

সামনের দিনে তেল ও জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যেতে পারে –
রংপুর 2 days আগে

সুনামগঞ্জে ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মানে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ।
আইন-বিচার 2 days আগে

পঞ্চগড়ে চাষ হচ্ছে দক্ষিণ আমেরিকার সুপার ফুড ‌কিনোয়া
অর্থনীতি 2 days আগে

সান্তাহারে ২য় স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ স্বামীর বিরুদ্ধে।
অপরাধ 2 days আগে

নওগাঁর সাপাহারে এক অসহায় পরিবারে জেলা পুলিশের মানবিক সহায়তা।
রাজশাহী 2 days আগে

সাভারের আলোচিত সিরিয়াল কিলার সাইকো সম্রাট হৃদরোগে মৃত্যু।
ঢাকা 3 days আগে

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম :

কুড়িগ্রামে ঐতিহাসিক আসনে কঠিন চ্যালেঞ্জে জাপা,মাঠ গরম এনসিপি-বিএনপির। হাদীর ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনায় দিনাজপুর সীমান্ত ৪২ বিজিবির রেড অ্যালার্ট জারি। রোহিঙ্গা মেয়েরা পাচার ছাড়াও বিদেশীদের দ্বারা যৌন কাজে ব্যবহারের টার্গেট হয়ে উঠছে ঠাকুরগাঁওয়ে নানা কর্মসূচিতে হানাদার মুক্ত দিবস উদযাপিত। ঠাকুরগাঁও জেলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ৪র্থ জেলা রোভার মুট-২০২৫। কুড়িগ্রামের রাজারহাটে প্রাণিসম্পদ সপ্তাহের প্রদর্শনী ও সমাপনী অনুষ্ঠিত। পার্বতীপুরে জাতীয় প্রাণি সম্পদ ও ডেইরি প্রকল্পের উদ্বোধন। রাণীশংকৈলে জাতীয় প্রাণীসম্পদ সপ্তাহ ও প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত পলাতক শেখ হাসিনার অগ্রণী ব্যাংকের লকার ভেঙে ৮৩২ ভরি স্বর্ণ জব্দ রাজশাহীতে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১০ জন ৩ ডিসেম্বর রংপুরে বিভাগীয় মহাসমাবেশ সফল করতে দিনাজপুরে ৮ ইসলামী দলের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত। দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে সব বাহিনী প্রস্তুত: সিইসি পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ৬ হাজার কৃষক পাচ্ছে বিনামূল্যে গম বীজ ও সার। মাত্র চার মাসের শিশু সুমাইয়া বাঁচতে চায়! পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় হেফাজতে ইসলামের নতুন কমিটি গঠন। ভূমিকম্পে সম্ভাব্য ক্ষতি কমাতে এখনই শক্তিশালী ও সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে: সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান রাজধানীতে  আজ থেকে ঘরে বসেই মেট্রোরেলের কার্ড রিচার্জ করবেন? নীলফামারীতে পাটবীজ উৎপাদনকারী চাষীদের প্রশিক্ষণ। আর কোনো পরিস্থিতি নেই যে নির্বাচন ব্যাহত হবে-ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল  ৫-বছরেও শেষ হয়নি ওয়াশব্লকের নির্মাণ কাজ-জনস্বাস্থ্য অফিস বলছেন বাদ দেন চা খাওয়ার জন্য কিছু নেন। পার্বতীপুরে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকারের দাবীতে কর্মী সভা। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় নদী বাঁচাও আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নাগরিক সমাবেশ। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া ইউএনও এক গৃহহীন ভারসাম্যহীন নারীর পাশে দাঁড়ালো। ৮ দফা দাবিতে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর নার্সিং এসোসিয়েশন দিনাজপুর জেলা শাখার স্মারকলিপি ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে ইউনিয়ন সিএসওর লাইভস্টক সংলাপ সভা অনুষ্ঠিত বগুড়ায় প্রেম করে বিয়ে অতপর ভাড়া বাসায় স্ত্রীকে হত্যা করল স্বামী। দিনাজপুরে ৩ দিনব্যাপী উদ্যোক্তা মেলা ও পিঠা উৎসবের সমাপনী। দিনাজপুরের বিরলে শতাধিক নেতা-কর্মীর মামলা থেকে বাঁচতে ফ্যাসিস্ট আ,লীগ থেকে পদত্যাগ! অভিযোগ দিয়ে ও কাজ বন্ধ হচ্ছে না আদমদিঘীতে সরকারি জায়গা দখল করে করা হচ্ছে অবকাঠামো নির্মাণ! বগুড়ার কইপাড়ায় নববধূ শম্পা হত্যার অভিযোগ, যৌতুক দাবির জেরে স্বামী আটক