admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ২ জুন, ২০২৪ ৯:০৪ অপরাহ্ণ
আব্দুল্লাহ্ আল মামুন,পঞ্চগড় প্রতিনিধি: পঞ্চগড়ে গৃহবধূকে সঙ্ঘবদ্ধ ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় শহিদুল ইসলাম কাবুল (৪২) ও নাজমুল হুদা (৪৫) নামে দুই ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড করা হয়েছে। অনাদায় আরও এক বছর কারাদণ্ডের আদেশ প্রদান করা হয়েছে। রবিবার (২ জুন) দুপুরে পঞ্চগড় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) বিএম তরিকুল কবির এ দণ্ডাদেশ দেন।
এ সময় তিনি মামলার উপর দুই আসামি কাবুল ইসলাম ও রবিউল ইসলামকে খালাস দেন। দণ্ড প্রাপ্তরা হলেন, জেলার সদর উপজেলার অমরখান ইউনিয়নের নিমাইপাড়া এলাকার আব্বাস উদ্দিনের ছেলে শহিদুল ইসলাম কাবুল এবং একই ইউনিয়নের গোলাবাড়ি এলাকার জহির উদ্দিনের ছেলের নাজমুল হুদা।
আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর মজির উদ্দিন নামে এক ব্যক্তি পঞ্চগড় সদর থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত শেষের ২০১৬ সালের ৩০ নভেম্বর আদালতে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন পুলিশ। অভিযোগ পত্রে চারজনকে অভিযুক্ত করা হয়। মজির উদ্দিন পঞ্চগড় সদর উপজেলার হরিভাসা ইউনিয়নের ঢাঙ্গিপুরী এলাকার মৃত কাসিম উদ্দিনের ছেলে।
মামলায় উল্লেখ করা হয়, মুজির উদ্দিনের ছোট বোন নুরিনা বেগম ২০১৫ দলের ৪ সেপ্টেম্বর স্বামীর বাড়ি বোদা উপজেলার সাকোয়া এলাকা থেকে বেড়াতে এসেছিল তার বাড়িতে। পরদিন ৫ সেপ্টেম্বর সেখান থেকে বড় বোনের বাড়ির উদ্দেশে বের হয়ে নিখোঁজ। এরপর প্রায় ১০ দিন পর অর্থাৎ ১৫ সেপ্টেম্বর তার গলিত মরদেহ পাওয়া যায় অমর খানা ইউনিয়নের প্রধান পাড়া মৌজার একটি ইউক্লিপ্টাস বাগানে। সেসময় তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছিলো।
এ বিষয়ে আদালতের স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি)আজিজুর রহমান আজু মুুক্ত কলমকে জানান দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া শেষে দুইজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ৯ এর ৩ প্যানেল কোডের ৩০২ ধারা মতে এই রায় দেন। আর অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় অপর দুইজনকে খালাস দিয়েছে আদালত।