admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ২৭ মার্চ, ২০২১ ৪:২৯ অপরাহ্ণ
মিয়ানমারে সশস্ত্র বাহিনী দিবসেও গুলিতে ১৬ বিক্ষোভকারী নিহত। দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। এতে আরো অন্তত ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়া জান্তা বিরোধী বিক্ষোভে তিন শতাধিক বিক্ষোভকারী নিহত হলো বলে দাবি করা হচ্ছে।মিয়ানমারে সশস্ত্র বাহিনী দিবসেও গুলিতে ১৬ বিক্ষোভকারী নিহত। আজ শনিবার এমন সময় মিয়ানমারের গণতন্ত্রকামী জনগণের ওপর এই গুলি চালানো হলো যখন দেশটির সামরিক বাহিনী সশস্ত্র বাহিনী দিবস উদযাপন করছে। এ উপলক্ষে তারা দেশের জনগণ এবং গণতন্ত্র রক্ষায় দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও জানায়।
ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, মিয়ানমারের জান্তা সরকারের সশস্ত্র বাহিনী দিবস উদযাপনের মধ্যেই দেশজুড়ে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে আরো ১৬ বিক্ষোভকারী প্রাণ হারিয়েছে। এর আগে সশস্ত্র বাহিনী দিবস উদযাপন উপলক্ষে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী সতর্ক করে জানায়, এই দিনে বিক্ষোভ করলে মাথায় এবং পেছনে গুলি করা হবে। তবে সামরিক জান্তার সেই হুমকি উপেক্ষা করে শনিবার দেশটির বৃহত্তম শহর ইয়াঙ্গুন, মান্দালয় ও অন্যান্য এলাকায় হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেয়। সেই বিক্ষোভ দমাতে নির্বিচার গুলি চালায় নিরাপত্তা বাহিনী। উল্লেখ্য, গত ১ ফেব্রুয়ারি সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশটির নেত্রী অং সান সু চি, প্রেসিডেন্ট এবং ক্ষমতাসীন দল এন এল ডির শীর্ষ নেতাদের গ্রেপ্তার করে ক্ষমতা দখল করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। তার পর থেকেই রাস্তায় নেমে জান্তাবিরোধী বিক্ষোভ করে আসছে মিয়ানমারের গণতন্ত্রকামী মানুষ।
এদিকে, চলমান বিক্ষোভের মধ্যেই এদিন মিয়ানমারের সেনাপ্রধান তথা বর্তমান জান্তা সরকারের প্রধান মিন অং হ্লাইং ঘোষণা দিয়েছেন যে, সেনাবাহিনীও গণতন্ত্র চায় এবং একটি সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক নির্বাচন আয়োজন করাই তাদের লক্ষ্য। এ সময় চলমান বিক্ষোভকারীরা আন্দোলনের নামে মিয়ানমারের স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তার ক্ষতি করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। আন্দোলনের কারণে মিয়ানমারের নির্বাচন বিলম্বিত হচ্ছে বলে উল্লেখ করলেও ঠিক কবে দেশটিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে সে সম্পর্কে সুনির্দিশষ্ট কোনো ইঙ্গিত দেননি হ্লাইং। বরং অভ্যুত্থানের পর দেশটিতে এক বছরের জন্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে।