admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ১ ডিসেম্বর, ২০২৪ ১০:৫৩ পূর্বাহ্ণ
ডাঃ নুরল হক, বিরামপুর দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ দিনাজপুরের বিরামপুর আঞ্চলিক মহাসড়ক থেকে ৪ নং দিওড় ইউনিয়ন পরিষদ ইউনিয়ন সংযোগ সড়ক পলাশবাড়ী শিয়ালা যাওয়ার কার্পেটিং রাস্তাটি বিভিন্ন স্থানে ছোট বড় খানাখন্দকের জন্য জনগণ চলাচলে চরম দুর্ভোগের শিকারে পরিণত হচ্ছে। অত্রাঞ্চলের হাজার হাজার জনগণের বিরামপুর শহরে যোগাযোগের একমাত্র রাস্তা। প্রতিদিন শত শত রিক্সা, ভ্যান, অটো রিক্সা, চার্জার, মোটরবাইক, বাইসাইকেল চলাচলে রাস্তাটি ব্যস্ত থাকে।
বিশেষ করে ইউনিয়ন পরিষদের সামনে প্রায় ৫০ গজ রাস্তা ছোট বড় খানাখন্দকে চলাচলের অযোগ্য। স্থানীয় জনগণ জানান, রাস্তার ছোট বড় গর্তে রিক্সার চাকার রিং বেঁকে গিয়েছে ,চার্জার উল্টে পড়ে যাত্রী আহত হয়েছে, প্রসূতি মহিলার খানাখন্দকে রিক্সার ঝাঁকনিতে পেটের ব্যাথা বৃদ্ধি পেয়েছে। শেয়ালা হাইস্কুলের ৯ ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী বলেন, স্কুলে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই রাস্তাটির মধ্যে খানাখন্দক দেখছি।স্থানীয় জনসাধারণের ভাষ্য প্রায় ৫/৬ বছর যাবত রাস্তাটি খানাখন্দকে বেহাল দশা। একাধিক ব্যক্তি জানান , চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক মন্ডল চেয়ারম্যান নির্বাচন হওয়ার আগে ব্যক্তিগতভাবে জনহিতকর জনসেবামূলক অনেক কাজ করেছেন।
গ্রামের রাস্তাঘাট মেরামত, পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা, সুপেয় পানির ব্যবস্থা, দুস্থ গরিব পরিবারের মেয়ের বিবাহের ব্যবস্থা , শিক্ষা ব্যবস্থা , অসুস্থ ব্যক্তির চিকিৎসার ব্যবস্থা ইত্যাদি। ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নির্বাচন হওয়ার পর ব্যক্তিগত উদ্যোগে সেরকম কোনো কাজ লক্ষ্য করা যায়নি। তিনি সেবক এবং সেবা হিসেবে ব্যক্তিগতভাবে খানাখন্দক গুলি ইট-শুড়কি দিয়ে মেরামত করে চলাচলের উপযুক্ত করে তুলতে পারেন। চলমান অত্রাঞ্চলের আবাদকৃত আমন ধান বিরামপুর বাজারে নেওয়ার একমাত্র রাস্তা এটি। যদি রাস্তাটি সংস্করণ করা না হয় তাহলে ধান বুঝাই ভ্যান, রিক্সা, ট্রলিতে ধান বহনে দুর্ঘটনার ঘটতে পারে।
এ বিষয়ে চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক মন্ডল সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, রাস্তাটি খানাখন্দক গুলো রিপেয়ারিং করার জন্য কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। গত ৫ আগস্টের পর আমি একদিনও অফিসে অনুপস্থিত ছিলাম না তথাপি আমার সচিব অভিযোগ দায়ের করেছেন মন্ত্রণালয় বরাবর। বিষয়গুলি নিয়ে খুব ঝামেলার মধ্যে আছি। তবে জনগণের কথা চিন্তা-ভাবনা করে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখবেন বলে জানান।