admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ২৩ জুলাই, ২০২১ ৮:০০ অপরাহ্ণ
গৌতম বিশ্বাস মধুখালি ফরিদপুর থেকেঃ সারা দেশে করোনার মৃত্যু ও সংক্রামক দিন দিন বৃদ্ধি পেলেও ফরিদপুরের মধুখালি উপজেলায় কামারখালিকে করোনাকে বৃদ্ধা আঙুল দেখিয়ে চলছে জনগন। এলাকায় স্বাস্থ্য বিধি কেউ মানছেন না। বিশেষ করে কামরখালির মাছবাজার,কসমেটিক পট্টি, চা বিক্রেতা, সেলুন ব্যবসায়িকরা লকডাউন উপেক্ষা করে চালাচ্ছে তাঁদের ব্যবসা।তাঁদের মধ্যে অনেকর মুখে মাস্ক ছাড়া চলছে। মধুখালি উপজেলায় মধ্যে কামারখালি একটি বৃহৎ ব্যবসা কেন্দ্র । প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ এই বাজারে আসেন তাদের নিত্যপর্ণসহ সবধরনের বাজার হাট করতে। প্রতিদিন এ বাজারে প্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার লোকের সমাগম ঘটে।
কিন্তু করোনার মৃত্যু ও সংক্রামক দিন দিন বৃদ্ধি পেলেও লকডাউন উপেক্ষা করে বাজারে কেনাকাটা করতে আসা ক্রেতা ও বিক্রেতা কেউ এখন আর স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলছে না। মাক্স পড়া, দূরত্ব বজায় রাখা, হ্যান্ড সেনিটাইজার ব্যবহার করা। কোন কিছুই আর মানুষ পাত্তা দিচ্ছে না। বাস্তবে স্বাস্থ্য বিধি মানার প্রবণতা একেবারেই দেখা যাচ্ছে না।
এদিকে উপজেলার করোনা রোগীর সংখ্য দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। কামারখালি ফরিদপুর জেলার শেষ এবং মাগুড়া জেলা শুরু এই দুই সীমান্তে করোনা রোগীর সংখ্য বৃদ্ধি পাওয়ায় এলাকাটি অত্যান্ত ঝুকির মধ্যে থাকছে। কারন এই উপজেলার জনগনের যাতায়তের একমাত্র সড়ক পথ হলো কামার খালি বাজার হয়ে যাতায়ত করতে হয়। এই দুই জেলার জনগন বিশেষ করে মাগুরা জেলার লোকজন ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলার যাতায়ত করে থাকে এই বাজারের উপর দিয়ে।
কামারখালি ও তার আশপাশ বাজার ও রাস্তাঘাট ঘুরে দেখা গেছে বেশির ভাগ মানুষই মাক্স পড়ছে না। উঠতি বয়সের তরুন-তরুনী বয়স্ক মানুষ, দোকানের ক্রেতা বিক্রেতা খেটে খাওয়া মানুষ এ ক্ষেত্রে সবাই উদাসিন। এ ছাড়া অভ্যন্তরিন সড়কগুলোতে চলাচলকারী ব্যাটারিচালিত ইজি বাইক সিএনজি, মাহিন্দ্র এমনকি চলাচলকারী কেউ স্বাস্থ্যবিধি মানছে না। সারা দেশের পাশা পাশি জেলায় দিন দিন করোনা রোগীর সংখ্যা ও মৃত্যু বাড়লেও সাধরন মানুষের মাঝে সচেতনতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। সরকারি ভাবে মাইকিংয়ে মানুষকে সচেতন করাই চেষ্টা চলছে।
তাই করোনা সম্পর্কে উত্তম কুমার বকসী বলেন, সাধারন মানুষকে সচেতন এবং মাক্স পড়া ও সামাজিক দূরত্ব সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে না পারলে মরনব্যাধি করোনা রোগীর সংখ্য দিন দিন বেড়েই চলছে। তাই জনপ্রতিনিধি, ঈমাম, শিক্ষক, আইন শৃংখলা রক্ষা বাহিনী এলাকার সচেতন মানুষ ও প্রশাসনকে যৌথভাবে কাজ করতে হবে। তা না হলে করোনার এই ভয়াবহতা ঠেকানো কোন ভাবেই সম্ভব না।