admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ১৮ নভেম্বর, ২০২১ ৭:৪০ অপরাহ্ণ
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সংসদে বলেছেন টিকার ব্যয় প্রকাশ করা সমীচীন হবে না ! এর আগে গণমাধ্যমে বিজ্ঞাপন দিয়ে কোভিড-১৯ প্রতিরোধী টিকা কেনার খরচ প্রকাশ করা হয়েছিল। কিন্তু আজ বৃহস্পতিবার, ১৭ নভেম্বর, জাতী সংসদে এ খাতের ব্যয় প্রকাশ সম্পর্কে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, নন-ক্লোজার এগ্রিমেন্টের মাধ্যমে ভ্যাকসিন কেনায় সংসদে অর্থ খরচের হিসাব প্রকাশ করা সমীচীন হবে না। অবশ্য তিনি বলেছেন, সর্বোচ্চ প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে সততা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে টিকা কেনা হয়েছে। জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তরে সরকারি দলের সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদের এক প্রশ্নের জবাবে আজ বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ সব কথা বলেন।
স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়। সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ তার প্রশ্নে জানতে জান, কত সংখ্যক টিকা সংগ্রহ করা হয়েছে এবং এতে কত টাকা ব্যয় হয়েছে। জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, এখন পর্যন্ত ২১ কোটি ১৭ লাখ ৩০ হাজার ডোজ করোনার টিকা কেনা হয়েছে। এর মধ্যে চীনা কোম্পানি সিনোফার্ম থেকে ৭ কোটি ৭০ লাখ ডোজ এবং সিনোভ্যাক থেকে ৭ কোটি ৫১ লাখ ডোজ টিকা কেনা হয়েছে। এ ছাড়া ভারত থেকে ৩ কোটি কোভিশিল্ড কেনা হয়েছে।
আর কোভ্যাক্সের আওতায় ২ কোটি ৯৭ লাখ ২০ হাজার ডোজ সিনোফার্মার টিকা সংগ্রহ হয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরো বলেন, সর্বোচ্চ প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে সততা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে চীন, ভারত ও কোভ্যাক্স থেকে এসব ভ্যাকসিন কেনা হয়েছে। অর্থ বিভাগ, আইন মন্ত্রণালয়, সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি বা সিসিজিপি এবং প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন সাপেক্ষে এসব টিকা কেনা হয়েছে। জাহিদ মালেক এ সময় বলেন, নন-ক্লোজার এগ্রিমেন্টের মাধ্যমে টিকা কেনায় অর্থ ব্যয়ের হিসাব সংসদে প্রকাশ করা সমীচীন হবে না।
তবে এর আগে গত ৯ জুলাই গণমাধ্যমে বিজ্ঞাপন দিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে করোনার চিকিৎসার ব্যয় জানানো হয়। এতে বলা হয়, ১ কোটি ১ লাখ ৫০ হাজার ডোজ টিকা, ওই সময় পর্যন্ত, কেনা হয়েছে। প্রতি ডোজ ৩ হাজার টাকা হিসেবে মোট ৩ হাজার ৪৫ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।