এবিএম আহাসানুর রহমান লাবু,স্টাফ রির্পোটার || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ৭ অক্টোবর, ২০২৬ ৩:১৫ অপরাহ্ণ
কালিয়াকৈরে প্রেমিকের ভাড়া বাসায় বেশ কয়েকবার শারীরিক সম্পর্কের পর দিয়া বণিকের (১৮) মৃত্যুর ঘটনায় ধর্ষণ ও হত্যা মামলা হয়েছে। সূত্র জানায়, প্রেমিকের সঙ্গে কয়েক দফা শারীরিক সম্পর্কের পর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে এই মেধাবী শিক্ষার্থীরা মৃত্যু হয়। ঘটনায় অভিযুক্ত প্রেমিক শান্ত পালকে (২৭) আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে নিহতের পরিবার ও স্বজনরা।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে অভিযুক্ত শান্ত পালকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে গাজীপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা যায়। সূত্র জানায়, ভালুকার এই তরুণীর প্রায় তিন বছর ধরে (তার বড় ভাইয়ের শ্যালিক)শান্ত পালের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল।
৪ অক্টোবর দুপুরের দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত তরুণী ময়মনসিংহের একটি কলেজ থেকে ২০২৬ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য তিনি ময়মনসিংহের একটি কোচিং সেন্টারে ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করছিলেন। সূত্রে জানায়, আত্মীয়তার সূত্রে ওই তরুণীর গ্রামের বাড়িতে শান্ত পালের যাতায়াত ছিল। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। রোববার সকাল ৮টার দিকে ওই তরুণী প্রতিদিনের মতো কোচিং সেন্টারে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হন। ওইদিন মোবাইলফোনে যোগাযোগ করে শান্ত পাল তার সহযোগী আনোয়ার হোসেনের সহায়তায় তাকে কালিয়াকৈরে তার ভাড়া বাসায় নিয়ে যান।
দুপুর ১২টার দিকে শান্ত পাল তাকে ধর্ষণ করেন। পরে তার অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ শুরু হলে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এরপর শান্ত পাল অ্যাম্বুলেন্সে করে মরদেহ তার গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যান। বাড়িতে গিয়ে শান্ত পাল জানান, খিঁচুনি ওঠার পর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল এবং চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে তার কথাবার্তায় পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। পরে মরদেহে ও পোশাকে রক্তের চিহ্ন দেখতে পেয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে এক পর্যায়ে শান্ত পাল ঘটনার কথা স্বীকার করেন।