উত্তম শর্মা, বীরগঞ্জ দিনাজপুর প্রতিনিধি || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ৪ মে, ২০২৬ ১১:৩১ অপরাহ্ণ
দিনাজপুরের বীরগঞ্জে প্রতারণা মামলায় নাম জড়ানোকে কেন্দ্র করে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত একটি সংবাদে নিজের ছবি ও নাম ব্যবহার করা হয়েছে দাবি করে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী মো. শফিকুল ইসলাম।
সোমবার (৪ মে ২০২৬) বিকাল ৫টায় বীরগঞ্জ মডেল প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি এ অভিযোগ করেন। লিখিত বক্তব্যে শফিকুল ইসলাম বলেন, গত ৩ মে ২০২৬ তারিখে কয়েকটি ফেসবুক আইডি থেকে “আদম পাচার ১৭ লাখ ২৫ হাজার টাকার প্রতারণা: ভুক্তভোগীদের সংবাদ সম্মেলন ও মামলা দায়ের” শিরোনামে একটি সংবাদ প্রচার করা হয়। এতে সংবাদ সম্মেলনে অংশগ্রহণকারীদের ছবি, দুইজন অভিযুক্তের ছবি এবং তার ভেরিফাইড ফেসবুক প্রোফাইল ছবি সংযুক্ত করা হয়, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর।
তিনি জানান, বিষয়টি নজরে আসার পরপরই তিনি বীরগঞ্জ প্রেসক্লাবে গিয়ে মৌখিক প্রতিবাদ জানান এবং সংশ্লিষ্ট মামলার কপি সংগ্রহ করেন। মামলা নম্বর CR-207/2026 (তারিখ: ২৭ এপ্রিল ২০২৬)-এ তাকে ২নং আসামি করা হয়েছে।
শফিকুল ইসলাম দাবি করেন, মামলার বাদী শাহনাজ পারভীনের সঙ্গে তার কোনো পরিচয় নেই এবং তিনি জীবনে কখনো তাকে দেখেননি। তিনি আরও অভিযোগ করেন, ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে বাদী তাকে হুমকি দেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, তার মালিকানাধীন ‘পেসেন্ট কেয়ার প্রাইভেট হাসপাতাল’ এ সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা রয়েছে। অভিযোগে উল্লিখিত দিনে বাদী বা সংশ্লিষ্ট কেউ তার প্রতিষ্ঠানে আসেননি। বিষয়টি যাচাইয়ের জন্য তিনি থানায় সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনার অনুরোধ জানিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, মামলার ১নং আসামি আমার বড় ভাই হলেও দীর্ঘদিন ধরে তাদের মধ্যে কোনো পারিবারিক যোগাযোগ নেই বলে তিনি দাবি করেন। নিজের সম্পৃক্ততা সম্পূর্ণ অস্বীকার করে শফিকুল ইসলাম বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। একটি মহল আমার সুনাম ক্ষুণ্ণ করতে অপপ্রচার চালাচ্ছে। তিনি এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও গণমাধ্যমের প্রতি নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের আহ্বান জানান।