admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ১৩ অক্টোবর, ২০২১ ১:২৭ অপরাহ্ণ
রিড্ডুইন নিংদার, স্টাফ রিপোর্টার, ইন্দোনেশিয়াঃ ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদো বলেছেন, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রগুলোতে ডিজিটালাইজেশনের গতি বাড়াতে পারলে ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বের সপ্তম বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হবে দেশ। গতকাল সোমবার ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস অথরিটি (ওজেকে) আয়োজিত ভার্চুয়াল ইনোভেশন দিবসে তিনি এসব কথা বলেন। ভিয়েতনাম প্লাস জানিয়েছে, উইদোদো বলেন, যদি আমরা এটিকে দ্রুত এবং সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করি, তাহলে চীন ও ভারতের পর ডিজিটাল জায়ান্ট হওয়ার বড় সম্ভাবনা রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার এবং সপ্তম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ আমরা হতে পারব।

ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদো।
খবরে বলা হচ্ছে, বর্তমানে কোভিড মহামারির মধ্যেও ইন্দোনেশিয়ায় ডিজিটালাইজেশন দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ডিজিটাল ব্যাংক, ডিজিটাল বীমা কোম্পানি, ইলেকট্রনিক পেমেন্ট কোম্পানি (ই-পেমেন্ট) এবং প্রযুক্তিভিত্তিক আর্থিক সেবা (ফিনটেক) জনসাধারণের কাছে আরও সহজলভ্য হয়ে উঠছে। তবে ডিজিটালাইজেশনের কারণে বিভিন্ন প্রতারণা এবং অন্যান্য আর্থিক অপরাধের আবির্ভাবও ঘটেছে। ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট বলেন, ওজেকে ও আর্থিক পরিষেবা শিল্পের বিকাশ বজায় রাখা এবং তদারকি করতে হবে। ডিজিটাল অর্থনৈতিক নীতিমালা স্থাপন করতে হবে। আইনি ও সামাজিক সমস্যাগুলোর ঝুঁকি হ্রাস না করা হলে সম্প্রদায়গত বিভাজনসহ নানা সমস্যা তৈরি হবে।
সেক্ষেত্রে ডিজিটাল উন্নয়ন অবশ্যই সমস্যা সমাধানে সহায়তা করবে। ইন্দোনেশিয়ার অর্থনীতি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম এবং বিশ্বের উদীয়মান বাজার অর্থনীতির একটি। নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশ এবং জি-২০ এর সদস্য হিসেবে দেশটি এখন নতুন শিল্পোন্নত দেশের কাতারে। জিডিপি দ্বারা বিশ্বের ১৫তম বৃহত্তম অর্থনীতি এবং জিডিপির (পিপিপি) পরিপ্রেক্ষিতে সপ্তম বৃহত্তম অর্থনীতি। ২০১৯ সালে ইন্দোনেশিয়ার ডিজিটাল অর্থনীতি যেখানে ৪০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছিল, ২০২৫ সালের মধ্যে তা ১৩০ বিলিয়ন ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ইন্দোনেশিয়ার অভ্যন্তরীণ বাজার ও সরকারি বাজেট ব্যয় রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন উদ্যোগের (কেন্দ্রীয় সরকার ১৪১টি উদ্যোগের মালিক) উপর নির্ভর করে। বাজার অর্থনীতিতে খাদ্য ও জ্বালানির মূল্য নির্ধারণেও প্রশাসন গুরুত্বপূর্র্ণ ভূমিকা পালন করে। ১৯৯০ এর দশক থেকে অর্থনীতির সিংহভাগ পৃথকভাবে দেশীয় ও বিদেশি কোম্পানি নিয়ন্ত্রণ করে আসছে।