ডাঃ নুরল হক,বিরামপুর দিনাজপুর প্রতিনিধি || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ৩ মে, ২০২৬ ৯:০০ অপরাহ্ণ
দিনাজপুরের বিরামপুরে দিগন্ত বিস্তৃত বোরো পাকা ধানের মাঠ। শ্রমিক সংকটে ধান কর্তন করতে পারছেন না কৃষক। অতিবৃষ্টি ও বাতাসে পরিপক্ক ধান ক্ষেতে পড়ে থাকায় কৃষকেরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। কৃষক তাইজুল ইসলাম, ফারুক হোসেন, রুবেল জানান, পাকা ধান বাতাসে ক্ষেতের মধ্যে পড়ে যাওয়ায় এবং বৃষ্টির পানি জমিতে জমে থাকায় হারভেস্টার দিয়ে ধান কর্তন করা সম্ভব হচ্ছে না।
শ্রমিক সংকট, তার ওপর শ্রমিকের মজুরীও বেড়েছে। দূরত্ব হিসেবে ধান কর্তন করতে কৃষককে ৪ থেকে ৮ হাজার টাকা গুনতে হচ্ছে। তারা আরো জানায়, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্ব গতিতে তেলের দাম, শ্রমিকের মূল্য, কীটনাশক, সারের মূল্য, সেচের দাম ইত্যাদি সহ প্রতি বিঘা জমিতে প্রায় ১৪ থেকে ১৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। বর্তমান বাজারে প্রতিমন ধান সাড়ে ৮ শত থেকে সাড়ে ৯ শত টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
উৎপাদন খরচ হিসাবে বর্তমান বাজার মূল্যে কৃষকের লোকসান গুনতে হবে বলে তারা মনে করছেন। এবং প্রান্তিক চাষী তারা উৎপাদন খরচ তুলতে পারবেননা । সরকার ধানের উৎপাদন খরচ বিবেচনায় ন্যায্য মূল্য নির্ধারণ না করে দিলে কৃষকেরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
বিরামপুর উপজেলায় কৃষি কর্মকর্তা কমল কৃষ্ণ রায় জানান, উপজেলায় জিরা সাইল ,শম্পা কাটারি, ব্রি ধান-২৮ ব্রি ধান-২৯, হাইব্রিড হীরা-২ এসি আই -২,প্রভৃতি জাতের ১৫ হাজার ২ শত ৫৮ হেক্টর জমিতে বোরো ধানে চাষ হয়েছে। বিরামপুরে উপজেলায় বাম্পার ফলন হবে বলে তিনি আশা পোষণ করেন।