admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ২৯ নভেম্বর, ২০২১ ৯:০২ অপরাহ্ণ
বিশ্বজুড়ে করোনার কারণে সীমান্ত বন্ধের হিড়িক। করোনার সবশেষ নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনকে সবচেয়ে বিপদজনক ও অতি সংক্রমক হিসেবে বর্ণনা করেছেন বিশেষজ্ঞরা। এ নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ডাব্লিউএউচও। দ্রুত ছড়িয়ে পড়া এই ভ্যারিয়েন্টটি একের পর এক দেশে শনাক্ত হওয়ায় বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ডজন খানেক দেশে ওমিক্রণের উপস্থিতি সামনে আসার পরই যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
ডব্লিউএউচওর ভ্যারিয়েন্ট অব কনসার্ন ঘােষিত ওমিক্রনের বিস্তার রােধে বিমান চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপের হিড়িক পড়েছে। বিদেশিদের প্রবেশ বন্ধে সীমান্ত বন্ধ করে দেওয়ার কথা জানিয়েছে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ জাপান। দেশটি ইসরায়েলের মতো ওমিক্রনের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে আজ সোমবার। যুক্তরাজ্য এরইমধ্যে ভ্যারিয়েন্টটি শনাক্ত হওয়া দেশগুলোর ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।
অস্ট্রেলিয়াও একই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনা করছে বলে জানা যাচ্ছে। গত বুধবার দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রথম শনাক্ত হওয়া ভ্যারিয়েন্টটি আগেরগুলোর থেকে বেশি বিপদজনক ও দ্রুত ছড়ানোর সতর্কবার্তা দেওয়া হয়। এরপরই B.1.1.529 নামের ভাইরাসটির প্রতিরোধক টিকাকে পরাজিত করতে সক্ষম বলে উল্লেখ করেন বিশেষজ্ঞরা।
প্রথমদিকে নামিবিয়া, লেসোথো, বতসোয়ানা, এসওয়াতিনি, জিম্বাবুয়ে, ইতালি ও জার্মানিতে শনাক্ত হয়েছে ওমিক্রন। পরবর্তীতে অস্ট্রেলিয়া, বেলজিয়াম, বতসোয়ানা, ব্রিটেন, কানাডা, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, হংকং, ইসরায়েল ও নেদারল্যান্ডসেও শনাক্ত হয় ভ্যারিয়েন্টটি।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ডব্লিউএইচও বলছে, এটির তীব্রতা যথাযথভাবে বোঝার জন্য আরো কয়েক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।ওমিক্রন নিয়ে গত রোববার মরক্কোর সরকার জানিয়েছে, ২৯ নভেম্বর থেকে দুই সপ্তাহ আন্তর্জাতিক যাত্রীবাহী ফ্লাইটের অবতরণ বন্ধ থাকবে। কাতার, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে টিকাদানকারীদের ভ্রমণ চালুর পরিকল্পনা পিছিয়ে দিয়েছে সিঙ্গাপুর।
ওমিক্রন বৈশ্বিকভাবে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কার কথা জানিয়ে ডব্লিউএইচও বলেছে, খুব উচ্চ ঝুঁকি তৈরি করেছে, যাতে বিভিন্ন দেশে সংক্রমণ বৃদ্ধির পরিণতি গুরুতর হতে পারে। পাশাপাশি জাতিসংঘের ১৯৪ সদস্য দেশকে প্রযুক্তিগত পরামর্শ, অগ্রাধিকার প্রাপ্তদের টিকাদান ত্বরান্বিত করা এবং স্বাস্থ্য পরিষেবা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।