admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ১ অক্টোবর, ২০২৩ ৫:১৫ অপরাহ্ণ
মোঃ মুজাহিদুল ইসলামঃ গাজীপুর মহানগর আওতাধীন কোনাবাড়ী পল্লী বিদ্যুৎ রোড়ের পুকুরপাড় ও কাশিমপুর রোডের জরুণ এলাকায় অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করিতে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষের এতো গড়িমশি কেন, এলাকাবাসীর অভিযোগ ? ৫ ই আগস্ট গাজীপুর তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড গাজীপুর জোনাল অফিসের ডিএমডি বরাবর লিখিত অভিযোগ করার পরও প্রায় দুই মাস অতিবাহিত হলেও এখনও বিচ্ছিন্ন করা হয়নি। কোনাবাড়ী থানার আওতাধীন পল্লী বিদ্যুৎ রোডের পুকুরপাড় এবং কাশিমপুর রোডের জরুণ এলাকার অবৈধ গ্যাস সংযোগ।
কোনাবাড়ী থানার পল্লী বিদ্যুৎ রোডের মোঃ সাইফুল ইসলামের পোল্ট্রি ফার্মের বাড়ী, ডাক্তার বাড়ী ও ডাক্তার বাড়ীর সামনের বাড়ী, আনোয়ারের বাড়ী, শহিদের কাশেম ভিলা, তাইজুলের বাড়ী, রতনের বাড়ী, শাহজাহানের বাড়ী, নুরুল ইসলামের বাড়ী, মার্সেল শোরুমের সাথে নুরুর বাড়ী, হাবীবের বাড়ী, নোয়াখালীর বাড়ী, স্ট্যান্ডার্ট গার্মেন্টসের সাথে রউফ মেম্বারের বাড়ী, শুক্কুর আলীর বাড়ী উল্লেখযোগ্য। এ সকল বাড়ীগুলোতে প্রায় সাত শতের অধিক অবৈধ চুলা ব্যবহার করিয়া আসিতেছে উপরোক্ত বাড়ীর মালিকগণ।
যার ফলে সরকার প্রতি মাসে প্রায় সাত লক্ষ টাকার অধিক সরকারী রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অপরদিকে কাশিমপুর রোডের কেয়া কসমেটিকস এর দক্ষিণে জরুণ চৌরাস্তার উত্তরে অবস্থিত রহমান মাস্টারের বাড়ী, রাজা মিয়ার বাড়ী, বাচ্চু মিয়ার বাড়ী, বাদলের বাড়ী, শাহজাহানের বাড়ী, মজিবুর খানের বাড়ী, শিশিরের বাড়ী, বিজয় কুমারের বাড়ী, জরুণ চৌরাস্তার পশ্চিমে রুবেলের বাড়ী উল্লেখযোগ্য। এ সকল বাড়ীতে প্রায় এক হাজারের অধিক অবৈধ চুলা ব্যবহৃত হচ্ছে, যার ফলে সরকার প্রতি মাসে প্রায় দশ লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকার অধিক রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
প্রতি মাসে এই দুটি এলাকা থেকে সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে প্রায় সতের লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা যাহা বাৎসরিক ক্ষতির পরিমান প্রায় দুই কোটি দশ লক্ষ টাকা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধীক ব্যক্তিবর্গ জানান, অবৈধ গ্যাস লাইন ব্যববহারের কারণে আমাদের বৈধ গ্যাস লাইনে গ্যাস কম পাচ্ছি। আমাদের কথা গ্যাস অফিস কোন কর্ণপাত করে না। অবৈধ গ্যাস ব্যবহারকারীরা এলাকার নেতা ও তিতাস গ্যাসের কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে মাশুহারা দেওয়ার কারণে তিতাস গ্যাসের আঞ্চলিক অফিসে অভিযোগ করেও কোন লাভ হয়নি। এমনকি অবৈধ গ্রাহকগণ বলেন, গ্যাস লাইন দিনে বিচ্ছিন্ন করিলেও রাতে আবার পূনঃসংযোগ দিয়ে দেই। কারণ, আমরা সবাইকে মাশুহারা দিচ্ছি।
এ বিষয়ে গণমাধ্যমকর্মী একাধিকবার তিতাস গ্যাসের বিভিন্ন কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সহিত যোগাযোগ করার জন্য চেষ্টা করিলে তিতাসের কোন কর্মকর্তা যোগাযোগ করতে চাননি। তিতাস গ্যাস চন্দ্রা আঞ্চলিক অফিসের ম্যানেজার মাহবুবের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করেও কোন সাড়া পাওয়া যায়নি। যদিও তিনি জনগণের সেবক কিন্তু জনগণকে সেবা দিচ্ছেন না, বরং গণমাধ্যমকর্মীদেরকেও পাত্তা দিচ্ছেন না। জনগণ জানতে চায়?তিতাস গ্যাস অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের এত ক্ষমতার আড়ালে কে? চলবে