admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ২০ জুলাই, ২০২১ ৩:২০ অপরাহ্ণ
মুর্খের সাথে বসবাস বাংলাদেশের ৬৫ গ্রামে ঈদ উদযাপন। মুর্খের সাথে বসবাস করছি আমরা, থাকে দেশে নিয়ম মানে অন্যদেশের যাদের সাথে আমাদের সময়ের ঢের পার্থক্য। এই মুর্খ্যরা রমজান মাসে সেহেরী খায় বাংলাদেশ সময়ে ইফতার করে বাংলাদেশ সময়ে আবার ঈদ করে সৌদির সময়ে এইসব মুর্খ্যদের নিয়ে কি আর বলাযায়। প্রতি বছরই দেশের কয়েকটি অঞ্চলের মানুষ সৌদি আরব তথা মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে একদিন আগে ঈদ উদযাপন করে থাকেন। বিশেষ করে চাঁদপুর জেলায় ঘটে এই ঘটনা। সৌদির সঙ্গে মিল রেখে আজ (২০ জুলাই) ঈদ উদযাপন করেছেন জেলাটির ৪০ গ্রামের বাসিন্দারা। এছাড়া ভোলায় ১০ গ্রাম এবং দিনাজপুরে ১৫ গ্রামে আজ মঙ্গলবার ঈদ উদযাপন করা হয়েছে।
চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা দরবার শরিফের উদ্যোগে ওই জেলার ৪০ গ্রামের মানুষ একদিন আগে ঈদে উৎসবে অংশ নেয়। দরবারের প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা ইসহাক ঈদ উৎসবের এই রেওয়াজ চালু করেন। তার যুক্তি ছিল, পৃথিবীর যে প্রান্তেই চাঁদ দেখা যাক না কেন, সকল মুসলমান সে অনুযায়ীই ধর্মীয় উৎসব পালন করবে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, জেলার হাজীগঞ্জ, ফরিদগঞ্জ, শাহরাস্তি, কচুয়া ও মতলব উত্তর উপজেলার ৪০টি গ্রামের লোকজন এমনটি করে আসছেন ১৯২৮ সাল থেকে। এসব গ্রামের প্রায় অর্ধ লক্ষাধিক মুসলমান এই ঈদ উদযাপনে অংশ নেন।
দিনাজপুরে এমন ঘটনা ঘটে বিরামপুর উপজেলার ১৫ গ্রামে। উপজেলার জোতবানি ইউনিয়নের খয়েরবাড়ি মির্জাপুর গ্রামের মসজিদ এবং আয়ড়া বাজার মোড় জামে মসজিদে ঈদুল আজহার দুটি জামাত অনুষ্ঠিত হয়। অন্যদিকে ভোলায় একদিন আগে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয় স্থানীয় সুরেশ্বর দরবার ও সাতকানিয়া দরবারের উদ্যোগে, অংশ নেয় প্রায় ১১ হাজার মানুষ।
চাঁদপুরের হাজীগঞ্জের সাদ্রা হামিদিয়া মাদরাসা মাঠে আজ ঈদের নামাজে ইমামতি করেন সাদ্রা দরবারের বর্তমান পীর মুফতি আল্লামা যাকারিয়া চৌধুরী আল মাদানী। তিনি বলেন, ১৯২৮ সাল থেকেই আমরা সর্বপ্রথম নবচন্দ্র দর্শনের মাধ্যমে ঈদ উদযাপন করে থাকি। আমরা মনে করি, প্রত্যেক মুসলমানেরই এভাবে ঈদ উদযাপন করা উচিত। পৃথিবীর যে প্রান্তেই চাঁদ দেখা যাক না কেন, সেটা সকল মুসলমানের জন্য নির্দেশনা।