admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ৫:০২ অপরাহ্ণ
মিয়ানমারে সকল ব্যাংক বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বন্ধ আছে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের সম্প্রচার। সেনাবাহিনী কর্তৃক ক্ষমতা দখলের প্রেক্ষিতে অচলাবস্থা বিরাজ করছে মিয়ানমারে। দেশব্যাপী সকল ব্যাংক বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বন্ধ আছে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের সম্প্রচার। প্রধান প্রধান শহরগুলোর রাস্তায় টহল দিচ্ছে সেনাবাহিনী। মোবাইল ও ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে। মিয়ানমারের ব্যাংক অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, ইন্টারনেট সংযোগ না থাকায় তাদের পক্ষে কার্যক্রম চালানো সম্ভব হচ্ছে না।
সোমবার (১ ফেব্রুয়ারি) ভোরে মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা অং সান সু চিকে আটক করেছে দেশটির সেনাবাহিনী। কয়েক ঘণ্টা পর তাদের পক্ষ থেকে দেশটিতে ১ বছরের জন্য জরুরি অবস্থা জারির ঘোষণা দেওয়া হয়। সামরিক বাহিনী কর্তৃক পরিচালিত টেলিভিশন থেকে একটি বার্তা প্রচার করা হচ্ছে-গত নির্বাচনে জালিয়াতির অভিযোগ থাকায় সরকার ভেঙে দেওয়া হয়েছে।

ওই টেলিভিশন বার্তায় আরো জানানো হয়, সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান সিনিয়র জেনারেল মিং অং হ্লাইংয়ের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা হয়েছে। পরবর্তী ঘোষণা না দেয়া পর্যন্ত তিনিই দেশের ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। বিস্তারিত না বলা হলেও এই বিবৃতি থেকে স্পষ্ট, আবারও দীর্ঘ সময়েরর জন্য সামরিক শাসনে চলে গেলো মিয়ানমার।
প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ৮ নভেম্বর মিয়ানমারে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, যাতে জয় পায় সু চির দল ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসি (এনএলডি)। তবে সেনা সমর্থিত বিরোধী দলের অভিযোগ, নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলকে সুবিধা পাইয়ে দেয়া হয়েছে। দীর্ঘ সামরিক শাসনের বিলুপ্তির পর এটা ছিল দেশটির দ্বিতীয় গণতান্ত্রিক নির্বাচন। প্রথমটি হয় ২০১৫ সালে। সেবারও এনএলডি জয় পেয়েছিল।