হোম
আন্তর্জাতিক

স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদে ২ ডিসেম্বর থেকে কপ-২৫ (কনফারেন্স অব পার্টিজ) জলবায়ু শীর্ষ সম্মেলন শুরু হয়েছে

admin || মুক্ত কলম সংবাদ

প্রকাশিত: ৫ ডিসেম্বর, ২০১৯ ২:৩৯ অপরাহ্ণ

cop-25-mknewsbd

ফাইল ছবি

জলবায়ু উদ্বাস্তুরা কোথায় যাবে স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদে ২ ডিসেম্বর থেকে কপ-২৫ (কনফারেন্স অব পার্টিজ) জলবায়ু শীর্ষ সম্মেলন শুরু হয়েছে। চলবে ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত। স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদে ২ ডিসেম্বর থেকে কপ-২৫ (কনফারেন্স অব পার্টিজ) জলবায়ু শীর্ষ সম্মেলন শুরু হয়েছে। চলবে ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত। একবার পরিবেশবিজ্ঞানী ও জলবায়ু পরিবর্তন বিশেষজ্ঞ আতিক রহমানকে জিজ্ঞেস করলাম, সমুদ্রের পানির উচ্চতা বাড়ার ফলে দেশের বিরাট এলাকা যদি ডুবে যায়, তাহলে এই জলবায়ু উদ্বাস্তুরা কোথায় যাবে? দেশে তো জায়গা নেই। তিনি বললেন, আমেরিকায় যাবে! সেখানে তো বিরাট এলাকা বিরান পড়ে আছে। তাঁর যুক্তিটা হলো জলবায়ু সংকট সৃষ্টির জন্য দায়ী দেশগুলোর এক নম্বরে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশগুলো। ওরা এত বেশি তেল ও জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ায় যে আবহাওয়ামণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইড বেশি হারে ছড়িয়ে পড়ছে। ফলে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন দ্রুততর হচ্ছে। মেরু অঞ্চলের বরফ গলছে। সমুদ্রের পানির উচ্চতা বাড়ছে। এটাই হয়েছে আমাদের মতো দেশের জন্য মহাবিপদ। উপকূলবর্তী অনেক অঞ্চল সমুদ্রে তলিয়ে যেতে পারে। লবণাক্ততা বেড়ে চরম সংকট সৃষ্টি করবে। ইতিমধ্যেই এই প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে। স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদে ২ ডিসেম্বর থেকে কপ-২৫ (কনফারেন্স অব পার্টিজ) জলবায়ু শীর্ষ সম্মেলন শুরু হয়েছে। চলবে ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত। আলোচনা হবে ২০৫০ সালের মধ্যে কীভাবে ‘কার্বন নিউট্রালিটি’ অর্জন করা যায়। অর্থাৎ কার্বন নিঃসরণ এমনভাবে কমিয়ে আনতে হবে যেন ইউরোপে শিল্পবিপ্লবের সময়ের বায়ুমণ্ডলের বৈশ্বিক গড় উষ্ণতার চেয়ে ২ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডের বেশি বাড়তে না পারে। এর মধ্যে সীমিত রাখতে হবে। ইতিমধ্যে ১ ডিগ্রি বেড়েছে। পরিবেশবিজ্ঞানীরা বলছেন, ২ নয়, আরও কম দেড় ডিগ্রির মধ্যে সীমিত রাখতে হবে। তাহলে হয়তো বাঁচার আশা আছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মাদ্রিদ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিয়ে বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তন এখন প্রতিটি দেশ, বিশেষ করে বাংলাদেশের মতো জলবায়ুজনিত অরক্ষিত দেশগুলোর জন্য অস্তিত্বের হুমকি হয়ে দেখা দিয়েছে। ২০১৫ সালে প্যারিস শীর্ষ সম্মেলনে ১৮৮টি দেশ সিদ্ধান্তে এসেছিল যেন ২০৫০ সালের মধ্যে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ২ ডিগ্রির বেশি বাড়তে না পারে। এ জন্য কয়লা, তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস নিঃসরণ অন্তত ৩৬ গিগাটনের মধ্যে সীমিত রাখতে হবে। যদিও সেটা ২ ডিগ্রি উষ্ণতা বৃদ্ধি ঠেকাতে যথেষ্ট নয়। এখন গবেষকেরা হিসাব করে দেখছেন, আগামী ২০ বছরে বৈশ্বিক কার্বন নিঃসরণ প্রায় ৪১ গিগাটনে পৌঁছাবে। তার মানে বিপদ আসন্ন (দেখুন, দ্য ইকোনমিস্ট, ২৩-২৯ নভেম্বর ২০১৯)।

