নষ্ট হতে গিয়েছি আমি সমুদ্রতট রেখায়, যেখানে ভালেবাসার গন্ধ শুধু আমার। বনভূমির চেয়ে অধিক সবুজ এ হৃদয়, তবু সব ফুল ঝরে গেছে পৃথিবীর দুঃসময়। বিষাদ...
তোমার অবাধ্যতায় আর বিস্মিত হই না, ওটা তোমার অলংকার! তোমার জীবনের অনাহুত অতিথির মূল্য দিতে পারবে না, এখন তোমার মনে আতঙ্ক হানা দেয়….. জীবনযুদ্ধে তুমি...
ঐ এক টুকরো প্রাণে কি লুকিয়ে আছে…? ঐ এক টুকরো দৃষ্টিতে কি সম্মোহন আছে….? আমি জানি না… সত্যি জানি না.. শুধু জানি কে যেন টুথ...
গায়েতে জড়িয়ে গেছে উলের মত মায়া চাদরের মত ভালোবাসা সান্ত্বনায় ঢেকে রাখে, কোনোদিনো তাকে পাবেনা জেনেও। মুখের কথা আর সরে না আঘাত পেয়ে পেয়ে ভয়ে...
অলীক ভাবনায় আচ্ছন্ন মনের কোণে হঠাৎ নতুন আশার বিজলি হেনে যায় । মন মৃদু হেসে বলে, জানো না, তোমায় গান শোনাব তাই আমার সকল নিয়ে...
যেও না তুমি কার্তিকের জ্যোৎস্নার প্রান্তরে, আগুন ভরা রাত্রির হাওয়ায় হেসে উঠলে তুমি! কি স্বাভাবিক! যেন তোমাকে সৃষ্টি করেছি- হলুদ পাতার শিশিরের মতো। কোন একদিন...
বৃষ্টি এল এই অরণ্যে উঁচু উঁচুপাইনের মাথা হাওয়ায় দুলতে থাকে ঘাসে ঘাসে চিকচিকে জলের অজস্র ফোঁটা এক হয়ে মাটি ভেজায় কতদিনের শুকনো মাটি চাতকের মত...
রাতগুলো আমাকে গিলে গিলে খায় অজগর হাঁ অনিদ্রা চোখ জাগায় স্মৃতির সরণী বিথার অতীত মাখা রক্তবিমোক্ষণে অবিশ্বাস সবিস্ময় বিছানায় উধাও ঘুম প্রশ্নরা জেগে থাকে চিন্তার...
হেমন্তের বিকেলের ডিম রাঙা সূর্য্য পাইন বনের ওপারে দীর্ঘ ছায়া ফেলে সমুদ্রের জলের আয়নায় মুখ দেখে । তখন নিঃস্তব্ধতা, কচি পাতার ঘ্রাণ, কালপুরুষের দীর্ঘ ছায়া...
এভাবেই থাকো মন খারাপের অলি গলি ঘুরে… একটু একটু করে ফাঁকা রাস্তায় কিছু কুহেলিকার আবরণ মেখে.. চ্যাংড়াবাঁধা মোড়, জামালদহ হয়ে ঘুঘুমারি ঘুরে আবার তোমার কাছে…...