মেঘগর্জন, বিদ্যুৎ চমক- উড়ছে ঝরাপাতা, নাম না জানা পাখি ওগো – পাঠালাম এই বার্তা! ঘরের কোণে, মনের সুখে – ভাবছ আমার কথা? এই হৃদয়ে আছে...
নদীতে ভেসে যাওয়া লাশেরও মূল্য আছে, তাই শকুন ওড়ে আকাশে… শোক সভার অবকাশ নাই, তাই গণচিতা জ্বলে দাউদাউ করে… শুধুই সেই মেয়েটি চোখ মোছে আকাশের...
প্রেম থাকুক প্রতিটি মনে, শত প্রতিকুলতায় হার না মেনে। প্রেম সেতো অবিনশ্বর, কেনো হবে তা মলিন, ধুসর। প্রেমময় জীবন, প্রেমে বাস, জীবনে রবে না দীর্ঘশ্বাস।...
পাহাড় কেনার সামর্থ কোনোদিনই ছিল না তবু বহুবার ভেবেছি যদি মিছিলে হেঁটে যাওয়া যেত- কিংবা মিছিলের নায়ককে বলা যেত চলো হেঁটে যাই আগামী জীবন পর্যন্ত...
বেসেছি ভালো এতো বেশি কাঁদি এখন দিবানিশি। হৃদয় আমার মানে না বারণ, গুমরে গুমরে কাঁদে অকারণ। আমার হৃদয়ের হাহাকার…….. আর বুক ফাটা আর্ত চিৎকার, পৌঁছাবে...
দেহগত বিলীন হয়ে যাওয়া মা’কে আসলে আমি হারাইনি! অন্তরাত্মার আবেগঘন ক্যানভাসে – এঁকে রেখেছি! তবুও হতাশার মাঝদরিয়ায়, জীবনতরী যখন টলমল করে – তখন মা’কে খুঁজে...
এক হাতে কাটিকুটি একা হাতে রান্না করি তারই সাথে ছন্দ খুঁজি ছন্দ গুলো কবিতায় জুড়ি । চাকরি করেন যারা আধুনিক কবি তারা তাললয় আর নিয়ে...
কোটি বছর দেখি না তোমায়, কেমন আছো? বললে তুমি- ‘সামান্য দূরত্ব পাড়ি দিয়ে মুখোমুখি দাঁড়াও ‘দেখবে সময় কিছু নয়; প্রেম এক বিস্ময়’। কাঁটাতার ডিঙিয়ে আসতে...
একটা বসন্ত আসে আর চলে যায়… গাছের পাতা সবুজ হয় আবার ঝরে যায়… অথচ, আমার হৃদয়ের গহ্বরে কোনো ঋতু পরিবর্তন নেই। তোমার ঋতুর স্পর্শ যবে...
তোমরা যারা নিয়ে ছিলে গুরু দায়ীত্ব এই একটা মাস করি তোমাদের শ্রদ্ধা নিবেদন ভাষার মাস নামে ক্ষেত বারো মাসের একটি মাস ফেব্রুয়ারি বাংলায় ফাগুন মাসটাও...