ইতিমধ্যে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝাপটা লাগতে শুরু করেছে বিভিন্ন দেশে। আমেরিকাও বাদ যাচ্ছে না। দাবানল, খরা, বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাসে বিশ্বের কয়েক শ কোটি মানুষ আক্রান্ত। আবহাওয়া বিভাগ বলছে, ২০১৯ সালটি হবে তিনটি উষ্ণতম বছরের একটি। জাতিসংঘ মহাসচিব ‘জলবায়ু জরুরি অবস্থা’র কথা বলছেন। বিশ্ব যদি এখনো সংবিৎ ফিরে না পায়, তাহলে অনেক প্রজাতির প্রাণী বিলুপ্ত হয়ে যাবে। কারণ, বৈশ্বিক উষ্ণতা যদি দেড়-দুই ডিগ্রি বৃদ্ধির মধ্যে ধরে রাখতে না পারা যায়, তাহলে ওরা টিকে থাকতে পারবে না। অনেকে বলেন, আগেও অনেকবার উষ্ণায়ন ঘটেছে, কিন্তু প্রাণিকুল বিলুপ্ত হয়নি। তাহলে এবার কেন হবে? এবার হবে, কারণ আগে জলবায়ু পরিবর্তন ঘটেছে হাজার হাজার বছর ধরে। ফলে প্রাণবৈচিত্র্য রক্ষা পেয়েছে। পরিবর্তিত জলবায়ুর সঙ্গে বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণী খাপ খাইয়ে নেওয়ার পর্যাপ্ত সময় পেয়েছে। কিন্তু এবার মাত্র শ খানেক বছরের মধ্যে জলবায়ুর ব্যাপক পরিবর্তন ঘটতে চলেছে। এর ফলে পৃথিবীতে প্রাণের অস্তিত্ব বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আমরা জানি না ভবিষ্যৎ কতটা বিপর্যয়কর হতে পারে। অনেক বিজ্ঞানী বলছেন, নতুন কিছু আবিষ্কার বায়ুমণ্ডলের কার্বন শোষণের উপায় বের করতে চলেছে। যেমন কৃত্রিম সবুজ পাতা বাতাসের কার্বন ডাই-অক্সাইড শুষে নিয়ে অক্সিজেন ফিরিয়ে দেবে। অথবা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বনাঞ্চল ও পতিত জমিতে গাছের চারা উড়োজাহাজে এনে আকাশ থেকে সরাসরি রোপণ করা হবে। এতে প্রতিবছর কোটি কোটি নতুন গাছ জন্মাবে। বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের অভাব থাকবে না। এ রকম আরও অনেক আবিষ্কারের কথা শোনা যায়। কিন্তু কোনোটাই এখনো পরীক্ষিত ও নির্ভরযোগ্য নয়।

তাই এখন আমাদের বিকল্প নবায়নযোগ্য জ্বালানির কথা ভাবতে হবে। সেখানে সৌরশক্তি, বায়ুশক্তি ও জলবিদ্যুতের ওপর বেশি জোর দিতে হবে। তাহলে হয়তো বিপর্যয় এড়ানোর একটা উপায় বের হবে। আমাদের পরিষ্কার বুঝতে হবে, পৃথিবী ধ্বংসের প্রান্তে। সব দেশে গ্রিনহাউস গ্যাস উৎপাদন কমিয়ে ক্রমে শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে হবে। এই মুহূর্তের জন্য এটাই হবে ‘ক্লাইমেট জাস্টিস’ বা জলবায়ু সুবিচার। এর বিকল্প নেই।

মতামত জানান :

Sun Mon Tue Wed Thu Fri Sat
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  

সর্বশেষ খবর

দিনাজপুরের বিরামপুর আঞ্চলিক মহাসড়কে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় ২ জনে মৃত্যু।
দুর্ঘটনা 14 hours আগে

বগুড়ায় বাজার সমিতির সা: সম্পাদক প্রার্থীকে তুলে নিয়ে হাত-পা ভেঙে
অপরাধ 19 hours আগে

সাভারের আমিনবাজারের ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল ৭ দিনের মধ্যে চালুর
ঢাকা 19 hours আগে

নওগাঁয় জামিয়া ইসলামিয়া খাতুনে জান্নাত মহিলা হিফজ ও ক্বওমী মাদ্রাসা।
ধর্ম ও ইসলাম 1 day আগে

দিনাজপুর জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে ২টি প্যানেল থেকে ৩৯ প্রার্থীর
রংপুর 1 day আগে

