admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১:০৯ অপরাহ্ণ
একাধিকবার তিতাসের অফিসে জানানো হয়েছে, তারা কর্ণপাত করেনি। নারায়ণগঞ্জের বায়তুস সালাত জামে মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনায় ঘুরেফিরে আসছে তিতাস গ্যাসের নাম। মসজিদের নিচ দিয়ে গেছে গ্যাসের লাইন। সেই লাইন লিকেজ হয়ে মসজিদের টাইলসের ফাঁক গলে গ্যাস বেরুতো দীর্ঘদিন ধরে। গ্যাস জমতে জমতে একসময় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে একাধিকবার তিতাসের স্থানীয় অফিসে জানানো হয়েছে, কিন্তু তারা কর্ণপাত করেনি।
৫১ সদস্য বিশিষ্ট মসজিদ কমিটির ধর্মবিষয়ক সম্পাদক মাওলানা মোহাম্মদ আল-আমিন বলেন, আমরা লিখিত অভিযোগ জানাইনি, স্বীকার করছি এটা আমাদের ভুল ছিল। তবে মৌখিকভাবে তাদেরকে অনেকবার জানানো হয়েছে। ঘটনার ২০ দিন আগেও মসজিদ কমিটির সভাপতি গফুর মেম্বারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল অভিযোগ জানিয়ে এসেছে তিতাসের কাছে।
মাওলানা মোহাম্মদ আল-আমিন আরো বলেন, প্রতিদিন নামাজ পড়তে এলেই গ্যাসের গন্ধ পেতাম। এক পর্যায়ে এটা আমাদের কাছে সহনীয় হয়ে গিয়েছিল। তবে দিন দিন গন্ধ বাড়ছিল। শুধু তলদেশ নয়, মসজিদের সামনে দিয়েও গেছে গ্যাসের রাইজার ও লাইনগুলো। চাইলে তিতাস কর্তৃপক্ষ ১ ঘণ্টার মধ্যেই এর সমাধান করতে পারতো, কিন্তু তারা করেনি। এই গাফিলতির কারণেই এতগুলো মানুষের প্রাণ ঝরছে।
ক্ষতিগ্রস্ত মসজিদ, এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৩ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। গতরাতে মারা গেছেন ৪ জন, আজ (রোববার) সকালে সেই তালিকায় আরও ১ জন যুক্ত হওয়ায় মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ২৩-এ। তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. পার্থ শংকর পাল। মৃতদের তালিকায় আছেন মসজিদটির ইমাম ও মুয়াজ্জিন।