admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ৮:০১ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ সীমান্তে নতুন ও পুরান সশস্ত্র রোহিঙ্গা দলগুলো তৎপরতা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করে আসছে মিয়ানমার। এমন ভিত্তিহীন অভিযোগ নাকচ করে ঢাকা বলেছে, এসব নেপিডোর অপপ্রচার। দেশটির রাষ্ট্রদূতকে ডেকে কড়া প্রতিবাদ জানানো হলেও সাম্প্রতিক সময়ে এই ধরনের প্রচারণা জোরদার করা হয়েছে। ভয়েস অব আমেরিকা জানায়, কয়েকদিন আগে ফেসবুকে গণহত্যার কনটেন্ট প্রকাশ নিয়ে একটি রায় দিয়েছে মার্কিন ফেডারেল আদালত।
এই রায় ঘোষণার আগে থেকেই সশস্ত্র রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে প্রচারে নামে মিয়ানমার। তবে রায় আসার পর খুবই চিন্তিত হয়ে পড়েছে দেশটি। কেননা, ফেসবুক কনটেন্টগুলো প্রকাশ করলে মিয়ানমারের গণহত্যার বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যাবে।
এমন প্রেক্ষাপটে পাল্টা প্রচারণায় নেমেছে মিয়ানমারের গণমাধ্যমগুলো। যাতে বলা হচ্ছে- রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো হামলা চালাচ্ছে, হত্যাকাণ্ড চালিয়ে আসছে। এর মধ্যে রয়েছে আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি, রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশন ও আব্দুল্লাহ কেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী। মিয়ানমারের প্রচারমাধ্যমের দাবি, এসব সশস্ত্র গোষ্ঠী বাংলাদেশ সীমান্তের মংডু টাউনশিপের নিরাপত্তা চৌকিতে হামলা চালাচ্ছে প্রায়ই।
প্রচার করা এ সংক্রান্ত একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, রোহিঙ্গা সলিডারিটির যোদ্ধারা সামরিক প্রশিক্ষণ নিচ্ছে। বাংলাদেশের কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে তাদের একটি গ্রুপ তৎপরতা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। তবে এমন প্রচার রোহিঙ্গা সংকটের বিষয়ে ওয়াকিবহাল আন্তর্জাতিক মহলের সমর্থন পেতে ব্যর্থ হচ্ছে।
বিশ্ব গণমাধ্যমগুলো বলছে, মিয়নমার সেনাদের নিপীড়নের মুখে লাখ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে। তাদের যত দ্রুত সম্ভব জন্মভূমিতে প্রত্যাবাসনের প্রক্রিয়া শুরু করা প্রয়োজন। কিন্তু সেটি না করে উল্টো রোহিঙ্গা বিরোধী প্রচারে নেমেছে দেশটি, যা একেবারেই গ্রহণযোগ্য নয়।