ঝড়ের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড পঞ্চগড়, নিহত ১, আহত ২ 
দুর্ঘটনা 1 day আগে

পঞ্চগড়ে শিলাবৃষ্টি ও কালবৈশাখীর তাণ্ডবে ফসল ও ঘড় বাড়ির ব্যাপক
দুর্ঘটনা 2 days আগে

সাভারে সংসদ সদস্য ডাঃ দেওয়ান মোহাম্মদকে নাগরিক সংবর্ধনা।
ঢাকা 2 days আগে

কুড়িগ্রামে মাদক বিক্রয়ের সময় যুবক আটক।
অপরাধ 2 days আগে

দিনাজপুরে পবিত্র ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ বিতরণ করলেন
রংপুর 2 days আগে

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম :

কুড়িগ্রামে ঐতিহাসিক আসনে কঠিন চ্যালেঞ্জে জাপা,মাঠ গরম এনসিপি-বিএনপির। হাদীর ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনায় দিনাজপুর সীমান্ত ৪২ বিজিবির রেড অ্যালার্ট জারি। রোহিঙ্গা মেয়েরা পাচার ছাড়াও বিদেশীদের দ্বারা যৌন কাজে ব্যবহারের টার্গেট হয়ে উঠছে ঠাকুরগাঁওয়ে নানা কর্মসূচিতে হানাদার মুক্ত দিবস উদযাপিত। ঠাকুরগাঁও জেলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ৪র্থ জেলা রোভার মুট-২০২৫। কুড়িগ্রামের রাজারহাটে প্রাণিসম্পদ সপ্তাহের প্রদর্শনী ও সমাপনী অনুষ্ঠিত। পার্বতীপুরে জাতীয় প্রাণি সম্পদ ও ডেইরি প্রকল্পের উদ্বোধন। রাণীশংকৈলে জাতীয় প্রাণীসম্পদ সপ্তাহ ও প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত পলাতক শেখ হাসিনার অগ্রণী ব্যাংকের লকার ভেঙে ৮৩২ ভরি স্বর্ণ জব্দ রাজশাহীতে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১০ জন ৩ ডিসেম্বর রংপুরে বিভাগীয় মহাসমাবেশ সফল করতে দিনাজপুরে ৮ ইসলামী দলের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত। দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে সব বাহিনী প্রস্তুত: সিইসি পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ৬ হাজার কৃষক পাচ্ছে বিনামূল্যে গম বীজ ও সার। মাত্র চার মাসের শিশু সুমাইয়া বাঁচতে চায়! পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় হেফাজতে ইসলামের নতুন কমিটি গঠন। ভূমিকম্পে সম্ভাব্য ক্ষতি কমাতে এখনই শক্তিশালী ও সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে: সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান রাজধানীতে  আজ থেকে ঘরে বসেই মেট্রোরেলের কার্ড রিচার্জ করবেন? নীলফামারীতে পাটবীজ উৎপাদনকারী চাষীদের প্রশিক্ষণ। আর কোনো পরিস্থিতি নেই যে নির্বাচন ব্যাহত হবে-ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল  ৫-বছরেও শেষ হয়নি ওয়াশব্লকের নির্মাণ কাজ-জনস্বাস্থ্য অফিস বলছেন বাদ দেন চা খাওয়ার জন্য কিছু নেন। পার্বতীপুরে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকারের দাবীতে কর্মী সভা। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় নদী বাঁচাও আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নাগরিক সমাবেশ। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া ইউএনও এক গৃহহীন ভারসাম্যহীন নারীর পাশে দাঁড়ালো। ৮ দফা দাবিতে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর নার্সিং এসোসিয়েশন দিনাজপুর জেলা শাখার স্মারকলিপি ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে ইউনিয়ন সিএসওর লাইভস্টক সংলাপ সভা অনুষ্ঠিত বগুড়ায় প্রেম করে বিয়ে অতপর ভাড়া বাসায় স্ত্রীকে হত্যা করল স্বামী। দিনাজপুরে ৩ দিনব্যাপী উদ্যোক্তা মেলা ও পিঠা উৎসবের সমাপনী। দিনাজপুরের বিরলে শতাধিক নেতা-কর্মীর মামলা থেকে বাঁচতে ফ্যাসিস্ট আ,লীগ থেকে পদত্যাগ! অভিযোগ দিয়ে ও কাজ বন্ধ হচ্ছে না আদমদিঘীতে সরকারি জায়গা দখল করে করা হচ্ছে অবকাঠামো নির্মাণ! বগুড়ার কইপাড়ায় নববধূ শম্পা হত্যার অভিযোগ, যৌতুক দাবির জেরে স্বামী আটক