জামরুল গাছের ডালে বসে থাকা – সেই হলুদপাখিটা আজ মারা গেল! কে যেন ওকে খাঁচায় বন্দী রেখেছিল…. মহীনের ঘোড়াগুলো উদভ্রান্ত হয়ে ছুটছে – ঠিকানাহীন…… আস্তাবলটা...
একটা সময় ছিলো যখন প্রতিটা রাত ছিলো রঙ্গিন স্বপ্নেরা আসতো সেই ভোরের দিকে——- যখন ঘুমের অবকাশ পেতাম—— সেখানে স্বপ্নের উড়ে বেড়াতো হলুদ প্রজাপতির ডানায়। এখনো...
আক্রান্ত সময়গুলো এখন বিচার চায়… রাতবিরেতে আমায় ঘুমুতে দেয় না! আকাশের গায়ে কল্পিত বিচারসভা বসিয়ে দিই, চোখের সামনে কত অপরাধী ভেসে ওঠে- সবাই বিচারের অপেক্ষায়!...
গাছকে বাঁচাতে হলে গাছ কেটে কাগজ তৈরি করে তাতে লিখে রাখতে হয় না সমীকরণ গাছের পাশে আরো একটা গাছ লাগাও দেখো কি সুন্দর ভ্রাতৃত্ববোধ বেড়ে...
রমাপদবাবুর খাঁচাটা – ফাঁকা হয়ে গেল, এই তো আজ সকালে! বহুদিনের পোষা ময়নাটা আর নেই….. কেউ বলছে উড়ে গেছে, কেউ বলছে রোগেই…. অনেকে অনেক কথা...
আমি যদি বৃষ্টি হতাম তবে এক ভালোবাসার আবেশে জড়িয়ে রাখতাম আমি যদি বৃষ্টি হতাম তবে কি অবলিলায় তোমার ঠোঁট যুগল ছুয়ে দিতাম।আমি যদি বৃষ্টি হতাম...
একটু টুকরো রূপোলি আলোর রেখা যেন কালো ফ্রেমের আকাশে… করোনাসুর মুছে দিচ্ছে… শতাব্দী লালিত বজ্জাতির নোংরা শ্যাওলা… জাত,ধর্ম, বর্ণের মিথ্যে অহংকার তছনছ… সাম্যবাদও যা পারেনি...
নদীতে ভেসে যাওয়া লাশেরও মূল্য আছে, তাই শকুন ওড়ে আকাশে… শোক সভার অবকাশ নাই, তাই গণচিতা জ্বলে দাউদাউ করে… শুধুই সেই মেয়েটি চোখ মোছে আকাশের...
প্রেম থাকুক প্রতিটি মনে, শত প্রতিকুলতায় হার না মেনে। প্রেম সেতো অবিনশ্বর, কেনো হবে তা মলিন, ধুসর। প্রেমময় জীবন, প্রেমে বাস, জীবনে রবে না দীর্ঘশ্বাস।...
মেঘগর্জন, বিদ্যুৎ চমক- উড়ছে ঝরাপাতা, নাম না জানা পাখি ওগো – পাঠালাম এই বার্তা! ঘরের কোণে, মনের সুখে – ভাবছ আমার কথা? এই হৃদয়ে আছে...