ইব্রাহিম আলম সবুজ, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ২৬ জুন, ২০২৬ ৫:০১ অপরাহ্ণ
কুড়িগ্রামের রাজারহাট তিস্তার পূর্ব তীররক্ষায় চলমান কাজে আবারও ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। ২৬শে জুন ২০২৬ইং শুক্রবার সকাল থেকে কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের ১নং রামহরি মৌজায় এই ভাঙ্গন শুরু হয়।
ইতিমধ্যে ইদ্রিস আলী,শহিদুল হক ও আতাউল ইসলামের বসতবাড়ী তিস্তা নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।তারা অন্যের জায়গায় তাদের বসতবাড়ী সরিয়ে নিয়েছেন। শুক্রবার সকালে এই ভাঙ্গন শুরু হলে স্থানীয় সচেতন নাগরিক মিলন মিয়া তার ফেসবুক আইডি তে তিস্তা নদী ভাঙ্গনের চিত্র তুলে ধরে ফেসবুকে পোস্ট দেন।
এরপরে প্রতিবেদক সরেজমিনে গিয়ে তিস্তার ভয়াবহ ভাঙ্গন প্রত্যক্ষ করেন এবং ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর সাথে কথা বলেন।
উল্লেখ তিস্তার পূর্ব তীর সংরক্ষণ কাজে ৪০ টি প্যাকেজের প্রায় শত কোটি টাকার কাজ চলমান আছে। এই চলমান কাজের মধ্যে উপজেলার বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের রামহরি মৌজায় তিস্তার এই ভাঙ্গনে এলাকাবাসী সংকিত হয়ে পড়েছেন। ৩ টি বাড়ি সরিয়ে নেওয়া হলেও এখনো ঝুকিতে আছে প্রায় ২০/
২৫ টি বাড়ি। ইতিমধ্যে ওই মৌজার অর্ধেক অংশ তিস্তা নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।
ভাঙ্গণ রোধে দ্রুত প্রতিকার চেয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহযোগীতা কামনা করেন এলাকাবাসী। স্থানীয় ব্যক্তি জাহেরুল ইসলাম মাওলানা চলমানের কাজের ধীরগতির অভিযোগ এনে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি সাংবাদিক কে জানান পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসডি ময়দুল হক যেন ঠিকাদারেই লোক নইলে ৪০টি প্যাকের কাজ কি করে একজন লেবার সর্দারেই পান।কাজের ধীরগতির কারণে এখনো ৪০ হাজার জিও ব্যাগের ডাম্পিং নিয়ে শংকা প্রকাশ করেন তিনি।ডাম্পিং সম্পুর্ণ করতে না পারলে বরাদ্দকৃত জিও ব্যাগ বাতিল হয়ে যাবে,এতে এলাকাবাসীর ক্ষতি হবে।
বিদ্যানন্দ ইউনিয়ন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সদস্য সচিব মজিদুল ইসলাম জানান পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলেছেন তারা দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। যত দ্রুত সম্ভব একটি প্যাকেজের বরাদ্দ দেওয়ার কথা জানান।
এই বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী ময়দুল ইসলাম কে তিস্তার ভাঙ্গণ এবং পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে তার হোয়াইস আপস নাম্বারে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান দ্রুত পদক্ষেপ নিতে ইতিমধ্যে ঠিকাদার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে কাল পরশুর মধ্যে কাজ শুরু করা হবে।