admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ১৪ জুলাই, ২০২১ ১২:০৭ অপরাহ্ণ
নেপালের শের বাহাদুর দেউবা পঞ্চমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হলেন। নেপালের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন দেউবা। আদালতের নির্দেশে আজ মঙ্গলবার তাকে নিয়োগ দেন প্রেসিডেন্ট বিদ্যা দেবী ভাণ্ডারি। নেপালি প্রেসিডেন্ট কার্যালয়ের বরাত দিয়ে এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। এর আগে গতকাল সোমবার নেপালের সুপ্রিম কোর্ট দেশটির ভেঙে দেওয়া পার্লামেন্ট পুনর্বহালের নির্দেশ দেয়। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে কে পি শর্মা অলিকে সরিয়ে ৭৫ বছর বয়সী দেউবাকে প্রধানমন্ত্রী করার নির্দেশ দেয় দেশটির সর্বোচ্চ আদালত।
তার পর আজ মঙ্গলবার তাকে নিয়োগ দেওয়া হলো। এর আগে ৪ বার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন নেপালি কংগ্রেস পার্টির নেতা শের বাহাদুর দেউবা। তবে যখনই তিনি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়েছেন তখনই কোনো না কোনো বড় ঘটনার সম্মুখীন হয়েছেন। এবারো যখন দায়িত্ব নিলেন তখন দেশজুড়ে চলছে করোনার মহামারি। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি কয়েক মাসের মধ্যে আস্থা ভোটে হেরে গিয়ে দুই বার পার্লামেন্ট ভেঙে দিয়েছেন কেপি শর্মা অলি। তার এই পদক্ষেপকে অসাংবিধানিক বলে রায় দিয়েছে দেশটির উচ্চ আদালত।
গত বছরের ডিসেম্বরে অলির পরামর্শে প্রেসিডেন্ট বিদ্যা দেবী প্রথম পার্লামেন্ট ভেঙে দেন। এর পর পার্লামেন্টে যে আস্থা ভোট অনুষ্ঠিত হয় তাতে হেরে যান অলি। কিন্তু বিরোধীরা পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে না পারায় সে যাত্রায় প্রধানমন্ত্রী পদে টিকে যান তিনি। তবে নিজের অবস্থান শক্তিশালী করার লক্ষ্যে গত মে মাসে আবারো পার্লামেন্ট ভেঙে দেন অলি। তার এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতে যান পার্লামেন্ট সদস্যরা। এরই পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবারের (আজ) মধ্যে দেউবাকে প্রধানমন্ত্রী করার নির্দেশ দেয় আদালত।
তবে প্রধানমন্ত্রী পদে টিকে থাকতে হলে আগামী মাসেই পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট নিশ্চিত করতে হবে দেউবাকেও। সেটা করতে না পারলে নতুন প্রধানমন্ত্রী দেউবাও কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ তাকে সমর্থন দেওয়া সিপিএন-ইউএমএল নেপালি কংগ্রেস জোটের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ফলে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে না পারলে দেউবাকেও পার্লামেন্ট ভেঙে দিতে হতে পারে।