admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ২৩ নভেম্বর, ২০২১ ১০:৩৩ পূর্বাহ্ণ
বাংলাদেশের পরিকল্পনামন্ত্রী বলেছে ১০০ টাকা বরাদ্দ দিলে গ্রামে যায় ১০ টাকা। পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, কোনো কোনো ক্ষেত্রে অনিয়ম হয়ে থাকে। দেখা যায়, ১০০ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হলে গ্রামে গিয়ে পৌঁছায় ১০ টাকা। আজ সোমবার, ২২ নভেম্বর, রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে এলডিসি গ্রাজুয়েশন নিয়ে এক সংলাপে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা ড. আব্দুল মঈন খান। তাকে উদ্দেশ করে মন্ত্রী বলেছেন, হেলিকপ্টারে চড়ে গ্রামের বাড়িতে যান। দেখতে পাবেন গ্রামে আর খড় ও ছনের বাড়ি নেই।
সবার জন্য উন্নয়ন করছে বর্তমান সরকার। ড. মঈন খান দেশের উন্নয়ন নিয়ে প্রশ্ন তোলায় এ জবাব দেন মন্ত্রী। এ সময় পরিকল্পনা মন্ত্রী আরো বলেন, রুট লেভেল থেকে উন্নয়ন করছে সরকার। দেশে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। এমন কোনো সংবাদ কোথাও পাওয়া যায়নি যে, করোনা সংকটের মধ্যে রাতে না খেয়ে ছিল কেউ। এম এ মান্নান বলেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে বৈষম্যের পক্ষে নই। কিন্তু তারপরও বলব, কি ইউরোপ আর কি যুক্তরাষ্ট্র, সবখানে বৈষম্য আছে। আর বাংলাদেশের বর্তমান সরকার রুট লেভেল থেকে উঠে আসা। তাই তারা সবার সার্বিক উন্নয়নে কাজ করছে।
পরিকল্পনামন্ত্রী আরো বলেন, মিস ইউজ যে কিছু জায়গায় হচ্ছে না, সেটা বলা যাবে না। কেন্দ্রে থেকে ১০০ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হলে ঠিকাদারের মাধ্যমে সেটা সাব-ঠিকাদারের কাছে যায়। সাব-ঠিকাদার আবার তার সাব-ঠিকাদারের হাতে পাঠায়। এভাবে নানা হাত বদলের কারণে বরাদ্দকৃত ১০০ টাকা গ্রামে গিয়ে পৌঁছতে ১০ টাকায় গিয়ে ঠেকে। অবশ্য বর্তমান সরকার চেষ্টা করছে এই বলয় ভেঙে ফেলার।
এম এ মান্নান বলেন, দেশের স্বাস্থ্যসেবার জন্য সরকার কাজ করেছে বলেই আজ আয়ু বেড়ে ৭৬ হয়েছে। মাথাপিছু আয়ের দিক থেকে বাংলাদেশ ভারত ও পাকিস্তানকে ছাড়িয়ে গেছে। সত্যিকার অর্থে হিসাব করলে মাথাপিছু আয় ৩ হাজার ডলার ছাড়িয়ে যাবে। আমি মনে করি, আর পেছনে ফেরার সুযোগ নেই। আগামী ২০৩০ সালে মাথাপিছু আয় ৪ হাজার মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে যাবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজের চেয়ারম্যান ড. মানজুর আহমেদ চৌধুরী। অন্যদের মধ্যে বাংলাদেশে নিযুক্ত বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি টেম্বন, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী শেখ শহীদুল ইসলাম, বিএনপি নেতা ড. আব্দুল মঈন খান প্রমুখ সংলাপে অংশ নেন।