হোম
কভিড-১৯

৬ মাসের মধ্যে বাজারে চলে আসতে পারে গ্লোব বায়োটেকের টিকা।

admin || মুক্ত কলম সংবাদ

প্রকাশিত: ১৯ অক্টোবর, ২০২০ ৯:০৮ পূর্বাহ্ণ

৬ মাসের মধ্যে বাজারে চলে আসতে পারে গ্লোব বায়োটেকের টিকা-এম কে নিউজ

ফাইল ছবি

৬ মাসের মধ্যে বাজারে চলে আসতে পারে গ্লোব বায়োটেকের টিকা। করোনাভাইরাসের কার্যকর এবং নিরাপদ একটি টিকার অপেক্ষায় পুরো বিশ্ব। বাংলাদেশের একটি প্রতিষ্ঠান গ্লোব বায়োটেকের তৈরি করা তিনটি ভ্যাকসিনকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ভ্যাকসিন প্রি-ক্লিনিক্যাল ক্যান্ডিডেটের তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অবশ্য এটাও জানিয়েছে যে, নভেল করোনাভাইরাস মহামারি নিয়ে তথ্য প্রদানের উদ্দেশ্যেই এই ল্যান্ডস্কেপ ডকুমেন্টটি তৈরি করা হয়েছে। এই তালিকাভুক্তির মাধ্যমে কোন নির্দিষ্ট একটি পণ্যের বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদন পাওয়া বোঝায় না।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ল্যান্ডস্কেপ ডকুমেন্টে ক্লিনিক্যাল ইভালুয়েশনের তালিকায় মোট ৪২টি এবং প্রি-ক্লিনিক্যাল ইভালুয়েশনের তালিকায় ১৫৬টি ভ্যাকসিনের নাম রয়েছে। প্রি-ক্লিনিক্যাল ইভালুয়েশনের তালিকায় তিনটি ভ্যাকসিন স্থান পেয়েছে যেগুলো বাংলাদেশের গ্লোব বায়োটেক লিমিটেড তৈরি করছে। এগুলো হলো DNA plasmid vaccine , Adenovirus Type 5 Vector , D614G variant LNP-encapsulated mRNA । গত ৮ই মার্চ থেকে তারা এই টিকা আবিষ্কারের কাজ শুরু করে। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে এর মধ্যে D614G variant LNP-encapsulated mRNA ভ্যাকসিনটির উন্নয়নের কাজ সবচেয়ে বেশি এগিয়ে আছে।

কীভাবে শুরু হলো?
বাংলাদেশে কোভিড-১৯ শনাক্ত হওয়ার পর থেকে এই রোগটির জন্য ভ্যাকসিন উন্নয়নের কাজ করতে শুরু করে গ্লোব বায়োটেক। তখন আন্তর্জাতিকভাবে যেসব জেনোম সিকোয়েন্স ছিল, সেগুলো বিশ্লেষণ করে একটি বিশেষ ধরনের মিউটেশনের খোঁজ পান গ্লোব বায়োটেকের বিজ্ঞানীরা। এই মিউটেশনটি হলো D614G । তখন এই মিউটেশনের সংখ্যা খুবই কম ছিল বলে জানান গ্লোব বায়োটেকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. কাকন নাগ।

তিনি বলেন, ওই সময়ে তারা বুঝতে পেরেছিলেন যে, এই জেনোম মিউটেশনটি ভবিষ্যতে মারাত্মক প্রভাব তৈরি করবে। তখন তারা এটি নিয়ে কাজ করার সিদ্ধান্ত নেন। ওই সময়ে আসলে কেউ ধারণা করতে পারেনি যে এই স্ট্রেইনটি সারা বিশ্বে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করবে, বলেন তিনি। গ্লোব বায়োটেক বলছে, বর্তমানে সারা বিশ্বে যতগুলো স্ট্রেইন আছে তার মধ্যে D614Gটি ১০ গুণ বেশি সংক্রামক এবং এর বিরুদ্ধে এখনো পর্যন্ত কেউ ভ্যাকসিন ক্যান্ডিডেট বানায়নি।

কোন পর্যায়ে আছে?
তিনটি ভ্যাকসিন ক্যান্ডিডেটের মধ্যে উন্নয়নের দিক থেকে সবচেয়ে বেশি এগিয়ে রয়েছে এলএনপি ভিত্তিক D614G variant LNP-encapsulated mRNA ক্যান্ডিডেটটি। মূলত এটির প্রি-ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল এরই মধ্যে শেষ হয়েছে। বর্তমানে এটি ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল পর্যায়ে অন্তর্ভূক্ত হচ্ছে। গ্লোব বায়োটক বলছে, এই ভ্যাকসিনটির একটি ক্যান্ডিডেটের প্রি-ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। গ্লোব বায়োটেকের কোয়ালিটি এন্ড রেগুলেটরি অপারেশনের ব্যবস্থাপক ড. মোহাম্মদ মহিউদ্দিন বলেন, এই ভ্যাকসিনটির তিনটি ক্যান্ডিডেটের মধ্যে একটির প্রি-ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এখন ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের প্রস্তুতি চলছে।

