admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১:৩০ অপরাহ্ণ
বিস্ফোরণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৪ জন। মসজিদের ভেতরে দমকল কর্মীরা কাজ করছেন। নারায়ণগঞ্জে মসজিদে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যায় আরও যোগ হল নতুন নাম। রবিবার সকালে মারা গেছেন একজন। গত রাতেই মৃত্যু হয়েছে আরো তিন জনের। এই নিয়ে এ ঘটনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ২৪ জনে। দুর্ঘটনার সময় মসজিদের ইমাম যিনি সেসময় নামাজ পড়াচ্ছিলেন তিনিও মারা গেছেন গত রাতে। তার নাম আবদুল মালেক। বয়স ষাটের মত। তার শরীরের খুব বেশি অংশ অগ্নিদগ্ধ না হলেও বয়স বেশি হওয়ার কারণে তাকে বাঁচানো যায়নি বলে জানান চিকিৎসকেরা।
এই ঘটনায় আরও ১৩ জন শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইন্সটিটিউটে চিকিৎসাধীন আছেন। বার্ন ইউনিটের চিকিৎসক ডা. হোসেন ইমাম জানিয়েছেন, এদের বেশিরভাগের অবস্থাই আশঙ্কাজনক। তিনি জানিয়েছেন আহতদের মধ্যে চার জন আইসিইউতে রয়েছেন। বেশির ভাগেরই শরীরের ৫০ শতাংশের বেশি পুড়ে গেছে। এই ঘটনায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে ফতুল্লা থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। কারো দায়িত্ব অবহেলায় এই দুর্ঘটনা ঘটেছে কিনা সেটি তারা তদন্ত করবে।
বিস্ফোরণে চুরমার হয়ে গেছে মসজিদের জানালার কাঁচ। শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে নারায়ণগঞ্জের পশ্চিম তল্লা এলাকার বায়তুস সালাত জামে মসজিদে বিকট শব্দে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। তাতে অগ্নিদগ্ধ হন সেখানে নামাজ পড়তে আসা অর্ধশতাধিক মানুষ।
ওদিকে এই ঘটনায় তদন্তের জন্য আলাদা করে ফায়ার সার্ভিস, তিতাস গ্যাস ও জেলা প্রশাসনের তিনটি পৃথক তদন্ত কমিটি কাজ শুরু করেছে।পাইপলাইনের লিকেজ থেকে গ্যাস জমে এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে কিনা সেটি তদন্ত করা হবে। ফায়ার সার্ভিস প্রাথমিকভাবে এমনটাই ধারণা করছে। স্থানীয়রাও অনেকে দুর্ঘটনার পর জানিয়েছে মসজিদের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় তারা প্রায়ই গ্যাসের গন্ধ পেতেন। দমকল কর্মীরা দুর্ঘটনাস্থলে গিয়ে মসজিদের মেঝের নীচ দিয়ে যাওয়া গ্যাস লাইন থেকে গ্যাস বেরুতে দেখেছেন।