admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ১৪ মার্চ, ২০২০ ৭:৩৬ পূর্বাহ্ণ
পঞ্চগড় প্রতিনিধি: সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়ছে নোবেল করোনা ভাইরাস। করোনা ভাইরাসের থাবায় আক্রান্ত হয়েছে প্রতিবেশী দেশ ভারত। বাদ যায়নি বাংলাদেশও। প্রাণঘাতি এ ভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে সমস্ত ট্যুরিস্ট ভিসা বাতিল করেছে ভারত। তারা শুক্রবার (১৩ মার্চ) থেকে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশী পাসপোর্টধারীদের ভারতে প্রবেশেও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। আগামী ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে। ভারত কোন নতুন ভিসাও প্রদান করছেন না। তবে যেসব বাংলাদেশী ভারতে রয়েছেন তারা বাংলাদেশে এবং যেসব ভারতীয় বাংলাদেশে অবস্থান করছেন তারা নিজ নিজ দেশে ফিরতে পারবেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এ ঘোষণার মধ্য দিয়ে দেশের সর্ব উত্তরের একমাত্র চতুদের্শীয় ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট (ভারত, নেপাল, ভুটান ও বাংলাদেশ) বাংলাবান্ধা দিয়ে পর্যটকদের ভারত যাওয়া বন্ধ হল। দেশে উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা করোনা ভাইরাসের প্রভাবে এ স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানির বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে কী না তা কেউ জানাতে পারেননি।
বাংলাবান্ধা ইমিগ্রেশনের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোকসেদ আলী জানান, এখন পর্যন্ত এ বন্দর দিয়ে ভিসাধারী যাত্রী পারাপার বন্ধের জন্য সরকারিভাবে কোনো নোটিশ পাইনি। আমরা বিকেল ৫টা পর্যন্ত যাত্রীদের পার করাবো। এদিকে যাত্রী পারাপার বন্ধে সরকারি সিদ্ধান্ত পেলে আমরা এ বন্দর দিয়ে সাময়িকভাবে যাত্রী পার বন্ধ করে দিবো। তবে বন্ধের পর থেকে বাংলাদেশি কোনো যাত্রী ভারতে প্রবেশ করতে পারবে না। যদি কোনো বাংলাদেশি যাত্রী ভারতে থেকে থাকে তারা এই সময়ের মধ্যে দেশে ফিরতে পারবেন বলে তিনি জানান।
বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মেহেদী হাসান খান বাবলা জানান, শুনেছি ভারতীয় কর্তৃপক্ষ যাত্রী পারাপার বন্ধের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এটি যদি হয়ে থাকে তাহলে তা আমদানি-রপ্তানির ক্ষেত্রে প্রভাব পড়বে। যদিও এই বন্দর দিয়ে খাদ্য-শস্য আমদানি হয় না। মুলত পাথর আমদানি করা হয়, তবুও প্রভাব পড়বে। এমনিতেই করোনার প্রভাবের কারণে এ বন্দর দিয়ে যাত্রী পারাপার কমে গেছে। যদি বন্দর বন্ধ হয় তাহলে ব্যবসায় প্রভাব পড়ার পাশাপাশি সরকার অনেকটা রাজস্ব হারাবে বলে মনে করছি।