এ নিয়ে গত ১৪ই অক্টোবর আইসিডিডিআরবির সাথে একটি সমঝোতা চুক্তি হয়। তারাই এই ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালটি পরিচালনা করবে। বর্তমানে আইসিডিডিআরবির প্রটোকল ডেভেলপমেন্ট রিভিউ নিয়ে কাজ করছে। তিনি বলেন, তাদের নিজস্ব কিছু ব্যবস্থা আছে যা তারা অনুসরণ করে কাজ করছেন। মি. মহিউদ্দিন জানান, আইসিডিডিআরবি দ্রুততার সাথে এবিষয়ে একটি আবেদন বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিল-বিএমআরসি’কে জমা দেবে। বাকি দুটো স্ট্রেইন এখনো প্রি-ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল পর্যায়ে রয়েছে।

আর কী কী ধাপ বাকি?
একটি ভ্যাকসিন উন্নয়নের বেশ কয়েকটি ধাপ থাকে। D614G variant LNP-encapsulated mRNA ক্যান্ডিডেটটি এরই মধ্যে ছয়টি ধাপ পার হয়ে এসেছে। এটি এখন সপ্তম ধাপে রয়েছে। এই ধাপে ক্লিনিক্যাল বা হিউম্যান ট্রায়াল করা হয়। এই ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের মধ্যে আবার তিনটি ধাপ রয়েছে। অনেক জায়গায় চারটি ধাপও থাকে। গ্লোব বায়োটেকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. কাকন নাগ বলেন, এই টোটাল হিউম্যান ট্রায়ালটি বাকি আছে। এর বাইরে ভ্যাকসিন ডেভেলপমেন্ট বা উন্নয়নের কাজটি এরই মধ্যে শেষ হয়ে গেছে। এটি মানব শরীরে কোভিড-১৯ ভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারে কিনা এবং মানব দেহে এর কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে কিনা সে বিষয়টি এখন দেখতে হবে।

মি. নাগ জানান, এরই মধ্যে এই ভ্যাকসিনটি প্রাণীদেহে পরীক্ষা করা হয়েছে এবং সেখান থেকে খুবই আশাপ্রদ ও ভাল ফল পাওয়া গেছে। যার ফলশ্রুতিতেই আসলে হিউম্যান ট্রায়ালে যাওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি। বর্তমানে যে তথ্য-উপাত্ত আছে সেটি খুবই আশাপ্রদ যে মানব শরীরেও এটি খুব ভাল ফলাফল দেবে, বলেন তিনি।

কবে নাগাদ আসবে?
গ্লোব বায়োটেক জানায়, নিয়ম অনুযায়ী এই ভ্যাকসিনের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল পাঁচ থেকে ছয় মাসের মধ্যেই শেষ হয়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু ব্যবস্থাপনা ও অনুমোদনের বিষয়গুলো গ্লোব বায়োটেকের হাতে নেই বলে জানান তারা। এই বিষয়গুলোর জন্য আলাদা কর্তৃপক্ষ রয়েছে। তারা এটি দ্রুততম সময়ে অনুমোদন দিলে ছয় মাস সময়ে মধ্যে এই ভ্যাকসিন পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন গ্লোব বায়োটেকের কর্মকর্তারা।

কতদূর যাবে এই ভ্যাকসিন?
মি. নাগ বলেন, বর্তমানে D614G ভ্যাকসিনটি প্রথম ধাপের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে যাচ্ছে। এর পরে বাকি ধাপ গুলো অতিক্রম করে এই ভ্যাকসিনটি সবার ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়ার কথা ভাবা হচ্ছে বলে জানায় গ্লোব বায়োটেক লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটি বলছে, এরই মধ্যে বেশ কয়েকটি দেশ তাদের তৈরি করা ভ্যাকসিনটি ট্রায়াল করে দেখার আগ্রহের কথা জানিয়েছে।

গবেষকরা বলছেন, ভ্যাকসিনটি দেহে অ্যান্টিবডি তৈরি করবে। মি. নাগ বলেন, বাংলাদেশ যেমন চাইনিজ, ইন্ডিয়ান কিংবা রাশিয়ার ভ্যাকসিনের জন্য ছুটছে ঠিক তেমনি অন্য দেশগুলোও আমাদের ভ্যাকসিন তাদের দেশে ট্রায়ালের ব্যাপারে আগ্রহের কথা জানিয়েছে। ভ্যাকসিনের D614G ক্যান্ডিডেটটি অন্য আর কারো কাছে নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারা আশা করছেন যে এটি একটি “সুপিরিয়র” ভ্যাকসিন হবে।

ভ্যাকসিনের তিনটি ক্যান্ডিডেটের মধ্যে পার্থক্য কোথায়?
ব্যানকোভিড নামে যে ভ্যাকসিনটি গ্লোব বায়োটেক লিমিটেড বানাচ্ছে তার যে তিনটি ক্যান্ডিডেট রয়েছে তাদের মধ্যে মূলত প্রযুক্তিগত পার্থক্য রয়েছে। এছাড়া তিনটি ক্যান্ডিডেটের উদ্দেশ্যই কোভিড-১৯ প্রতিহত করা। এই ভ্যাকসিনটির যে মলিকিউলটি ভাইরাসের বিরুদ্ধে কার্যকর হবে সেটি সব ক্যান্ডিডেটের ক্ষেত্রেই এক। আর সেটি হচ্ছে D614G। কিন্তু এই ক্যান্ডিডেট গুলো উৎপাদন করার প্রযুক্তি ভিন্ন। এর মধ্যে যে ক্যান্ডিডেটটি সবচেয়ে এগিয়ে আছে অর্থাৎ D614G variant LNP-encapsulated mRNA- এটির উৎপাদন প্রযুক্তি এখনো পর্যন্ত বিশ্বের সবচেয়ে আধুনিক এবং সবচেয়ে বেশি নিরাপদ বলে তারা দাবি করছেন।

এরপরে Adenovirus Type 5 Vector নামে যে ক্যান্ডিডেটটি রয়েছে সেটি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় যে প্রযুক্তি ব্যবহার করছে ভ্যাকসিন তৈরি করছে তার প্রায় কাছাকাছি বলে উল্লেখ করেন মি. নাগ। আর ভ্যাকসিনটি যাতে সস্তায় দেয়া যায় তার জন্য আরেকটি প্রযুক্তি নিয়েও কাজ চলছে বলে তিনি জানান। সেটি হচ্ছে ডিএনএ প্রযুক্তি। কিন্তু এই প্রযুক্তি খুব নিরাপদ বলে অতীতে প্রমাণিত হয়নি। তাই এর উন্নয়নের কাজটিও পিছিয়ে রাখা হয়েছে বলে জানানো হয়।

কিভাবে কাজ করবে ব্যানকোভিড ভ্যাকসিন?
এ বিষয়ে গ্লোব বায়োটেক লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. কাকন নাগ বলেন, ব্যানকোভিড ভ্যাকসিন যখন মানবদেহে প্রয়োগ করা হবে তখন এর এমআরএনএ নামে মলিকিউলটি দেহের নির্দিষ্ট কিছু কোষে প্রবেশ করবে। এই মলিকিউলটি কোভিড-১৯ ভাইরাস সার্স-কোভ-২- তার স্পাইক প্রোটিনের সান্নিধ্যে আসবে। এই স্পাইক প্রোটিনটি তখন অ্যান্টিজেন হিসেবে কাজ করবে এবং পরবর্তীতে অ্যান্টিবডি তৈরি হবে।

মি. নাগ বলেন, টিকা দেয়া হলে শরীরে এই অ্যান্টিবডি তৈরির প্রক্রিয়া এবং এর মেমোরি সেল ও টি-সেল তৈরি হয়ে যাবে। ফলে ওই ব্যক্তি সার্স-কোভ-২ ভাইরাসে আক্রান্ত হলে এই অ্যান্টিবডি সেটি শনাক্ত করতে পারবে এবং দ্রুত তারা সেটি দেহ থেকে সরিয়ে দেবে। তখন আর এই জীবাণুটি মানুষকে রোগাক্রান্ত করতে পারবে না বলে তিনি জানান।

মতামত জানান :

Sun Mon Tue Wed Thu Fri Sat
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  

সর্বশেষ খবর

দিনাজপুরে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য, কাচারী চত্বরে হাতাহাতি আহত ৭জন।
অপরাধ 6 hours আগে

অদৃশ্য ক্ষমতায় ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা
রংপুর 12 hours আগে

পঞ্চগড়ের বোদায় ভর্তুকি মূল্যে পণ্য বিক্রয় স্টোল পরিদর্শন করেন পানি
রংপুর 13 hours আগে

শীর্ষ সন্ত্রাসী-চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে শীঘ্রই ব্যবস্থা নেয়া হবে-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
জাতীয় 1 day আগে

সুনামগঞ্জে পরিকল্পিত অগ্নিসংযোগ,বাইরে থেকে তালা মেরে বসত ঘরে আগুন, প্রাণনাশের
অপরাধ 1 day আগে

পদোন্নতির দাবিতে উত্তাল দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড।
রংপুর 1 day আগে

দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশন পরিদর্শনে সমাজ কল্যাণ মন্ত্রী ডাঃ এজেড
রংপুর 1 day আগে

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক ইশরাত জাহান সেচ্ছায় বদলি নিলেল।
রংপুর 2 days আগে

চিরিরবন্দরে বাসের ধাঁক্কায় আরএফএল কোম্পানির এস আর রাকিব নিহত।
দুর্ঘটনা 2 days আগে

অন্ধকার নামতেই পঞ্চগড় কেন্দ্রীয় কবর স্থানে শুরু হয়, লুটপাট, জুয়া
অপরাধ 3 days আগে

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম :

কুড়িগ্রামে ঐতিহাসিক আসনে কঠিন চ্যালেঞ্জে জাপা,মাঠ গরম এনসিপি-বিএনপির। হাদীর ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনায় দিনাজপুর সীমান্ত ৪২ বিজিবির রেড অ্যালার্ট জারি। রোহিঙ্গা মেয়েরা পাচার ছাড়াও বিদেশীদের দ্বারা যৌন কাজে ব্যবহারের টার্গেট হয়ে উঠছে ঠাকুরগাঁওয়ে নানা কর্মসূচিতে হানাদার মুক্ত দিবস উদযাপিত। ঠাকুরগাঁও জেলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ৪র্থ জেলা রোভার মুট-২০২৫। কুড়িগ্রামের রাজারহাটে প্রাণিসম্পদ সপ্তাহের প্রদর্শনী ও সমাপনী অনুষ্ঠিত। পার্বতীপুরে জাতীয় প্রাণি সম্পদ ও ডেইরি প্রকল্পের উদ্বোধন। রাণীশংকৈলে জাতীয় প্রাণীসম্পদ সপ্তাহ ও প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত পলাতক শেখ হাসিনার অগ্রণী ব্যাংকের লকার ভেঙে ৮৩২ ভরি স্বর্ণ জব্দ রাজশাহীতে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১০ জন ৩ ডিসেম্বর রংপুরে বিভাগীয় মহাসমাবেশ সফল করতে দিনাজপুরে ৮ ইসলামী দলের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত। দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে সব বাহিনী প্রস্তুত: সিইসি পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ৬ হাজার কৃষক পাচ্ছে বিনামূল্যে গম বীজ ও সার। মাত্র চার মাসের শিশু সুমাইয়া বাঁচতে চায়! পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় হেফাজতে ইসলামের নতুন কমিটি গঠন। ভূমিকম্পে সম্ভাব্য ক্ষতি কমাতে এখনই শক্তিশালী ও সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে: সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান রাজধানীতে  আজ থেকে ঘরে বসেই মেট্রোরেলের কার্ড রিচার্জ করবেন? নীলফামারীতে পাটবীজ উৎপাদনকারী চাষীদের প্রশিক্ষণ। আর কোনো পরিস্থিতি নেই যে নির্বাচন ব্যাহত হবে-ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল  ৫-বছরেও শেষ হয়নি ওয়াশব্লকের নির্মাণ কাজ-জনস্বাস্থ্য অফিস বলছেন বাদ দেন চা খাওয়ার জন্য কিছু নেন। পার্বতীপুরে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকারের দাবীতে কর্মী সভা। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় নদী বাঁচাও আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নাগরিক সমাবেশ। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া ইউএনও এক গৃহহীন ভারসাম্যহীন নারীর পাশে দাঁড়ালো। ৮ দফা দাবিতে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর নার্সিং এসোসিয়েশন দিনাজপুর জেলা শাখার স্মারকলিপি ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে ইউনিয়ন সিএসওর লাইভস্টক সংলাপ সভা অনুষ্ঠিত বগুড়ায় প্রেম করে বিয়ে অতপর ভাড়া বাসায় স্ত্রীকে হত্যা করল স্বামী। দিনাজপুরে ৩ দিনব্যাপী উদ্যোক্তা মেলা ও পিঠা উৎসবের সমাপনী। দিনাজপুরের বিরলে শতাধিক নেতা-কর্মীর মামলা থেকে বাঁচতে ফ্যাসিস্ট আ,লীগ থেকে পদত্যাগ! অভিযোগ দিয়ে ও কাজ বন্ধ হচ্ছে না আদমদিঘীতে সরকারি জায়গা দখল করে করা হচ্ছে অবকাঠামো নির্মাণ! বগুড়ার কইপাড়ায় নববধূ শম্পা হত্যার অভিযোগ, যৌতুক দাবির জেরে স্বামী আটক